১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০২:২৬:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


নির্বাচন ও নির্বাচনোত্তর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার ব্যাপারে উৎকণ্ঠা প্রকাশ
দেশ ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৭-১২-২০২৩
নির্বাচন ও নির্বাচনোত্তর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার ব্যাপারে উৎকণ্ঠা প্রকাশ


গত ২৩ ডিসেম্বর শনিবার রাতে নিউইয়র্ক শহরের ফ্লোরাল পার্কের ফ্লেভার অব ইন্ডিয়া রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের এক সভায় বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচনের পূর্বাপর সময়ে অতীতের মতো সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। সংগঠনের অন্যতম সভাপতি রণবীর বড়ুয়ার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ডক্টর দ্বিজেন ভট্টাচার্যের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তব্য দেন শিতাংশু গুহ, প্রদীপ মালাকার, অসীম সাহা, চন্দন সেনগুপ্ত, বিষ্ণু গোপ, রিণা সাহা, পরেশ সাহা, রণজিৎ ভাদুড়ী, দিলীপ চক্রবর্তী, সুশিল সিনহা, সুকান্ত দাস টুটুল, হরিগোপাল বর্মণ প্রমুখ। 

বক্তারা বলেন, ইতিমধ্যে বরিশাল, নেত্রকোনা ও অন্যান্য স্থানে সংখ্যালঘু প্রার্থী ও সমর্থকদের ওপর হামলা, বাড়িঘর আক্রমণের খবর মিডিয়ায় আসছে, যা উৎকণ্ঠার কারণ। নির্যাতনের এই ধারা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে এবং নির্বাচনের পরও অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তাই কেন্দ্রীয় ঐক্য পরিষদ নির্বাচনের পরেও তিন সপ্তাহ সেনাবাহিনী মাঠে রাখার যে অনুরোধ জানিয়েছে এর প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে জোর সমর্থন জানানো হয়। বক্তারা বলেন, অতীতে বারবার নির্বাচনের আগে-পরে সংখ্যালঘুর ওপর নির্যাতন হয়েছে, কিন্তু আজ পর্যন্ত একটিরও বিচার হয়নি, যার ফলে সাম্প্রদায়িক শক্তি নির্ভয়ে সংখ্যালঘু নির্যাতন করে। বক্তারা দুঃখের সঙ্গে বলেন যে, ২০১৮ সালের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন ও সংখ্যালঘু কমিশন বিলটি পাস হলে সংখ্যালঘু নির্যাতকরা সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় লিপ্ত হতে সাহস পেতো না এবং আওয়ামী দলীয় জোট সরকার বিলটি পাস করেনি বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা এ ব্যাপারে দৃঢ় মতপ্রকাশ করেন যে, সংখ্যালঘু নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত কোনো প্রার্থীকে সংখ্যালঘু নাগরিকদের ভোট দেওয়া উচিত হবে না। 

সভায় হিজলায় পঙ্কজ দেবনাথের নির্বাচনী অফিস ভেঙে ফেলা ও তার সমর্থকের মারধরের সংবাদটি বিশেষ গুরুত্ব পায়; তাছাড়া বরিশাল, নেত্রকোনা ও মুন্সীগঞ্জে সংখ্যালঘুবিরোধী বক্তব্যের নিন্দা জানানো হয়। সভার পক্ষ থেকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় অগ্রিম ব্যবস্থা গ্রহণ করতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সেনাবাহিনী প্রধান, বিজিবিপ্রধান, র‌্যাবপ্রধান ও পুলিশের আইজিকে সনির্বন্ধ অনুরোধ জানানো হয়। বক্তারা অভিমত প্রকাশ করেন যে, পঙ্কজ দেবনাথ ও অন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হলে সংসদ অধিকতর গণতান্ত্রিক হবে, বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে এবং তা দেশের জন্যে মঙ্গলময় হবে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সংখ্যালঘু প্রার্থীদের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্যে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সভা শেষ হয়। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

শেয়ার করুন