১৭ এপ্রিল ২০২৬, শুক্রবার, ০২:৩৭:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ লংআইল্যান্ডে মসজিদ সম্প্রসারণে প্রশাসনিক বাধা নাটক-সিনেমা দেখে কি বার্তা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী?


সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক জামায়াত আমিরের
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৫-০৪-২০২৬
সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক জামায়াত আমিরের বক্তব্য রাখছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান


বিএনপির সম্ভবত সুখ সহ্য হচ্ছে না। দীর্ঘ ১৭ বছর বহু নির্যাতন, নিপীড়ন সহ্য করা দলটি ক্ষমতায় না বসতেই আন্দোলনের মুখে পতিত হয়েছে। কেননা দেশে আবারও আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আন্দোলনকে তিলে তিলে সফলতার দিকে নিয়ে যেতে হবে। ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার সংকটের মুখোমুখি বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। যার অর্থ হয় দাবি আদায় অথবা সরকার পতন। 

ডা. শফিকুর রহমানের এমন বক্তব্য ‘টক অব দ্য কান্ট্রি।’ বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসার সুযোগ পাওয়া জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান যে আন্দোলনের কথা বলছেন, এটাতে সংসদ থেকে পদত্যাগ করারও ইঙ্গিত বহন করে। কেননা সংসদ হিসেবে শপথ নেওয়ার দুই মাসও পূর্ণ হয়নি ঠিক এমনি মুহূর্তে যদি সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয় এবং সেটা তিল তিল করে বাস্তবায়নের নির্দেশনা প্রদান করা হয়, তাতে সংসদে বসে একই সঙ্গে সরকার পতন ও বিরোধী দলের আসনে বসে থাকা এটা আন্দোলনে দুর্বলতা প্রকাশ। তাছাড়া দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ তৃণমূলের নেতারা এমন আন্দোলনের আহ্বান কীভাবে নেবেন সেটাও এখন প্রশ্নের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে? 

বিরোধী দল সংসদে বিরোধিতা করবেন, হইচই হবে, ওয়াকআউট হবে এটাই সংসদীয় রীতি। কিন্তু এমন মুহূর্তে তার কণ্ঠে যে সরকার হটানোর তীব্রতা ও আন্দোলনের রূপরেখা বর্ণনা সেটা অতীতে বিরল। একবার বিরোধী দলের আসনে বসে বিএনপি সরকারকে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘সুস্থ থাকতে দেবো না।’ কিন্তু সরকার হটানোর আন্দোলনের ডাক তিনি সূচনাতেই দেননি। 

আন্দোলনের এমন ডাক দিলেন কেন? এমন প্রশ্ন এখন সর্বত্র। তবে এর পেছনে অন্যতম কারণ সংসদে সরকারি দলের সঙ্গে কুলিয়ে না উঠতে পারা। 

সংসদ শেষে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৭টি অপরিবর্তিত অবস্থায় পাস হয়েছে। ১৩টি সংশোধন করে পাস করা হয়েছে এবং সাতটি রহিতকরণ ও হেফাজত বিলের মাধ্যমে অনুমোদন পেয়েছে। বাকি ১৬টি অধ্যাদেশ উপস্থাপন করা হয়নি। সব মিলিয়ে ৯১টি বিলের মাধ্যমে ১১০টি আইন পাস হয়েছে।

তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশন আইন, সুপ্রিম বিচারক নিয়োগ আইন ও সুপ্রিম সচিবালয় সংক্রান্ত বিল উত্থাপনের সময় প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে আরো যাচাই-বাছাই দরকার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে কোনো অস্পষ্টতা নেই। যারা ভিন্ন দাবি করছেন, তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।

গুম কমিশন বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, আইসিটি আইনে গুমের সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হলেও গুম কমিশন আইনে তা স্পষ্টভাবে আলাদা করা হয়নি। ফলে মানবাধিকার সংক্রান্ত আইনের সঙ্গে কিছু অসামঞ্জস্য থেকে যেতে পারে। এ কারণেই বিষয়টি আরো খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। মানবাধিকার কমিশনের কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তদন্ত সম্পন্ন করার নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। কমিশন উভয়পক্ষকে ডেকে জরিমানা, ক্ষতিপূরণ বা আইনি পদক্ষেপের পরামর্শ দিতে পারবে, এমনকি নিজে বাদী হয়ে মামলা করতে পারবে। তবে জরিমানা বা ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণের বিধান নেই।

আইনমন্ত্রী আরো বলেন, এক-এগারোর সময় জারি হওয়া ১২২টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৫৪টি আইনে পরিণত হয়েছিল। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে প্রায় ১১৭টি অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তর করেছে। 

সংসদে বার বার ওয়াকআউট করা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর পর ঈদসহ বিভিন্ন ছুটির কারণে কার্যক্রম পরিচালনায় সময়ের সংকট ছিল। বিধি অনুযায়ী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে অধ্যাদেশ উত্থাপনের বাধ্যবাধকতা থাকায় সময়ের চাপ আরো বেড়ে যায়। এ কারণে ১০ এপ্রিল সংসদের অধিবেশন চালাতে হয়েছে। তিনি বলেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সহজ ছিল না। শেষদিকে কিছু অধ্যাদেশ উত্থাপনের ক্ষেত্রে বিলগুলো আগে থেকে টেবিলে আনা সম্ভব হয়নি।

বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা একাধিকবার ওয়াকআউট করেছে। তবে যেসব ইস্যুতে তারা এমন পদক্ষেপ নিয়েছে, তার কিছু তথ্য সঠিক ছিল না। গণমাধ্যমের সামনে গিয়ে তারা বক্তব্য দিয়েছে। কিন্তু শেষ কার্যদিবসে আলোচিত অধ্যাদেশটি নিয়ে তাদের ওয়াকআউটের কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ ছিল না।

আন্দোলনের ডাক প্রসঙ্গে যা বলেন ডা. শফিকুর রহমান 

অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যের শুরুতে একটি ছোট গল্প দিয়ে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি দড়ি টানা পাখার উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘এক বিচারক একটি হত্যা মামলার রায় দিতে গিয়ে পরস্পরবিরোধী কথা বলছিলেন। পরে জানা গেল, পিছন থেকে দড়ি টানার সমস্যার কারণে এমন হচ্ছে।’ 

এ গল্পের মাধ্যমে তিনি ইঙ্গিত করেন, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং পরস্পরবিরোধী সিদ্ধান্তের পেছনে অদৃশ্য শক্তি কাজ করছে। তিনি বলেন, আমাদের দেশে, বিশেষ করে পার্লামেন্টে যাদের নাড়া দেখেন, প্রশ্ন আসে কে দড়ি টানে? সেই দড়িটা কোথা থেকে টান দেওয়া হয়? জাতি বুঝে। আপনারা বুঝেন না?

তিনি সরকারের দ্বৈত নীতির সমালোচনা করে বলেন, ‘একসময় গণভোট হারাম, আরেক সময় না এটা অর্ধেক হালাল। একসময় একই অর্ডারের গোস্ত হালাল, কিন্তু ঝোলটা হারাম। আমরা এটা পার্লামেন্টে বলেছি, আপনারা দেখেছেন আমাদের কণ্ঠ দমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, আমরাও সমানতালে চালিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ সুযোগ পাই না পাই আমরা কণ্ঠ বন্ধ করিনি, কারণ জনগণ আমাদের তো তাদের অধিকারের পক্ষে কথা বলতে সেখানে পাঠিয়েছে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণ তাকে মুখ বন্ধ করে বসে থাকার জন্য পাঠায়নি, বরং তাদের অধিকারের পক্ষে কথা বলার জন্য পাঠিয়েছে।

সংসদে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা সংসদে যাওয়ার আগেই বলেছি, এ সংসদের বিভিন্ন ধরনের সুবিধা নেওয়ার জন্য আমরা এখানে যাচ্ছি না। অনেক সুবিধা আছে, স্বেচ্ছায় ছেড়ে দেবো, নেবো না, যেটা না নিয়ে পারবো না সেটা নেবো, বাধ্য হবো যেটাতে। অবৈধ কোনো দিকে আমাদের চোখ এবং হাত যাবে না।’ 

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এ গণঅভ্যুত্থান কেবল শিক্ষিত ছাত্র বা রাজনীতিবিদদের আন্দোলন নয়। তিনি জানান, প্রায় ১৪০০ শহিদের মধ্যে ১২০০ শহিদের বাড়িতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন এবং তিনি সজ্ঞানে সাক্ষ্য দিচ্ছেন, এ শহিদদের ৬২ শতাংশই শ্রমিক। তিনি বলেন, তারা কি কোটার বৈষম্যের বিরুদ্ধে নেমেছিল? কোটার বৈষম্যের বিরুদ্ধে নেমেছিল আমাদের যুবসমাজ, ছাত্রসমাজ। তারা নেমেছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে। তারা নেমেছিল একটা পরিবর্তনের আকাক্সক্ষা নিয়ে। তারা ঘুণে ধরা রাজনীতির জন্য জীবন দিতে রাস্তায় নামে নেই।

তিনি সংসদের বর্তমান অবস্থাকে ‘জুলাই প্রোডাক্ট’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ‘জুলাই নাই আমরাও নাই। জুলাই আছে আমরা আছি, জুলাই আছে সরকার আছে, জুলাই আছে বিরোধী দল আছে, জুলাই নাই কিছুই নাই। এই জুলাইয়ের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে সরকার পার পাবে না ইনশাআল্লাহ। গণভোটের গণরায়ের মাধ্যমে এ জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ইনশাআল্লাহ বাস্তবায়ন হবে। এজন্য আবার জীবন দিতে হলে দেবো, ইনশাআল্লাহ।’

তিনি বলেন, ‘কাল এ জায়গায় দাঁড়িয়ে জুলাই শহিদ পরিবার এবং যোদ্ধাদের সঙ্গে আমাদের একটা বৈঠক ছিল। সেখানে আমার প্রিয় সহকর্মী, সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ বলেছেন আগামীর আন্দোলনের সঙ্গে নয়, সামনে থাকবো আমরা ইনশাআল্লাহ। এ সারির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিল, আমাদের সামনে পাবেন, আমিও কথা দিচ্ছি সামনে পাবেন ইনশাআল্লাহ। তিনি আরো বলেন, যতদিন জাতির অধিকারের পক্ষে লড়াই করা প্রয়োজন, ততদিন তারা সংসদে থাকবেন, তার বাইরে এক সেকেন্ডও নয়।

আন্দোলনের শুরু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আন্দোলন শুরু করতে হবে এটা কি? এটাও আন্দোলনের অংশ। আমরা সেদিন সংসদ থেকে বের হয়ে এসেছিলাম। এসে বলেছিলাম, জনগণের রায় বাস্তবায়নের জন্য এখানে এসেছিলাম। অন্যায়ভাবে এ রায়কে পদদলিত করা হয়েছে। এখন জনগণের রায় নিয়ে আবার জনগণের পার্লামেন্টে আমরা চলে যাচ্ছি।’ তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এ আন্দোলন কোনো সুবিধাবাদী আন্দোলন নয়, ক্ষমতার হালুয়া-রুটির ভাগবাঁটোয়ারা নয়। এ আন্দোলন ৭০ ভাগ মানুষের রায়ের প্রতি সম্মান দেখে, শহিদদের রক্তের সঙ্গে তাদের ওয়াদা বাস্তবায়ন করার জন্য এবং জুলাইযোদ্ধাদের আকাক্সক্ষা পূরণ করার জন্য। 

তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান, ‘আপনারা শুধু পাশে থাকবেন, দেশবাসী। এ আন্দোলন আমার জন্যে, আপনাদের জন্য, সবার জন্য। আমরা আমাদের সন্তানদের কারো গোলাম বানাতে চাই না এবং কারো পারিবারিক রাজতন্ত্র বাংলাদেশে চলবে জাতির ওপর ফ্যাসিজম হিসেবে তা-ও আমরা বরদাশত করবো না।’

ডা. শফিকুর রহমান রাজনীতির এ দুষ্টচক্র ভেঙে দেওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, সংসদের এক-তৃতীয়াংশ সময় একজনের বদলে আরেকজনের প্রশংসায় ব্যয় হোক, এটা তারা আর দেখতে বা শুনতে চান না। তিনি বলেন, ‘প্রশংসা হবে জনগণের, সংসদের ভিতরে কথা হবে জনগণের সমস্যা নিয়ে, সেখানে বসে খোলামেলা সমাধান বের হয়ে আসতে হবে। এটাকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো কিছুর চর্চা হোক সংগঠনের, সংসদের ভিতরে আমরা এটা চাই না।’

তিনি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ‘আমরা ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া সংসদে দেখতে পাচ্ছি। ওই সংসদে দাঁড়িয়ে আজকে যারা সরকারি দলের গ্যালারিতে বসেছেন, তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে যেভাবে কথা বলা হতো, আজকে দুয়েকজন আমাদের লক্ষ্য করে সে রকম কথা বলা শুরু করেছে। আমরা তাদের বলি, জিহ্বা সংযত করুন। এ মনোভাব এবং আচরণ দেখাবেন না। জুলাই যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যেই প্রজন্ম, যেই দেশ গড়ে উঠেছে, এ দেশ কারো চোখ রাঙানি পরোয়া করে না।’

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমিরে মজলিস আল্লামা মামিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান প্রমুখ।

শেয়ার করুন