০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাসসের নবনিযুক্ত এমডি ও প্রধান সম্পাদককে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবর্ধনা বাসস'র এমডি ও প্রধান সম্পাদক পদে নিয়োগ পেলেন কাদের গনি চৌধুরী কপ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল-তিব্বতে বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৩৯২, নিখোঁজ প্রায় ১,৪০০ আফগান-আমেরিকান হিসেবে প্রথমবার মার্কিন কংগ্রেসে আইশা ওয়াহাব আমেরিকানদের গৃহস্থালি ঋণ ১৮.৮ ট্রিলিয়ন, ক্রেডিট কার্ড ১.২৬ ট্রিলিয়ন ওহাইওতে মসজিদে সাত বছরে তৃতীয় হামলা জনপ্রিয় হচ্ছে তিন বছরের কলেজ ডিগ্রি, তবে আছে বিতর্ক মুসলিম নারীকর্মীর বৈষম্যের অভিযোগে ওক পার্ক সিটির বিরুদ্ধে মামলা সশস্ত্র ডাকাতের গুলিতে বাংলাদেশি মহসিন রানা নিহত


যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন
বাংলাদেশে অনলাইনে জঙ্গিগোষ্ঠীর তৎপরতা বেড়েছে
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০১-০৩-২০২৩
বাংলাদেশে অনলাইনে জঙ্গিগোষ্ঠীর তৎপরতা বেড়েছে


বাংলাদেশে আবারো জঙ্গী তৎপরতার সংবাদ। আর এই সংবাদ প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তারা জানিয়েছে, বাংলাদেশে বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠী নতুন সদস্য ও তহবিল সংগ্রহে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তৎপরতা বাড়িয়েছে। সন্ত্রাসবাদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক প্রতিবেদন ‘কান্ট্রি রিপোর্টস অন টেররিজম-২০২১’-এর বাংলাদেশ অংশে এসব কথা বলা হয়েছে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সোমবার এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

মার্কিন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশিক্ষণ পাওয়া বাংলাদেশ পুলিশের একটি ইউনিট সন্দেহভাজন জঙ্গিদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে কিছু কিছু হামলা প্রতিরোধ করেছে। তবে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়ে গেছে।

সন্ত্রাসবাদ দমনে মেট্রোপলিটন পুলিশের সাইবার ইউনিট, পুলিশের স্পেশাল উইপনস অ্যান্ড ট্যাকটিকস (সোয়াত) ইউনিট ও বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটকে প্রশিক্ষণ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এদের বাইরে বাংলাদেশের সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের (এটিটি) বিচারক ও কৌঁসুলিদেরও প্রশিক্ষণ দেয় তারা। আদালতে নথিপত্র ব্যবস্থাপনা, তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা, সন্ত্রাসীদের বিচার করা ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নবিষয়ক মামলা পরিচালনার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণে আদালত কক্ষের নিরাপত্তা বাড়ানোর বিষয়ও থাকে। বাংলাদেশের পুলিশ ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা সন্ত্রাস দমনে সম্পদ ও জনবলের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে আরও প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, জল ও স্থল সীমান্তে টহল দেওয়ার মতো সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে। এ ছাড়া বিমানবন্দরে যাত্রী ও পণ্যবাহী উড়োজাহাজে স্ক্রিনিং করার ক্ষেত্রে উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। এ জন্য দেশটি বিমানবন্দরে আধুনিক যন্ত্রপাতি বসিয়েছে, নজরদারি পদ্ধতি শক্তিশালী করেছে এবং বিমানবন্দরের কর্মীর সংখ্যা বাড়িয়েছে।

বাংলাদেশে এখনো এয়ারলাইনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ততটা শক্তিশালী নয়। তবে বাংলাদেশে সবার জন্য ই-পাসপোর্ট দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে এবং পুলিশের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারপোলের সঙ্গে তথ্য ভাগাভাগি করছে।

শেয়ার করুন