১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ১১:০৬:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভায় নেতৃবৃন্দ : জিয়াই স্বাধীনতার ঘোষক
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০১-০৪-২০২২
জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভায় নেতৃবৃন্দ : জিয়াই স্বাধীনতার ঘোষক জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভায় মঞ্চে নেতৃবৃন্দ


শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহাম জীবনবাজি রেখে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। আর আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। আর শেখ মজিবুর রহমান সমঝোতা করে পাকিস্তানে চলে গিয়েছিলেন। গত ২৭ মার্চ জাতীয়তাবাদী ফোরাম আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তারা এ সব কথা বলেন।

জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম এম হায়দার মুকুটের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত জাতীয়তাবাদী ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রাফেল তালুকদার, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী ফোরামের সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সরওয়ার খান বাবু, জাতীয়তাবাদী ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা একেএম রফিকুল ইসলাম ডালিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াহেদ আলী মন্ডল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মশিউর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক মহিলাবিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, সৈয়দ খান, মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা মার্শাল মুরাদ এবং অনুষ্ঠানের সদস্য সচিব সাদমান সুমন সর্দার।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোফাজ্জল আলী হায়দার, মোহাম্মদ আলী, একেএম আব্দুর রশিদ, মোয়াজ্জেম হোসেন কাজল, ফেরদৌসী আক্তার স্মৃতি, আশরাফুজ্জামান প্রমুখ।


অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। তিনি পাকিস্তানিদের সাথে সমঝোতা করে পাকিস্তান চলে গিয়েছিলেন। আর আওয়ামী লীগের নেতারা পালিয়ে গিয়েছিলেন ভারতে। আর জীবনবাজি রেখে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তারা বলেন, অবৈধ শেখ হাসিনা সরকার এখন বাংলাদেশের ইতিহাস পরিবর্তন করছেন। ক্ষমতার জোরে আইন করে এসব করা হচ্ছে। তারা আরো বলেন, জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশ হতো না। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়া কোনোদিন ক্ষমতার লোভ করেননি। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে আবার ব্যারাকে ফিরে গিয়েছিলেন। আর স্বাধীন বাংলাদেশে গণতন্ত্র হত্যা করে বাকশাল কায়েম করলে সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে তিনি ক্ষমতায় এসেছিলেন। ক্ষমতায় এসে আবারো বাংলাদেশের মানুষকে বহুদলীয় গণতন্ত্র উপহার দিয়েছিলেন। তার বহুদলীয় গণতন্ত্রের কারণে এবং জিয়াউর রহমানের বদান্যতায় শেখ হাসিনা বাংলাদেশে এসেছিলেন। আজকে শেখ হাসিনা জিয়াউর রহমান এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে। তারা আরো বলেন, এবারের স্বাধীনতা দিবসে আমাদের শপথ হোক স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতন ঘটিয়ে বাংলাদেশকে রক্ষা। বেগম খালেদা জিয়াকে জেল মুক্ত করা এবং তারেক রহমানকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার।


অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলওয়াত করেন মওলানা আব্দুল কামাল আজাদ। কোরআন তেলওয়াত শেষে তিনি বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন।


শেয়ার করুন