১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০২:৫৬:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


যুক্তরাষ্ট্রের চাপ কী সামলাতে পারবেন প্রধানমন্ত্রী
সালেক সুফী
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৯-০৩-২০২৩
যুক্তরাষ্ট্রের চাপ কী সামলাতে পারবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সহজে কোনো সিদ্ধান্ত থেকে সরিয়ে দেওয়া যায় না। যেমন বলেছেন, দেশের কয়লা উন্মুক্ত পদ্ধতিতে উঠানো হবে না। হয়নি সেটা। কিছুদিন আগে কি উপলক্ষে উনি বলেছেন, শিরোনামের কথাটি- নাই-বা বললাম। কিন্তু আমরা জানি, যুক্তরাষ্ট্র ইদানীং বাংলাদেশকে চীনবিরোধী জোটে যোগদানের জন্য চাপ প্রয়োগ করছে। অনেকটা ওদের প্রভাবেই বাংলাদেশ রাশিয়া থেকে তেল গ্যাস আমদানি করছে না। এখন আবার মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি গভীর সাগরের সবক’টি ব্লক বিনা টেন্ডারে ইজারা দেওয়ার বায়না ধরেছে। নতুন নির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী কি পারবেন এই চাপ সামাল দিতে? বাংলাদেশে চলছে গ্যাসসংকট, জ্বালানিসংকট। প্রমাণিত গ্যাস মজুদ দ্রুত শেষ হয়ে আসছে। নিজেদের গ্যাস উত্তোলন সামর্থ্য সীমিত। ভূরাজনীতির কারণে দীর্ঘদিন সাগরের গ্যাসসম্পদ অনুসন্ধান করা সম্ভব হয়নি। ইতিপূর্বে দেখেছি প্রধানমন্ত্রী কোনোভাবে একটি কোম্পানিকে দুটির বেশি গ্যাস ব্লক ইজারা দিতে রাজি হননি। সেটি কনোকো ফিলিপসের ক্ষেত্রে হয়েছে। এমনি অস্ট্রেলিয়ান কোম্পানি উডসাইড পেট্রোলিয়ামের পাঁচ ব্লক না দেয়ার ক্ষেত্রেও হয়েছে। এই মুহূর্তে যখন বাংলাদেশ সাগরে গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য প্রস্তুত, তখন মার্কিন কোম্পানির প্রস্তাব এসেছে। প্রাসঙ্গিক যে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়েও অনেক কথা বলছে। একটি কোম্পানিকে সবগুলো ব্লক দিলে বাংলাদেশ জিম্মি  হয়ে পড়বে। গভীর সাগরে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। অন্য পরাশক্তিগুলো বিষয়টি সহজভাবে নিবে কী। বাংলাদেশ কি পারবে যুক্তরাষ্ট্রকে সামাল দিতে? 

মনে আছে ২০০০ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের উপস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মার্কিন কোম্পানি ইউনোকলের গ্যাস রপ্তানি প্রস্তাব বাতিল করেছিলেন। পরিণতি কি হয়েছিল সবার জানা আছে। এবারের পরিপ্রেক্ষিত কিন্তু আরো জটিল। আমি আমার দৃষ্টিকোণ থেকে বলবো, কোনোভাবেই এক্সন মোবিলকে ১৫টি ব্লক দেওয়া ঠিক হবে না। কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হবে না। এখানে অনেক সমীকরণ আছে। প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ়তা এখানে অগ্নিপরীক্ষার মুখে।

শেয়ার করুন