১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০৫:৩৬:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


নিউইয়র্কে ডেমোক্রেটদের পরাজয়ের কারণ মেয়র এরিক অ্যাডামস
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৪-১১-২০২২
নিউইয়র্কে ডেমোক্রেটদের পরাজয়ের কারণ মেয়র এরিক অ্যাডামস এরিক অ্যাডামস


নিউইয়র্ক ডেমোক্রেটরা নিউইয়র্কে খারাপ রেজাল্টের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে অংশ নেননি এমন একজন ডেমোক্রেট নেতা মেয়র এরিক অ্যাডামসকে দায়ী করেন। এক ডেমোক্রেটিক কৌশলী লিখেছেন, মি. অ্যাডামস তার দলের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তিনি রিপাবলিকানদের অপরাধের বর্ণনাকে আরো বড় করে দেখিয়েছেন। ওয়ার্কিং পরিবাররা তাকে ভীতি সঞ্চালনকারী কৌশল নিয়েছে বলে দোষারোপ করেছেন। আর বলেছেন, এতে করে উপশহরে বা শহরতলির ভোটাররা ডেমোক্রেটদের ভোট দেয়নি। কিন্তু মি. অ্যাডামস বলেছেন, নিউইয়র্ক স্টেট জামিন দেবার আইন রদবদল করেছেন। আর তাতে ডেমোক্রেটরা ভোট পাননি। সাথে সাথে কংগ্রেসওম্যান আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও কর্টেজ বলেছেন, ‘তা ঠিক নয়।’ 

মি. অ্যাডামস মনে করেন, নিউইয়র্কে ভোটের রেজাল্ট বস্তুত তার কথারই প্রতিনিধিত্ব করেন। কাজেই ডেমোক্রেটদের তার মতো মডারেট রাজনীতিকে গ্রহণ করা উচিত। 

মি. অ্যাডামস বলেন, যারা বলেছেন অপরাধ সম্পর্কে বলবেন না। তা হচ্ছে কালোদেরকে হেয় করা। একইসাথে বাদামি রঙের লোকেরাও অপমানিত হয়। তাদের মধ্যে এই ধরনের অনেক অপরাধ বর্তমান। তিনি বলেন, ডেমোক্রেটদের মধ্যবর্তী নির্বাচন একটি শিক্ষণীয় বিষয় বলে ধরে নেয়া যায়। তিনি বলেন, ‘আমরা অপরাধ নিয়ে দক্ষতার সাথে কাজ করছি। আমরা সেনসিবল গান ল’ করতে ভোট দিয়েছি। আমরা পুলিশ অফিসারদের অর্থ দিতে ভোট দিয়েছি। কিন্তু এখনো আমরা অন্যদের বলতে সুযোগ দিচ্ছি যে, আমরা এসবের বিরোধী।’

এসব কিছুর কারণে উপশহর বা শহরতলির লোকেরা, যারা আগে সবসময় ডেমোক্রেটদের ভোট দিতো, এখন তাদের মধ্যে বিভাজন দেখা দিয়েছে। কাজেই সমস্যার রাস্তা সমাধানে দেখা যাবে কীভাবে তা নিষ্পত্তি হবে। নিউইয়র্ক থেকে যে পাঁচটি আসন খোয়া গেছে তা যদি ডেমোক্রেটরা জিততেন, তাহলে নির্বাচনের রেজাল্ট ভিন্ন হতো। ডেমোক্রেটদের কারণে সব হাউসে ডেমোক্রেটরাই জিতে থাকতেন।

শেয়ার করুন