১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০৫:৫২:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


২০২৩ সালে মিথ্যা গ্রেফতার ও মামলায় নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগের জরিমানা ১১৪.৫ মিলিন ডলার
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৬-০৩-২০২৪
২০২৩ সালে মিথ্যা গ্রেফতার ও মামলায় নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগের জরিমানা ১১৪.৫ মিলিন ডলার


নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ কর্তৃক অসদাচরণ, অন্যায়ভাবে গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা দায়ের এবং জোরপূর্বক মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার ঘটনা হরহামেশা ঘটছে। অনেকেই এসব গ্রেফতার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। সেই সব মামলায় নিউইয়র্ক পুলিশকে জরিমানা গুণতে হচ্ছে। এই মামলাগুলো স্যাটেলমেন্ট করা হয়েছে। স্যাটেলমেন্ট করা অর্থ প্রদান করতে হচ্ছে নিউইয়র্ক সিটির কোষাগার থেকে।

এক তথ্যে জানা গেছে, ২০২৩ সালের মামলা নিষ্পত্তির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে ১১৪.৫ মিলিয়ন ডলার। ২০২২ সালের ক্ষতি পূরণ ১৩৫.৩ মিলিয়ন ডলার। এর ফলে নিউইয়র্ক সিটির কোষাগারে চাপ বেড়ে চলেছে। মেয়র এরিক অ্যাডামস প্রশাসনের প্রথম দুই বছরে কয়েক দশক আগের পুরানো মামলায় অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার।

এদিকে একটি অ্যাকটিভিস্ট গ্রুপ পুলিশ রিফর্ম অর্গানাইজিং প্রজেক্ট ২৬ ফেব্রুয়ারি সোমবার এ সক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে দেখা গেছে ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ডিডেসম্বর পর্যন্ত ২৯৭টি ফৌজদারি মামলায় আসামিদের মধ্যে ৯৪ ভাগ কৃষ্ণাঙ্গ ও হিস্পানিক ছিল। অ্যাডামস প্রশাসনের প্রথম দুই বছরে ১,৫৬৭ জন আসামির মধ্যে ১,৪৪০ জন কৃষ্ণাঙ্গ ও হিস্পানিক। যা মেয়র বিল ডি ব্লাজিওর সময়ের তুলনায় অনেক বেশি।

পুলিশ রিফর্ম অর্গানাইজিং প্রজেক্টের ডিরেক্টর রবার্ট গাঙ্গি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক জাতিগত বৈষম্য বিদ্যমান। নেতৃত্বে কৃষ্ণাঙ্গ এবং হিস্পানিক থাকলেও অবস্থার কোনো পরিবর্তন নেই। প্রজেক্ট ডিরেক্টর বলেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত একটি সংস্থা নির্দিষ্ট নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত এই সব ঘটতেই থাকবে। এই ক্ষেত্রে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কৌশল এবং মনমানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। অন্যদিকে পুলিশ রিফর্ম অর্গানাইজিং প্রজেক্টের রিপোর্টে বলছে, সিটির জনসংখ্যার ৩০ ভাগ শেতাঙ্গ কিন্তু ফৌজদারি আদালতের আসামিদের মাত্র ৬ ভাগ তারা। কৃষ্ণাঙ্গরা জনসংখ্যার ২০ ভাগ কিন্তু ফৌজদারি আদালতের আসামীদের ৫৮ ভাগ কৃষ্ণাঙ্গ।

এক বিবৃতিতে, নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট বলেছে যেসব স্থান থেকে অপরাধের অভিযোগ রিপোর্ট করা হয়েছে সেসব স্থানে পুলিশ অফিসারদের মোতায়েন করা হয়েছে। এবং যেসব কমিউনিটির পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে সেই কমিউনিটিতে পুলিশ অফিসারদের মোতায়েন করা হয়েছে এবং নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের অফিসাররা জাতি বা জাতিগত বিবেচনা ছাড়াই তাদের দায়িত্ব পালন করেন। তারা বিদ্যমান আইনগুলো অনুসরণ এবং প্রয়োগ করেন।

শেয়ার করুন