১৬ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ৬:৫০:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইমাম নিহতের ঘটনায় টার্নারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন ম্যানহাটনে মুসলিম মহিলাকে ছুরিকাঘাত, আলবার্টকে ১১ বছরের কারাদণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে নারী নিহত, প্রতিবাদে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ট্রাম্পের কড়াকড়িতে অভিবাসী শ্রমিক কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শ্রমিকদের বেকারত্ব বেড়েছে ওয়াশিংটনের ন‍্যাশনাল প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে সভা মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম বদলাতে মরিয়া ট্রাম্প জামায়াতের সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক নিয়ে নানা গুঞ্জন এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি বাংলাদেশ গাজার জন্য ট্রাম্প প্রস্তাবিত বাহিনীতে থাকতে চায় বাংলাদেশের সঙ্গেও ক্রিকেটে ভারতীদের ভূ-রাজনীতি


নিবন্ধন পেল জোনায়েদ সাকির গণসংহতি আন্দোলন
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৮-০৯-২০২৪
নিবন্ধন পেল জোনায়েদ সাকির গণসংহতি আন্দোলন নিবন্ধন গ্রহণ করছেন জোনায়েদ সাকি


গণসংহতি আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধিত পেয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনের সচিব শফিউল আজম গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল-এর কাছে নিবন্ধনের সনদ তুলে দেন। 

উল্লেখ যে, গণসংহতি আন্দোলনকে নিবন্ধন দেয়ার জন্য হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন যে আপিল করেছিল সেটা কমিশন প্রত্যাহার করায় হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়নে এবং সেই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে দলটিকে নিবন্ধন প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নিয়ম অনুযায়ী ইতিমধ্যে সংবাদ মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তিও দিয়েছে কমিশন। এ বিষয়ে কোন আপত্তি উত্থাপিত না হওয়ায় নির্বাচন কমিশন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ এর (চ্যাপ্টার ৬এ) বিধান বলে গণসংহতি আন্দোলনকে নিবন্ধিত করেন; যার প্রতীক ‘মাথাল’ এবং নিবন্ধন নং-৫৩।

এ সময় জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘বিদ্যমান রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইন ও বিধিমালা নতুন রাজনৈতিক দল গড়ে তোলার অধিকার ক্ষুণ্ণ করছে।’ এ ধরনের নিবর্তনমূলক আইন ও বিধামালা বাতিল করে রাজনৈতিক দল গঠনের জন্য সহজ ও প্রতীক অবারিত করার আহ্বান জানান তিনি। নির্বাহ সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার এই নিবন্ধন আইন কে রাজনীতির নিয়ন্ত্রণের কাজে লাগিয়েছে। গণসংহতি আন্দোলনকে নিবন্ধন না দিয়ে তার বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করেছে। সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে আদালতকে প্রভাবিত করে এই নিবন্ধন বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের ফলেই গণসংহতি আন্দোলনের নিবন্ধনের পথ খুলে যায়।’

আইনি প্রক্রিয়ায় সহায়তার জন্য গণসংহতি আন্দোলন নেতৃবৃন্দ ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ও তার আইনজীবী দলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য তাসলিমা আখতার, দেওয়ান আব্দুর রশিদ নীলু, হাসান মারুফ রুমি, মনির উদ্দিন পাপ্পু, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভুইয়া, জুলহাসনাইন বাবু, দীপক রায়সহ নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন