০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ০৯:৫৯:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ক্যালিফোর্নিয়ায় ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাকে স্বীকৃতি দিতে বিল পাস মসজিদে তিন মুসলিম হত্যাকাণ্ড : লিন্ডসের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উল্টো পথে আসা গাড়ির ধাক্কায় বাংলাদেশি মা-মেয়ে নিহত আশ্রয়প্রার্থী শতাধিক অভিবাসীকে আফ্রিকার ৮ দেশে পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র ডাকা প্রাপকদের গ্রিনকার্ড প্রাপ্তিতে বাড়তে পারে জটিলতা নাগরিকত্ব প্রত্যাশীদের জন্য ‘নেইবারহুড ইনভেস্টিগেশন’ ৩৫ বছর পর আবার চালু করলো ইউএসসিআইএস নিউইয়র্কে একের পর এক অপরাধ টেক্সাসে স্কুল কারিকুলামে ইসলামকে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ নিউইয়র্কে এক মাসে ২,১৯৭ অভিবাসী আটক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্রুত সাক্ষাৎ প্রত্যাশা করছেন ট্রাম্প


হঠাৎ কেন এ ফোন, কুটনৈতিক মহলে আলোচনা
যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন ড. ইউনূসকে
দেশ অনলাইন
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৪-১২-২০২৪
যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন ড. ইউনূসকে



যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান ফোন করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে। ফোনালাপে তারা ধর্ম নির্বিশেষে সব মানুষের অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
স্থানীয় সময় সোমবার হোয়াইট হাউসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান আজকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে কথা বলেছেন। একটি চ্যালেঞ্জিং সময়ে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সুলিভান।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ধর্ম নির্বিশেষে সব মানুষের মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও তা সুরক্ষার ক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন উভয় নেতা। একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন জ্যাক সুলিভান। বাংলাদেশ যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে, সেগুলো মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থনের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।’

এদিকে কুটনৈতিক মহলে, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টার প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হঠাৎ ফোন করা প্রসঙ্গে আলোচনা অব্যহত। কারন দক্ষিনপূর্ব এশিয়ায় রাজনৈতিক নানা সমীকরন বিদ্যমান। বিশেষ করে মায়ানমার ইস্যু এখন বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। মায়ানমারের জান্তার বিরুদ্ধে আরকান আরমির যে লড়াই, তাতে ফ্রন্টফুটে আরাকানিরা। একের পর এক মায়ানমার জান্তাকে পেছনে সরিয়ে নিজেদের কতৃত্ব স্থাপন চালিয়ে যাচ্ছে আরকানিরা। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বিশাল এক সীমান্ত জুড়ে মায়ানমারের অবস্থান। ওপারে মানায়ানমারে অভ্যন্তরীন সশস্ত্র লড়াইয়ে বাংলাদেশ সদা সতর্ক।

ফলে এ অঞ্চলে বাংলাদেশেরও যথেস্ট গুরুত্ব বিদ্যমান।

শেয়ার করুন