২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ০৫:২৯:৫২ অপরাহ্ন


আবারো গোপন আঁতাত ও ষড়যন্ত্রের গন্ধ
সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৯-০৪-২০২৬
আবারো গোপন আঁতাত ও ষড়যন্ত্রের গন্ধ


২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। বলা যায় দীর্ঘ বিশ বছর পর ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। কিন্তু ক্ষমতায় বসতে না বসতেই খোদ তাদের সরকারের মধ্য থেকেই আওয়াজ তোলা হচ্ছে এই বলে যে, ‘চারিদিকে ষড়যন্ত্র হচ্ছে’। জানিয়ে দিচ্ছে যে, তারা গন্ধ পাচ্ছে চারিদিকে ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের। কিন্তু কোথা থেকে কারা এই ষড়যন্ত্র করছে সেব্যাপারে কোনো গ্রহণযোগ্য বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে না। কারো কারো মতে, এমন আচরণ ঠিক অতীতের ক্ষমতাসীন আ.লীগের মতোই হয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ ধারণা করছেন, এধরনের আওয়াজ তুলে অতীতে ক্ষমতাসীনরা বিএনপিসহ বিভিন্ন দলমত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। কিংবা বলা যায় একধরনের চাপে রাখা হয়েছিল বিরোধী দলমতকে। আবার কারো জীবন একেবারে পঙ্গু করে ফেলা হয়। কোনো কোনো স্বাধীন ইনস্টিটিউটকে ধ্বংস পর্যন্ত করে ফেলা হয়। তাহলে কি গোপন ষড়যন্ত্রের ধুয়া তুলে বিএনপিও কি একিই পথে হাঁটছে? এমন নানান প্রশ্ন রাজনৈতিক অঙ্গনে ঘুরপাক খাচ্ছে।

বিএনপি ষড়যন্ত্রের গন্ধ আসলে কিভাবে পাচ্ছে?

রাজনীতির আকাশ-বাতাস ভারী হচ্ছে গোগন আঁতাত, ষড়যন্ত্রের গন্ধে। তৈরি হয়ে যাচ্ছে হঠাৎ করে নানান ধরনের সঙ্কট। আসলে কি হচ্ছে? বিএনপি সরকার ক্ষমতায় বসার দু’মাসেই কারা ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে? প্রথমে দেখা যাক বিএনপি ক্ষমতায় বসেই বড়ো ধরনের ঘটনা কি ঘটিয়েছে? বলা হচ্ছে ২০০৭ সালের ১/১১-এর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কুশীলবদের বিএনপি পাকড়াও করে ফেলেছে। সেই সময়কার রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, ধরপাকড় ও নির্যাতনের নেপথ্যে থাকা অনেক কুশীলব এখন আইনের মুখোমুখিও হচ্ছেন। বলা হচ্ছে একারণে নাকি বর্তমানে ওইসব কুশীলবরা চরম আতঙ্কে ও কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছেন।

আসলে কি তা-ই?

এখন চারিদিকে তাকালে মনে হয় আসলেই কি তা? কেনোনা যখন দেখা যায় ১/১১ অনেক বেনিফিশিয়ারিরা খোদ বিএনপি আশে পাশে যখন বহাল তবিয়তে বিচরণ করে, গোপনে পুরস্কৃতও করা হয়। বর্তমানে খোদ বিএনপিতে ১/১১ কে কতো নেতা ঐসময়ে দেশত্যাগে ও দেশে থাকার মোক্ষম সুযোগ নিয়েছিলো তার হিসাব কষা হচ্ছে না কোনো? কোন কোন দেশপ্রেমিক (?)রাজনৈতিক দল সৎ মানুষের শাসন প্রতিষ্ঠার কথা বলে ১/১১’র প্রকৃত সুবিধাভুগি গোপন সমর্থন দিয়ে বিএনপিকে ওই কুশূলব সমর্থিত সরকারের সমর্থনে নির্বাচনে নিতে তোড়জোর করে নিজেরাই নিজেদের ফাঁদে পড়ে শেষ হয়েছিলো?

তা-ই বর্তমানে কাদের গ্রেফতার করে নতুন কোন গোপন ষড়যন্ত্র গোপন আসলেই রুখে দেওয়া হচ্ছে? না-কি জাতির চোখ কান মন অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হলো বা হচ্ছে? এসব নিয়ে রাজনীতিতে নানান ধরনের আলোচনা আছে। না-কি যাদের গোয়েন্দা জালে রাখার কথা বলা হচ্ছে তাদের অন্য ইস্যুতে নজরদারিতে রাখা হয়েছে? তা না হলে কেনো বিএনপি’কেই ক্ষমতায় এসেই এদের প্রতি নজরদারিতে যেতে হলো? কেনোনা ২০২৪ সালে ৫ আগস্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যাবার পর সারা প্রতিহিংসামূলক কর্মকান্ডের বিস্তার ঘটার ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়। তখন বিএনপির শীর্ষ পর্যায় থেকে পুরো দেশবাসীতে আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে দল ক্ষমতায় গেলে প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি করবে না। বিএনপি পক্ষ থেকে এমন বক্তব্যে রাজনীতিতে সহঅবস্থানের সুবাতাস বইতেছিল। কিন্তু গত কয়েকদিনে কি হতে কি হলো যে হঠাৎ করে বিএনপি ক্ষমতায় বসেই নিয়ে নিতে হলো এধরনের শ্বাসরুদ্ধকর পদক্ষেপ। এ-নিয়ে বাজারে অন্যরকম গুঞ্জন রয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার নিরবতার নেপথ্যে কি?

একটি মহলের মতে, ড. ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার কোনো ওই ১/১১ এর নায়ক বা সহযোগিদের হাতের কাছে পেয়েও পাকড়াও করলো না? কেনো এদের বিরুদ্ধে এসেই ফ্যাবিবাদিদের প্রকৃত দোসর হিসাবে স্ট্রাইকিং এ নামলো না? কেনো তারা ওই সময়টুকুতে বহাল তবিয়তে ছিল? আবার কাদের ভরসায় স্বচ্ছন্দে ঘুরে বেরিয়েছিলো? কারো চোখেই কি এদের অন্যরকম তৎপরতা চোখে পড়েনি? এই জন্যই কি একটি পরাজিত শক্তি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দিবাস্বপ্ন দেখার সাহস পেয়েছিল যে,‘ তারা ও উনারা মিলে ক্ষমতায় আসছেন? এদের কারণেই কি হঠাৎ করে ত্রয়োদশ নির্বাচনের আগে বাজারে শোনা যাচ্ছিল এবার বিএনপি’ও কি মাইনাস হচ্ছে? এদের ষড়যন্ত্রেরই কি আভাস দিয়ে-ই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ওই মন্তব্যটি করেছিলেন। সম্প্রতি জাতিকে আকস্মিকভাবে জানান যে, ২০২৪ সালের মার্চ মাসে ’ডিপ স্টেট’ বা অদৃশ্য ক্ষমতাধর চক্রের প্রভাবের বিষয়।

মাঠে নানা কর্মসূচি নিয়ে সন্দেহ বাড়ছে

সংসদ চলমান থাকতেও জুলাই সনদ অনুযায়ী সংস্কারের জন্য গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১৮ এপ্রিল থেকে আগামী ২ মে পর্যন্ত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। কর্মসূচির মধ্যে ছিল ১৮ এপ্রিল রাজধানী ঢাকায় গণমিছিল। ২৫ এপ্রিল ঢাকা বাদে অন্য বিভাগীয় শহরগুলোয় গণমিছিল। এ ছাড়া ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত বিভাগীয় শহর ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরে লিফলেট বিতরণ, সেমিনার আয়োজন। সামনে আছে ২ মে জেলা শহরে গণমিছিল। পুরো কর্মর্সচির দিকে তাকালে মতে হচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় বয়ে যাচ্ছে। ঠিক যেনো মনে হচ্ছে দেশে একটি ফ্যাসিবাসি শাসন কায়েম হয়ে গেছে। মাত্র দু’মাসের মাথায় সংসদ বসতে না বসতে ওয়াক আউটের হিড়িককে কেউ অনভিজ্ঞদের কর্মকান্ড মনে করলেও এর পেছনে নানান ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন অনেকে। জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, জ্বালানি ও সার সংকটের নিরসন, দখলদারি, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং ব্যাংক খাত ও সামগ্রিক দুর্ভোগ থেকে জনগণকে রক্ষার দাবিতে মাঠে নেমেই যখন দেখা যায় গোপনে কেউ কেউ সদ্য পতিত ফ্যাসিবাদের সাথে গোপন সাক্ষাতে যোগ দেয়। ‘আওয়ামী দোসর’ ও ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে তার বাসায় কেন একজন জুলাই যোদ্ধা গেলেন তার কোনো সদুত্তর মিলছে না এখনো। কারো কারো মতে, এমন পরিস্থিতিটি ঠিক ৮৬ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনা-জামায়াত হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বৈধতা দেওয়ার মতো কি-না? কেনোনা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমের বাসভবনে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের এমপি হাসনাত আবদুল্লাহর উপস্থিত হওয়ার ঘটনা তোলপাড়ের সে অঞ্চলে মধ্য দিয়ে আরেক দৃশ্য দেখা গেলো। ঠিক ওই ঘটনার কিছুটা আগে পরে চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয় প্রাঙ্গণে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীদের মানববন্ধনের ঘটনা অনেককে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে। এরপরেও গত ২৪ এপ্রিলে সে-ই চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের মিছিল হয়েছে। জানা গেছে, ওই একদিনেই চট্টগ্রাম নগরে এক দিনে তিন স্থানে মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ। তিনটি মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক পেজ থেকে এসব ভিডিও শেয়ার করা হয়।

আবার রাষ্ট্রপতি প্রসঙ্গ টেনে আনা হচ্ছে কেনো?

এদিকে গত ২৫ এপ্রিল শনিবার একটি অনুষ্ঠানে সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, এস আলম ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংক দখলের সময় জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি পরিচালক হিসেবে লুটের সহযোগী ছিলেন আজকের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। লুটেরার সহযোগী হিসেবে এখন থাকার কথা জেলে। অথচ আছেন বঙ্গভবনে। এ নিয়ে জাতি হিসেবে আমরা আত্ম মর্যাদাবোধ সম্পন্ন হতে পারি কিনা, মাথা উঁচু করে কথা বলতে পারি কিনা- সে প্রশ্ন রেখে গেলাম।’ প্রশ্ন হচ্ছে তিনি এখন আবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের প্রসঙ্গ টেনে এনে কা-কে উসকে দিতে চান? কেনো তিনি ওই প্রসঙ্গ টেনে আনেন না যখন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হামের টিকার ঘাতটি মোকাবেলা প্রস্তুতি না নেওয়ায় এবছরে শত শত শিশুকে প্রাণ হারাতে হলো? কেনো ২০২৪-২৫ সালে এমআর টিকার ঘাটতি, নিয়মিত টিকাদানের ব্যতয় ঘটলো? কেনো অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে (১৪ মাসে) দেশীয় ও বিদেশি মিলিয়ে ঋণের বোঝা ২ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে মোট ঋণের পরিমাণ ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪ কোটি টাকায় (সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত) দাঁড়িয়েছে? কেনো বাংলাদেশে গত বছর দেড় কোটির বেশি মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় বিষটি উপেক্ষিত ছিল। জানা যায় বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটে পড়া মানুষের দুই-তৃতীয়াংশই ছিল ১০টি দেশে। আর এর মধ্যে বাংলাদেশও কি করে স্থান পায়? কেনো বদিউল আলম মজুমদার এসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেন না? প্রশ্ন দেখা দিয়েছে নিভে যাওয়া রাষ্ট্রপতির ইস্যুতে সংস্কারপন্থীদের অন্যতম এই বিশিষ্ট ব্যক্তি কেনো হঠ্যাৎ করে এখন কেনো উত্তাপ দিচ্ছেন তা নিয়েও জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। 

তাহলে হচ্ছে কি?

সম্প্রতি ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ অভিযোগ করেছেন যে, সরকারের বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র চলছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে। ১৫ এপ্রিল সকালে রাজধানীর আশকোনায় হজ অফিসের সম্মেলন কক্ষে হজ টিমের সদস্যদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ক্ষমতায় বসার অল্পদিনের মধ্যে একজন প্রভাবশালি মন্ত্রী একথা বললেন। তিনি যখন এমন বক্তব্য দিয়েছেন তখন জাতীয় সংসদে বেশ কয়েকদফা ওয়াক আউট করেছে বর্তমানে সংসদে প্রধান বিরোধী দল জামায়াত-এনসিপি। তারা অন্যদিকে মাঠে জুলাই সনদ এবং গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করছে বলে বিএনপির কারো কারো অভিমত। তাদের মতে, অহেতুক বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে। তবে ক্ষমতায় বসে অনেকে ‘পাতলা’ বক্তব্য দিয়ে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানোর জুড়ি নেই। তাই ক্ষমতায় বসার একমাস না যেতে সরকারের একজন প্রভাবশালি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর মুখে আশঙ্কার কথা উড়িয়ে দেওয়া যুক্তিযুক্ত বলে কেউ মনে করেন না। যখন দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোয় হামলার আশঙ্কা নিয়ে সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারি করে পুলিশ সদর দপ্তর। নিষিদ্ধঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্যের সঙ্গে একটি বাহিনীর চাকরিচ্যুত দুই সদস্যের যোগাযোগের তথ্য পাওয়ার পর এই নির্দেশনা জারি করা হয়। এখন দেখা যাবে মন্ত্রী কেনো কোন প্রতিপ্রেক্ষিতে এমন আশঙ্কা কথা বলছেন? অন্যদিকে একমাসের মাথায় ১৭ বছর আগের কুশীলবদের পাকড়ায় হওয়ার পরপরই এই সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারি করা হলো কি-না? এধরনের বিষয়টি মন্ত্রীর ওই বক্তব্যের সাথে সম্পৃক্ত কি-না তা-ও সময় বলে দেবে।

শেয়ার করুন