প্রধান অতিথিকে সম্মাননা প্রদান
কুমিল্লার-২ (হোমনা-তিতাস) থেকে নির্বাচিত সংদস্য, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যপরিষদের প্রেসিডেন্ট এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ সেলিম ভূইয়া এমপি বলেছেন, আমি আপনাদের দাবি-দাওয়া শুনেছি। আমি দেশে গেলে আপনাদের দাবি-দাওয়া সংসদে এবং প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের কাছে তুলে ধরবো। আমি বলবো আপনারা ধৈর্য্য ধরুন, প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই আপনাদের দাবি পূরণ করবেন। গত ২০ জুলাই সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের সানাই রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত বৃহত্তর কুমিল্লাবাসী আয়োজিত এক সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
সংবর্ধনা কমিটির আহবায়ক, বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সংবর্ধনা সভার সদস্য সচিব মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, যুগ্ম সদস্য সচিব মোহাম্মদ আল আমিন, সাইদুজ্জামান রিঙ্কুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাবের যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. সরওয়ার হোসেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য আব্দুল লতিফ সম্রাট, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য জিল্লুর রহমান জিল্লু, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ও বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এডভোকেট জামাল আহমেদ জনি, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাকেত সহ সভাপতি এমদাদুল হক কামাল, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি মাওলানা অলিউল্যাহ আতিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাঈদুর রহমান সাঈদ, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেত্রী সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আল আমিন সুমন, অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়কারী মাহমুদুল হক মুরাদ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি নিয়াজ আহমেদ জুয়েল, কামাল উদ্দিন হারুণ, বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির সভাপতি ইউনূছ সরকার, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাকসুদুল হক চৌধুরী, বদরুল হক আজাদ, মোতাহার হোসেন, আলমগীর খান, ফারুক হোসেন মজুমদার, ফারুক চৌধুরী, সফিকুর রহমান দুলাল, রইস উদ্দিন, মনির হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, আবুল হোসেন, মোফাজ্জল হোসেন বসির, প্রফেসর মনির খান, কামরুল হাসান, শাপলা ওয়েলফেয়ারের প্রেসিডেন্ট মোস্তাফা রিপন, রুহুল আমিন, ইঞ্জিনিয়ার মাইন উদ্দীন মিয়াজি, ওয়ালি উদ্দিন সরকার প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মোহাম্মদ সেলিম ভুইয়া এমপি প্রবাসীদের দাবির কথা বলতে গিয়ে বললেন আমাদের শিক্ষামন্ত্রী আমাকে ডাকেন দাবি ভূইয়া বলে। কারণ আমি সংসদে এবং সংসদের বাইরে আমার এলাকা এবং সারা বাংলাদেশের শিক্ষকদের সমস্যার কথা তুলে ধরি। তিনি বলেন, আমরা কাজই হচ্ছে মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করা। তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, যখন এলাকায় নেতা ছিলো না, অনেকেই বিদেশে ছিলেন, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঐ সময় আমাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন রাজপথ দখলের জন্য, আমরা মাঠে না নামলে আন্দোলন সফল হতো না। সেজন্য তিনি আমাকে প্রতিদানও দিয়েছিলেন, ২০০৮ সালে ঢাকা-৫ আসন থেকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন কিন্তু নির্বাচন করা হলো না। তারই সুযোগ্য সন্তান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, আগামী ভবিষ্যত তারেক রহমান আমাকে পুরো কুমিল্লার দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আমার উপর দায়িত্ব দিয়েছিলেন কুমিল্øার ২২টি আসনের। আমি যাকে যোগ্য মনে করেছি, তার পক্ষে মতামত দিয়েছি। কারণ নেতা বলেছিলেন সব আসনের দায়িত্ব আপনাকে নিতে হবে। দলে বা এলাকায় যারা আমার বিরোধীতা করেন বা করছেন আমি দলের স্বার্থে তাদের জন্যও সুপারিশ করেছি। আমার নেতা তারেক রহমান আমাকে দলের সাংগঠনিক পদের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি তা রক্ষা করার চেষ্টা করেছি নি:স্বার্থে।
তিনি আন্দোলনে প্রবাসীদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। সেই সাথে রেমিটেন্স পাঠানোর জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আপনাদের অবদান ভুলে গেলে চলবে না। তিনি বলেন, ধৈর্র্য্য ধরুণ নেতা সঠিক সময়ই আপনাদের মূল্যায়ন করবেন। আপনারা ঐক্যেবদ্ধ থাকেন। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন কার্ড প্রকল্প শুরু করেছেন। ইমাম- মুয়াজ্জেন এবং পুরহিতদের বেতন ভাতা দেয়া শুরু করেছেন। এই রুটে বিমান চালু করা নিয়ে বলবো। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিভাগের কথা বলেছেন, এখন শুধু সময়ের ব্যাপার।
এডভোকেট জামাল আহমেদ জনি প্রধান অতিথিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এখন আমাদের এলাকার রাজনৈতিক মুরব্বী। আমরা আগামীতে তাকে শিক্ষামন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাই, যেহেতু তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক এবং শিক্ষা নিয়ে কাজ করছেন।
আব্দুল লতিফ সম্রাট বলেন, তারেক রহমানের সরকারকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। নিজেদের আসন ঠিক রাখুন, তারপর বিএনপিকে ভয় দেখান।
জিল্লুর রহমান জিল্লু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান প্রবাসীদের লাশ বিনা পয়সায় দেশে নেয়্রা জন্য।
সভাপতি মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম অনুষ্ঠানকে সফল এবং স্বার্থক করার জন্য সকার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে কোরআন তেলওয়াত করেন সৈয়দ আব্দুল মতিন।