১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০৫:১৯:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


আমেরিকার নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনলেন ট্রাম্প
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০২-০৪-২০২৫
আমেরিকার নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনলেন ট্রাম্প ডোনাল্ড ট্রাম্প


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নতুন নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। সেই আদেশনামা মোতাবেক, এবার আমেরিকায় ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত করতে হলে দিতে হবে নাগরিকত্বের প্রমাণ। আদেশনামায় বলা হয়েছে, এবার থেকে নির্বাচনের দিনই সবাইকে ভোট দিতে হবে। অন্যান্য মার্কিন প্রদেশের উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে, এসব প্রদেশে নির্বাচনের পরেও ব্যালট গ্রহণ করা হয়। যা এবার থেকে আর করা যাবে না। পাশাপাশি ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত করতে হলে দিতেই হবে নাগরিকত্বের প্রমাণ। এই প্রসঙ্গে দেয়া হয়েছে ভারত ও ব্রাজিলের উদাহরণ। বলা হয়েছে, ভারত এবং ব্রাজিল ভোটার চিহ্নিতকরণকে এক বায়োমেট্রিক ডাটাবেসের সঙ্গে সংযুক্ত করছে। যেখানে আমেরিকা মূলত নাগরিকত্বের জন্য স্বপ্রত্যায়িত ঘোষণার ওপরই নির্ভর করে।

যুক্তরাষ্ট্র এখনো উন্নয়নশীল দেশগুলোর মতো মৌলিক এবং প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সুরক্ষা প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছে। যে প্রদেশ ট্রাম্পের এই নির্দেশনামা মেনে চলবে না, সেই প্রদেশে ফেডারেল তহবিল পৌঁছাবে না। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং দাবি করে যাচ্ছেন যে, ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের (সাবেক) কাছে তার ২০২০ সালের পরাজয় আসলে ব্যাপক জালিয়াতির ফল। প্রেসিডেন্ট এবং তার রিপাবলিকান মিত্ররাও অনাগরিকদের ব্যাপক ভোটদান সম্পর্কে ভিত্তিহীন দাবি করেছেন। গত বছর রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস একটি বিল অনুমোদন করেছে যা অনাগরিকদের ফেডারেল নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য নাম নিবন্ধন করা থেকে বিরত রাখবে, এটি এমন একটি অনুশীলন যা ইতিমধ্যেই অবৈধ। এটি সিনেট পাস করেনি, যা তখন ডেমোক্রেটদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল। ২৫ মার্চ হোয়াইট হাউসে আদেশে স্বাক্ষর করার সময় ট্রাম্প বলেছেন, আমাদের নির্বাচনগুলো স্বচ্ছ করতে হবে। ভুয়া এবং খারাপ নির্বাচনের ফল ভোগ করেছে দেশটি, আমরা এটিকে এক বা একাধিক উপায়ে সঠিক করতে যাচ্ছি।

এই আদেশ আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। হোয়াইট হাউস যুক্তি দিয়েছিল যে, ট্রাম্পের আদেশ বিদেশি নাগরিকদের মার্কিন নির্বাচনে হস্তÍক্ষেপ করতে বাধা দেবে। নতুন নির্দেশের অধীনে, ভোটারদের প্রথমবারের মতো ফেডারেল ভোটিং ফরমে নাগরিকত্ব সম্পর্কে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হবে। ট্রাম্পের আদেশ মোতাবেক হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারিকে নিশ্চিত করতে হবে যে, রাজ্যগুলো এমন সিস্টেমে অ্যাক্সেস পাবে যা ভোট দেয়ার জন্য নিবন্ধিত ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব বা অভিবাসন স্থিতি যাচাই করে। 

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এবং ইলন মাস্ক পরিচালিত সরকারি দক্ষতা বিভাগের একজন প্রশাসককে রাজ্যের ভোটার নিবন্ধন তালিকা পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটি ২৫ মার্চ বলেছে যে, তারা কীভাবে তাদের ভোটার নিবন্ধন তালিকা বজায় রাখে তা পরীক্ষা করার জন্য ৪৮টি রাজ্য এবং ওয়াশিংটন, ডিসি থেকে পাবলিক রেকর্ড চাওয়া হয়েছে

রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির চেয়ারম্যান মাইকেল হোয়াটলি একটি বিবৃতিতে বলেছেন, ভোটারদের জানার অধিকার রয়েছে যে, তাদের রাজ্যগুলো সঠিকভাবে ভোটার তালিকা রক্ষণাবেক্ষণ করছে এবং অযোগ্য ভোটারদের সরিয়ে ভোটার নিবন্ধন তালিকা পরিষ্কার করার জন্য দ্রুত কাজ করছে।

শেয়ার করুন