১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০৮:২৬:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৪-০৩-২০২৬
পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা


পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, পরিবেশ ধ্বংস করে বা পাহাড় কেটে কোনো ধরনের রিসোর্ট বা পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ বরদাশত করা হবে না। তিনি স্পষ্ট জানান, পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য নষ্ট করে পর্যটন শিল্পের বিকাশ সরকার সমর্থন করে না; বরং পাহাড়ের পরিবেশ রক্ষা করে পরিবেশবান্ধব বা ‘ইকো-ট্যুরিজম’ গড়ে তোলাই লক্ষ্য হওয়া উচিত।

৩ মার্চ মঙ্গলবার সকালে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে পরিষদের কর্মকর্তাদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হলো স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত। তিনি বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন যতটুকু প্রয়োজন তা ইতিমধ্যে হয়েছে, তবে যেখানে একান্ত জরুরি সেখানে কাজ চলবে। তিনি সকল দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অনেক ক্ষেত্রে দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা যায়, যা কাজের গতি কমিয়ে দেয়। তাই প্রতিটি উন্নয়ন কাজে পার্বত্য জেলা পরিষদের সাথে সমন্বয় বজায় রাখা এবং নিয়মিত মনিটরিং করা আবশ্যক।

প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, উন্নয়নের নামে কেবল প্রজেক্ট তৈরি করে অর্থ অপচয় করার সুযোগ আর থাকবে না। যেখানে প্রয়োজন নেই সেখানে প্রকল্প নেওয়া যাবে না। প্রতিটি কাজের যথাযথ তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, জেলা পরিষদের কাজের মাধ্যমেই জেলার উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে, তাই সেবার নামে কোনো প্রকার অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।

সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা পাহাড়ি অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি ও দুর্গমতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তারা জানান, সমতলের তুলনায় পাহাড়ে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ অনেক বেশি, তাই দরপত্রের (টেন্ডার) সিডিউল রেট সমতলের মতো হওয়া যৌক্তিক নয়। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ এবং কাপ্তাই লেকের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নসহ ইকো-ট্যুরিজম, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে মন্ত্রীর বিশেষ সহযোগিতা কামনা করা হয়।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য প্রতুল চন্দ্র দেওয়ান, বরুন বিকাশ দেওয়ান, হাবিব আজম, মিনহাজ মুরশিদ, নাইউপ্রু মারমা, সাগরিকা রোয়াজা, বৈশালী চাকমা ও দয়াল দাশ প্রমুখ।

শেয়ার করুন