১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ১১:০১:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


পিটার হাসের অনুপুস্থিতি নিয়ে রহস্য!
কলম্বো না ওয়াশিংটনে গেছেন পিটার হাস
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৬-১১-২০২৩
কলম্বো না ওয়াশিংটনে গেছেন পিটার হাস


ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বাংলাদেশের আলোচিত একজন রাষ্ট্রদূত। আমেরিকার প্রত্যাশানুসারে বাংলাদেশে একটি অবাধ,সুষ্ট ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের দাবী নিয়ে দীর্ঘদিন প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। এরপরও ক্ষমতাসীন সরকার কর্তৃক সেটা আমলে না নিয়ে তফসিল ঘোষনার পরের দিন এ রাষ্ট্রদূত ঢাকা ত্যাগ করেছেন। কেন, কোথায় গেছেন তিনি এটা নিয়ে জল্পনা কল্পনা দেশজুড়ে। কেউ বলছেন বৃহস্পতিবার তিনি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে শ্রীলঙ্কার ফ্লাইট ধরে কলম্বো গেছেন।

কেউ জানাচ্ছেন তিনি ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে বিমানযোগে ঢাকা ত্যাগ করে গেছেন। কিন্তু কোনটা সত্য সেটা কর্নফার্ম হওয়ার সুযোগ নেই। তবে বিস্মিত হওয়ার বিষয় পিটার হাসের বাংলাদেশে থাকা না থাকাটা এক ধরনের জয় পরাজয়ের ইঙ্গিত বহন করছে। পিটার হাসের ঢাকা ত্যাগ করাটাকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পজেটিভ ভাবে দেখছেন। কিন্তু তিনি যদি কোনো পূর্বনির্ধারিত কোনো প্রগ্রামে কোনো দেশে যেয়ে থাকেন, সেটা কী তিনি যেতে পারেন না?

একজন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এভাবে গোপনে দেশ ছেড়ে,দ্বায়িত্ব ছেড়ে চলে যাবেন এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। কোনো রাষ্ট্রদূত চলে যাওয়ার সময় কিছু আনুষ্ঠানিকতা দেখান। সেটা পিটার হাস করেননি। তাছাড়া পিটার হাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তিনি নিজ থেকে একটা অক্ষর তিনি করেছেন, এটা ভাববার সুযোগ নেই। ফলে এখানে ব্যাক্তি পিটার হাস কোনো ব্যাপার নয়, যুক্তরাষ্ট্রের নীতির বিষয়। তবে পিটার হাস কী আসলেই চলে গেছেন না ফিরবেন সেটা কিন্তু খুব শীগ্রই পরিস্কার হবে নিঃসন্দেহে। এর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের হেরে যাওয়া বা জিতে যাওয়ার কোনো সম্পর্ক্য নেই। কারন যুক্তরাষ্ট্র বার বার বলে যাচ্ছে- তারা কোনো দলের পক্ষে নয়, বাংলাদেশের সাধারন মানুষের পক্ষে। বাংলাদেশের গনতন্ত্রের পক্ষে।

এদিকে পিটার হাস প্রসঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ও রহস্যজনক নীরবতা দেখাচ্ছেন।  আজ পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের একজন মুখপাত্র সাংবাদিকদের বলেন, পিটার হাস কোথায় গেছেন সেটা মন্ত্রনালয় জানে। কিন্তু এটা প্রকাশ করবে না। এ ব্যাপারে তিনি দুতাবাসে খবর নেয়ার পরামর্শ দেন। যদিও নিয়মানুসারে একজন রাষ্ট্রদূত তার স্থান ত্যাগের আগে সরকারকে অবহিত করার নিয়ম।

উল্লেখ্য, পিটারহাসের তুমুল ব্যস্ততার পাশাপাশি তাকে অন্তত তিনজন হুমকি দিয়েছেন। এরপর মধ্যে একজনের বক্তব্য হত্যা হুমকি বলে অভিহিত করেছে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের কিছু মিডিয়া। তবে তার ওই তিন জনের দেয়া বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে তার বিরুদ্ধে কথা বলতে কথা বলতে শোনা গেছে।   

শেয়ার করুন