১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০৭:১৮:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


সংরক্ষিত ১০০ আসনে নির্বাচনের দাবি
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৭-০৯-২০২৫
সংরক্ষিত ১০০ আসনে নির্বাচনের দাবি


প্রস্তাবিত জুলাই সনদের খসড়ায় উল্লিখিত সংসদে বর্ধিত সংরক্ষিত ১০০ আসনে সরাসরি নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম। একই সঙ্গে আগামী জাতীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো থেকে ৩৩ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দাবি করেছে নারীর অধিকার বিষয়ক ১২টি সংগঠনের এ জোটটি।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। জাতীয় নির্বাচনে নারীর অধিকার আদায়ের রূপরেখা তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন প্রস্তাবিত জুলাই সনদে নারী রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের প্রস্তাব এবং নারীদের অধিকার উপেক্ষিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এতে বলা হয়, জনগণের ৫১ শতাংশ নারীর মতামতকে উপেক্ষা করে তৈরি জুলাই সনদ জনআকাক্সক্ষা ও গণতন্ত্রের পরিপন্থী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সুস্মিতা রায়। আরো উপস্থিত ছিলেন মাহরুখ মহিউদ্দিন, অধ্যাপক সামিনা লুৎফা, তাসলিমা আখতার লিমা, সাদাফ সায্ সিদ্দিকী ও ড. ফারাহ কবির।

লিখিত বক্তব্যে ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকেই নারীদের জন্য সংরক্ষিত ১০০ আসনে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। এছাড়া নারীর যথাযোগ্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা; রাজনৈতিক দলে ন্যূনতম ৩৩ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন বাধ্যতামূলক করা ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন করে ধাপে ধাপে ৫০ শতাংশে উন্নীত করা এবং জুলাই সনদে সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা ৫০ থেকে ১০০-তে উন্নীত করার প্রস্তাব বিষয়ে সরাসরি নির্বাচন ও নির্বাচনী পদ্ধতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদানের দাবি করা হয়।

এ সময় রাজনৈতিক দল মনোনীত কিংবা স্বতন্ত্র সব নারী প্রার্থীর জন্য রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বিশেষ আর্থিক সহায়তা বরাদ্দের দাবি জানান তারা। তারা বলেন, নারীর প্রতিনিধিত্বকে প্রতীকী পর্যায়ে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। আমাদের লক্ষ্য হলো নারীর প্রকৃত ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা, যাতে তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।

জুলাই সনদে নারীর অধিকার বিষয়ক সব দাবি অন্তর্ভুক্ত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন নারী নেতারা। তারা বলেন, আমরা এখনো আশা করি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন, রাজনৈতিক দল এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমাদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

শেয়ার করুন