১৯ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, ০১:৩২:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


এর মধ্যে কিছু অনুদান কিছু সুদমুক্ত ঋণ
চীন বাংলাদেশকে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে সম্মত হয়েছে- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
দেশ অনলাইন
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৪-০৭-২০২৪
চীন বাংলাদেশকে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে সম্মত হয়েছে- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীন সফর উপলক্ষ্যে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে, চীন সফরে বাংলাদেশ কিছুই পায়নি কোন কোন মহলের এমন সমালোচনা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ কী পেল তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেন।


তিনি বলেন, বেইজিংয়ে অবস্থানকালে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও চীন শক্তিশালী উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার দিকে নজর দিয়ে  বুধবার সকালে প্রতিনিধি পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর উভয় দেশ ২১টি সহযোগিতার নথিতে স্বাক্ষর করে এবং নবায়ন করেছে, যার বেশিরভাগই এমওইউ। পাশাপাশি সাতটি প্রকল্পেরও ঘোষণা দেয়।
তিনি বলেন, শি জিনপিংয়ের সাথে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে চীন বাংলাদেশকে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে সম্মত হয়েছে। এর মধ্যে কিছু থাকবে অনুদান। কিছু হবে সুদমুক্ত ঋণ।



এর বাইরে নবম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণেও তারা সম্মত হয়েছে বলেও জানান এবং এগুলো কি কিছুই নয়? সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, দেশের ও দেশের মানুষের প্রতি এতটুকু দায়িত্ববোধ থাকলে এত কাজ করার পরেও কিছু দেখে না। চোখ থাকতে কেউ যদি অন্ধ হয় আর কান থাকতে বধির হয় তাহলে আমার কিছু বলার নেই। মুখ আছে বলে যাক। শুনতে শুনতে আমি অভ্যস্ত হয়ে গেছি। এগুলো এক ধরনের মানসিক দৈন্যতা বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সমস্যা থাকায় তিনি তিস্তা প্রকল্প শেষ করতে ভারতকেই পছন্দ করেন।


তিনি বলেন, “তিস্তা প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর তারা (ভারত) আমাদের যা প্রয়োজন তা দেবে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চীন ও ভারত উভয় দেশই তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছে এবং তারা আলাদাভাবে সম্ভাব্যতা যাচাই করবে। তাদের সম্ভাব্যতা যাচাইযের পর আমরা সেই প্রস্তাবের জন্য যাব যা আমাদের জন্য উপযুক্ত হবে। তথ্যসুত্র: বাসস।

 

শেয়ার করুন