১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০২:২৩:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


মেক্সিকো সীমান্তে ট্রাম্পের স্বপ্নের দেয়াল ভেঙে ফেলা হচ্ছে
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৯-১২-২০২২
মেক্সিকো সীমান্তে ট্রাম্পের স্বপ্নের দেয়াল ভেঙে ফেলা হচ্ছে ভেঙে ফেলা হচ্ছে ট্রাম্পের দেয়াল


সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনীতির মূল বিষয় ছিল মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ করা। এর উদ্দেশ্য ছিল মেক্সিকো থেকে অবৈধ অভিবাসীর ঢেউ ঠেকানো। তবে অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের সরকার এবার সেই দেয়াল সরিয়ে ফেলার ঘোষণা দিয়েছে।

খবরে বলা হয়, এই দেয়াল প্রথম থেকেই বিতর্কিত ছিল। এর বিরুদ্ধে বহুদিন ধরেই প্রতিবাদ চলছি। অ্যারিজোনার রিপাবলিকান গভর্নরের নির্দেশে দেয়ালটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তিনি যুক্তি দেখিয়েছিলেন যে, এই দেয়াল অভিবাসী ঢলকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে। তবে যারা এই দেয়ালের বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ দায়ের করেছেন তারা এই যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

জানা গেছে, ৯০০ শিপিং কন্টেইনার দিয়ে দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছিল। সরকারের ব্যয় হয়েছিল ৮০ মিলিয়ন ডলার। অ্যারিজোনার সঙ্গে প্রতিবেশী রাষ্ট্র মেক্সিকোর ৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ২০১৭ সাল থেকে এই সীমান্তের এক বিশাল অংশে বেড়া তৈরি করা হয়েছে।

গভর্নর ডাগ ডুসি এ বছরের শুরুতে করনাডো ন্যাশনাল ফরেস্টে অস্থায়ী ব্যারিয়ার নির্মাণ শুরু করেছিলেন। গত ২১ ডিসেম্বর ফেডারেল সরকারের সাথে এক চুক্তির পর ডুসির নেতৃত্বাধীন প্রশাসন বলেছে যে, আগে নির্মাণ করা সব শিপিং কনটেইনার এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম, উপকরণ, যানবাহন ও অন্যান্য জিনিসগুলো জানুয়ারির প্রথমদিকে সরিয়ে ফেলা হবে। 

ওই এলাকায় কাজ করে এমনি একটি পরিবেশরক্ষা গোষ্ঠী সেন্টার ফর বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি ওই দেয়ালের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করেছিল। সংস্থাটি দাবি করেছে, কন্টেইনারের প্রাচীরটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংরক্ষিত বনকে বিভক্ত করেছে, যা হুমকির মুখে থাকা প্রাণিদের আবাসস্থল এবং পানীয় জলের উৎস ও অভিবাসন রুটগুলোকে বন্ধ করে দিয়েছে। এই সংস্থার একজন সদস্য রাস ম্যাকস্প্যাডেন বলেছেন, স্থানীয় বন্যপ্রাণিদের ট্র্যাক করার জন্য তিনি যে, ক্যামেরাগুলো ব্যবহার করেছিলেন তাতে কখনই অবৈধ অভিবাসী পাচারের কোনো ছবি ওঠেনি। আগে যে তারের বেড়াটি ছিল সেটিই যথেষ্ট ছিল।

শেয়ার করুন