১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০৬:৩৬:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


আলনূর মসজিদের প্রবেশ পথে শূকরের মাংস
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০-০৩-২০২৪
আলনূর মসজিদের প্রবেশ পথে শূকরের মাংস


কানেকটিকাটের ব্রিজপোর্টে মসজিদ আন নূরের প্রবেশদ্বারে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তি গত ১৬ মার্চ এক ব্যাগ শূকরের মাংস রেখে যায়। মসজিদের ক্যামেরার নজরদারি ফুটেজে দেখা যায়, ওই ব্যক্তি দরজার ভেতরের প্রবেশদ্বারে একটি কালো ব্যাগ রেখে যাচ্ছেন। নামাজে আসা মুসল্লিরা ব্যাগটিতে শূকরের মাংস দেখতে পান। মুসলমানদের শূকরের মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ তাই এই কাজটি দৃশ্যত মুসলিম সম্প্রদায়কে অসন্তুষ্ট এবং ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এই ঘটনা স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। মুসলমানদের পবিত্র রমজান মাসে এই ঘৃণার ঘটনাটি ব্রিজপোর্টের মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছেন। তারা এই ঘটনাকে হেট ক্রাইম অভিহিত করে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের কানেকটিকাট চ্যাপ্টার মসজিদ আন নূরের প্রবেশদ্বারে রেখে যাওয়া শূকরের মাংসের ব্যাগটি তদন্ত করার জন্য স্টেট এবং ফেডারেল আইনপ্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছে। কেয়ার কানেকটিকাটের চেয়ারম্যান ফারহান মেমন বলেন, মসজিদে শূকরের মাংসের ব্যাগ রেখে যাওয়া, বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে, ঘৃণা, অসম্মান এবং ভয় দেখানোর মত নির্লজ্জ কাজ। এটি শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর একটি লক্ষ্যবস্তু হামলা এবং আমাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানগুলোকে ব্যাহত করার চেষ্টা। কেয়ার কানেকটিকাট স্টেট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে এই ঘটনাটিকে ঘৃণামূলক অপরাধ হিসেবে তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছে এবং দোষী ব্যক্তিকে বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে। তিনি বলেন, কেয়ার মসজিদ আন নূর এবং ব্রিজপোর্ট এবং কানেকটিকাটের সমগ্র মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছে। তিনি বলেন, আমরা এই ঘৃণার কাজ দ্বারা ভয় পাব না। আমরা সব মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই অপরাধ রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই। কেয়ার কানেকটিকাট মুসলিম সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা এবং মসজিদের কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

শেয়ার করুন