০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ০৫:৩০:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মক্কা চুক্তি, প্রয়োজন সুচিন্তিত ঝুঁকি বিশ্লেষণ ও জাতীয় ঐক্য দীর্ঘ ৮ বছর পর সিলেটে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার স্টেট ডিপার্টমেন্টের বাংলাদেশেও এখন রোবোটিক সার্জারি অভ্যন্তরীন না ভূ-রাজনৈতিক, কোন কারণে সরকারে অস্বস্তি! বাসসের নবনিযুক্ত এমডি ও প্রধান সম্পাদককে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবর্ধনা বাসস'র এমডি ও প্রধান সম্পাদক পদে নিয়োগ পেলেন কাদের গনি চৌধুরী কপ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল-তিব্বতে বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৩৯২, নিখোঁজ প্রায় ১,৪০০ আফগান-আমেরিকান হিসেবে প্রথমবার মার্কিন কংগ্রেসে আইশা ওয়াহাব


ক্যানসার কেড়ে নিলো মামুনের জীবন
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৮-০৫-২০২৬
ক্যানসার কেড়ে নিলো মামুনের জীবন মামুনুর রশীদ


যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী মামুনুর রশিদ (মামুন) আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই শেষে গত ২৪ মে নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডের একটি স্থানীয় হাসপাতালে মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। 

জানা গেছে, সিলেটের বিয়ানীবাজারের সন্তান মামুনুর রশীদ বাংলাদেশি অধ্যুষিত ওজন পার্কের বাসিন্দা। তিনি স্বপ্ন নিয়ে ২০১৭ সালে সীমান্ত পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। অনিশ্চয়তা, ভয়, কাগজপত্রহীন জীবন-সবকিছুর মধ্য দিয়েই শুরু হয় তার আমেরিকার অধ্যায়। দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং অপেক্ষার পর অবশেষে প্রায় তিন বছর আগে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয় লাভ করেন। জীবনের নতুন এক স্থিতি খুঁজে পাওয়ার স্বপ্ন তখন ধীরে ধীরে বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছিল। কিন্তু ভাগ্য যেন অন্য কিছু লিখে রেখেছিল। 

প্রায় ১৫ মাস আগে তার শরীরে ধরা পড়ে ইউরিন ব্লাডার ক্যানসার। এরপর শুরু হয় হাসপাতাল, চিকিৎসা, কেমোথেরাপি আর শারীরিক-মানসিক যন্ত্রণার এক দীর্ঘ অধ্যায়। তবুও শেষ পর্যন্ত হার মানেননি তিনি। নীরবে লড়াই করে গেছেন মৃত্যুর সঙ্গে। 

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন মামুন। অবিবাহিত হলেও পরিবারের অভিভাবকের ভূমিকায় ছিলেন তিনি। প্রবাসের কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও নিজের পরিবারকে আগলে রাখার চেষ্টা করেছেন শেষ দিন পর্যন্ত। স্বজনদের ভাষ্য, জীবনের প্রতিটি ধাপে সংগ্রাম ছিল তার সঙ্গী। তবুও তিনি ছিলেন শান্ত, ভদ্র এবং দায়িত্বশীল একজন মানুষ। 

 তার মৃত্যুতে নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে তার জীবনের সংগ্রাম, ধৈর্য এবং প্রবাসজীবনের কঠিন বাস্তবতার কথা স্মরণ করে গভীর শোক প্রকাশ করছেন। 

শেয়ার করুন