১৯ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, ০৩:৪৬:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


পিটার হাসের নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১১-১০-২০২৩
পিটার হাসের নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে পিটার হাস - ফাইল ছবি


সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত পিটার হাস ও তার দূতাবাস সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রদফতরের মুখপাত্রও বক্তব্য দিয়েছেন। বিষয়টা বেশ সমালোচিত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর দেশে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল পিটার হাসের নিরাপত্তাজনিত বিষয়ে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমি এবং আমার উপদেষ্টার সামনে আমেরিকায় বাংলাদেশের যে অ্যাম্বাসেডর আছেন তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তাদের কি ধরনের নিরাপত্তা দেয়া হয়। তিনি বলেছেন, ব্যক্তিগতভাবে কোনো নিরাপত্তার দেয়া হয় না। শুধু অ্যাম্বাসিতে আমেরিকা কিছু নিরাপত্তা দেয়।

তখন পরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, আমেরিকার ঢাকাস্থ অ্যাম্বাসিতে নিরাপত্তার জন্য ১৫৮ জন পুলিশ মোতায়ন করা আছে। অ্যাম্বাসেডরের জন্য একজন সিভিল ড্রেসে গ্যানম্যান নিয়োগ করা আছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের নিরাপত্তার তেমন ঘাটতি নেই। হলি আর্টিজান হামলার পর কিছু দেশ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত ছিল, তখন তাদের জন্য আলাদা করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। এখন সে রকম কোনো হুমকি নেই। এছাড়া দেশের জন্য সারাদেশে পুলিশ দরকার, তাই অতিরিক্ত নিরাপত্তা সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তাছাড়া এক দেশকে এসব সুযোগ সুবিধা দেয়া হলে অন্য দেশগুলোও বলে আমাদেরও প্রয়োজন। তখন একটা সমস্যা তৈরি হয়। তাছাড়া তাদের নিজস্ব নিরাপত্তার লোকজন তাদের অ্যাম্বাসীর ভেতরে রয়েছে। কাজেই এটা নিয়ে বার বার প্রশ্ন হচ্ছে। কিন্তু এর কোনো অর্থ নেই। আমার অ্যাম্বাসেডর কিন্তু কোনো নিরাপত্তা পায় না। তিনি আরও বলেন, আমেরিকায় তো প্রতিদিনিই গুলি হয়। খাবারের দোকানে গুলি, স্কুলে গুলি, বাড়ির ভিতরে যেয়ে গুলি করা হয়। আমরা তো এমনিতেই শঙ্কায় থাকি আমাদের দেশের মানুষ নিয়ে। কারণ কতজন বাঙ্গালীও তো মারা গেছে। এক মহিলা রাস্তা দিয়ে হাঁটছিল, তাকে ছুড়ি দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। আমাদের একজন মুক্তিযোদ্ধা মসজিদ থেকে নামাজ পরে বের হয়েছে, তাকেও মেরে ফেলা হলো। আওয়ামী লীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট নজরুলকে মারলো।

 শিশুদের মারছে, বাচ্চাদের মারছে। যত্রতত্র গোলাগুলি হচ্ছে। তাদের নিজেদের দেশে তো তাদের নিজেদের সামাল দেয়া উচিৎ আগে। ওইখানেই নিরাপত্তা সমস্যা, আমাদের দেশে তো ওই সমস্যা নেই। আমরা সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদকে জিরো টলারেন্স দিয়েছি। সে থেকে আমরা এ কয়বছর তো ধরে রাখতে পেরেছি। এবং আমাদের আইনশৃংখলাবাহিনীর তারা তো যথেষ্ট ভাল কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একদিকে আমার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্যাংশন দিবে আবার তাদের কাছে নিরাপত্তা চাইবে এটা আবার কেমন কথা।  উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেয়ার করুন