০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আজ ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী অ্যাডভান্সড প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার চিকিৎসায় যুগান্তকারী অগ্রগতি ইসলামবিদ্বেষী গ্রাফিতি ঘিরে মুসলিম কম্যুনিটিতে আতঙ্ক যুক্তরাষ্ট্রে মর্টগেজ সুদের হার ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ইসরায়েল ডে প্যারেড বর্জনের ঘোষণা জোহরান মামদানির ওজনপার্ক মসজিদ আল-আমানের নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে ভিসা ও অভিবাসন ব্যবস্থা, বললেন রুবিও নিউইয়র্কে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য এক্সেলসিয়র স্কলারশিপ আবেদন শুরু ৪ লাখ সাশ্রয়ী আবাসনের পরিকল্পনা ঘোষণা মেয়রের উপকূলের ১৯ জেলার প্রাণ-প্রকৃতি ঝুঁকিতে


`বিএনপি এখন পুরনো গাড়ি, ব্যাটারি বসে গেছে'
অন্য কোনো দেশ আমাদের গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা সমীচীন নয় - তথ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৫-০৯-২০২৩
অন্য কোনো দেশ আমাদের গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা সমীচীন নয় - তথ্যমন্ত্রী


তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, 'বিএনপি এখন পুরনো গাড়ি, তাদের ব্যাটারি বসে গেছে।'

তিনি বলেন, 'তাদের দল যেমন পুরনো গাড়ির মতো বসে গেছে, ব্যাটারি যাতে ডাউন না হয় সে কারণে নানা কর্মসূচি দিয়েছে। কিন্তু পুরনো গাড়ি যেমন যতোই স্টার্ট দেন, তার ব্যাটারি যতোই চার্জ দেন, চলতে গিয়ে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়, বিএনপিও ক’দিন পরে পুরনো গাড়ির মতো হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাবে। আন্দোলনকে তারা সামনের দিকে নিয়ে যেতে পারবে না।'

সোমবার বিকেলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
জাতীয় সংসদের উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, সংসদ সদস্য নূরুল আমিন রুহুল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সমাবেশে বক্তব্য দেন।

হাছান বলেন, 'আপনারা জানেন বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে, আগামী নির্বাচনকে ভন্ডুল করার উদ্দেশ্যে বিএনপি দেশে নানা কর্মসূচি ঘোষণা করে যাচ্ছে। সরকারি দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দায়িত্ব রয়েছে দেশে যাতে কেউ শান্তি-শৃঙ্খলা, জনজীবনে নিরাপত্তা বিনষ্ট করতে না পারে। সে কারণেই শান্তি সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে, কোনো কর্মসূচি হিসেবে নয়।'

তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'বিএনপির তারা ডিসেম্বর মাসে বলেছিলো নয়া পল্টনের সামনেই সমাবেশ হবে এবং সেখান থেকে কোনো অবস্থাতেই যাবে না শেষ পর্যন্ত কোথায় গেলো- গরুর হাটে গেলো। গরুর হাটে গিয়ে আন্দোলন মাঠে মারা গেলো। এরপর বিভিন্ন সময় বলেছে- সরকারকে ২৪ ঘন্টা দিলাম, ৪৮ ঘন্টা আল্টিমেটাম দিলাম। আল্টিমেটাম দিয়ে দেখা গেলো বিএনপির নিজেদেরই দম ফুরিয়ে গেছে। তাদের সমাবেশে আগের মতো আর মানুষ হয় না। আর ভিসা নীতি নিয়েও তাদের এতো পুলকিত হওয়ার কিছু নাই।'


বঙ্গবন্ধুর কৈশোরভিত্তিক 'দুঃসাহসী খোকা'র প্রিমিয়ারে তথ্যমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর কৈশোরভিত্তিক 'দুঃসাহসী খোকা'র প্রিমিয়ারে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, সিনেমাটি আমাদের নতুন প্রজন্মকে আদর্শ জীবন গড়তে অনুপ্রাণিত করবে এবং সবাইকে বঙ্গবন্ধুর কিশোরবেলা সম্পর্কে আরও জানতে সাহায্য করবে।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ফিল্ম আর্কাইভ প্রজেকশন হলে এ প্রদর্শনীর প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশব থেকে কিশোর বয়সের কাহিনী নিয়ে সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে। কিভাবে একজন দুরন্ত কিশোর রাজনীতি সচেতন হলেন, একইসাথে প্রতিবাদী ও মানবিক কিশোর হলেন, তিনি কেমন জনদরদী ছিলেন, এ বিষয়গুলো এখানে চিত্রায়িত হয়েছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অনেক সিনেমা হচ্ছে, কিন্তু আমার জানামতে তার শৈশব থেকে কৈশোর নিয়ে এটিই প্রথম সিনেমা।

সিনেমাটির পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার, চিত্রগ্রাহক সমিতির সভাপতি আবদুল লতিফ বাচ্চু, ফিল্ম এডিটরস গিল্ড সভাপতি আবু মুসা দেবু, অভিনয়শিল্পী রিয়াজ, মনোজ সেনগুপ্ত, ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. জসীম উদ্দিন, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক নসরুল্লা ইরফান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুদানে নির্মিত 'দুঃসাহসী খোকা' সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন মুশফিকুর রহমান গুলজার। প্রিমিয়ার শো শেষে দর্শকরা কিশোর বঙ্গবন্ধুর চরিত্রাভিনেতা সৌম্য জ্যোতি, অন্যান্য নাম ভূমিকায় লুৎফর রহমান জর্জ, ফজলুর রহমান বাবু, মাহমুদা মাহা, গোলাম ফরিদা ছন্দা ও সহশিল্পীদের অভিনয় ও ছবি নির্মাণের প্রশংসা করেন । সিনেমাটি ২৯ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা রয়েছে।


অন্য কোনো দেশ আমাদের গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা সমীচীন নয় : তথ্যমন্ত্রী

সাংবাদিকরা এ সময় গণমাধ্যমের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি প্রয়োগ করা হবে -এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, আমি কাগজে এটি দেখলাম। আমাদের গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে, অবাধে কাজ করছে। শুধু তাই নয়, আমাদের গণমাধ্যম যে পরিমাণ 'ভাইব্রেন্ট', পৃথিবীর বহু উন্নয়নশীল দেশে তা নয়।

সুতরাং গণমাধ্যমের ওপর ভিসানীতি প্রয়োগের কথা শুনে আমি আশ্চর্য হয়েছি। আমি মনে করি, কারো অন্য দেশের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করা সমীচীন নয়। অন্য কোনো দেশ আমাদের গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা সমীচীন নয়।

শেয়ার করুন