১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০৫:৫০:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


কিথ এডমন্ডের মৃত্যুদণ্ড ১৮ বা ১৯ জুলাই
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৭-০৭-২০২৪
কিথ এডমন্ডের মৃত্যুদণ্ড ১৮ বা ১৯ জুলাই কারাগারে ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কিথ এডমন্ড গ্যাভিন


আলাবামা স্টেট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মুসলিম বন্দি কিথ এডমন্ড গ্যাভিনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পর ময়নাতদন্ত না করে জানাজায় অংশগ্রহণকারীদের কাছে হস্তান্তরের আবেদন গত ১২ জুলাই শুক্রবার মঞ্জুর করেছে। আগামী ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার বা ১৯ জুলাই শুক্রবার কিথ এডমন্ড গ্যাভিনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দিন ধার্য করেছে কর্তৃপক্ষ। আবেদনে তিনি বলেন, গ্যাভিন একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান এবং তার ধর্ম তাকে শিক্ষা দিয়েছে যে মানবদেহ একটি পবিত্র স্থান, যা অবশ্যই সম্পূর্ণ রাখতে হবে। আবেদনে তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন, একটি ময়নাতদন্ত তার দেহকে অপবিত্র করবে এবং তার ধর্মের অবাধ অনুশীলনের অধিকারসহ তার মানবদেহ অক্ষত রাখার পবিত্রতা লঙ্ঘন করবে। আলাবামা ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশনের মুখপাত্র কেলি উইন্ডহাম বেটস গত ১২ জুলাই শুক্রবার এক প্রেস কনফারেন্সে বলেছেন, কিথ এডমন্ড গ্যাভিনের কোনো ময়নাতদন্ত করা হবে না। তার দেহাবশেষ জানাজায় অংশগ্রহণকারীদের কাছে তুলে দেওয়া হবে। গ্যাভিন ১৯৯৮ সালে একজন ডেলিভারি ড্রাইভারকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার হন। ১৯৯৯ সালে তিনি হত্যার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন এবং মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন। কারাগারে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। 

আলাবামা আইনের অধীনে স্টেটের যে কোনো শাস্তিমূলক কর্মকাণ্ডে সংঘটিত যে কোনো মৃত্যুর তদন্ত করার জন্য একজন মেডিকেল পরীক্ষকের প্রয়োজন হয় এবং আইনটি রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের বিচক্ষণতা দেয় যে মৃত্যু যদি ‘বেআইনি, সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক’ হয় তবে পোস্টমর্টেম ময়না তদন্তের আদেশ দিতে। এই আইনটি এই ধরনের যে কোনো ঘটনায় মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। মি. গেভিনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পর, কে বা কী কারণে গেভিনের মৃত্যু ঘটিয়েছে তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকবে না। রাষ্ট্র তাকে প্রাণঘাতী ইনজেকশন দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করবে। 

দ্য কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস একজন মুসলিম বন্দির তার ধর্মীয় বিশ্বাসের অনুরোধ মেনে নেওয়ার জন্য আলাবামা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। কেয়ারের ন্যাশনাল কমিউনিকেশন ডিরেক্টর ইব্রাহিম হুপার এক বিবৃতিতে বলেন, আমরা এই ক্ষেত্রে ময়নাতদন্ত না করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। তাতে বন্দিদের ধর্মীয় অধিকারকে সম্মান ও সুরক্ষিত করা হবে। একজন ব্যক্তিকে বন্দি করলে ধর্মীয় স্বাধীনতা শেষ হওয়া উচিত নয়। ইসলামিক বিশ্বাসে, ময়নাতদন্তকে সাধারণত মৃত ব্যক্তির অবাঞ্ছিত অঙ্গচ্ছেদ হিসেবে দেখা হয়, তবে প্রয়োজনের ক্ষেত্রে এবং প্রয়োজনীয় পরিমাণে অনুমোদিত। 

শেয়ার করুন