১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৬:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


নিউইয়র্ক সিটির মোট জনসংখ্যার ১৭ ভাগই এশিয়ান
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৫-০৯-২০২২
নিউইয়র্ক সিটির মোট জনসংখ্যার ১৭ ভাগই এশিয়ান নিউইয়র্ক সিটি


আয়, বাড়ির মালিকানা, শিক্ষা এবং আর্থিক অবস্থানের ক্ষেত্রে নিউইয়র্ক সিটির চীনা, ভারতীয়, কোরিয়ান, জাপানি, ফিলিপিনো এবং ভিয়েতনামের অধিবাসীগণের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ২০১৫ সালের তুলনায় ২০২০ সালে এশিয়ান-আমেরিকানের সংখ্যা বেড়েছে ৬.৮ শতাংশ। অথচ একই সময়ে এই সিটির জনসংখ্যা কমেছে ০.৮ শতাংশ। নিউইয়র্ক সিটির সর্বশেষ শুমারি অনুযায়ী, এশিয়ান আমেরিকানের সংখ্যা ১৫ লাখ। এই সিটির মোট জনসংখ্যার ১৭ ভাগ হলেন এশিয়ানরা।

সেনসাস ব্যুরোর পরিসংখ্যানের আলোকে এক গবেষণায় এসব তথ্য প্রকাশ করেছে এশিয়ান আমেরিকান ফোডারেশন। ৭ সেপ্টেম্বর এই সংস্থার গবেষণা পরিচালক লিনইং হী বলেন, একই ধরনের পর্যালোচনা জরিপ চালানো হচ্ছে বাংলাদেশ, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, তাইওয়ান এবং থাইল্যান্ডের অভিবাসীদের ব্যাপারেও। সেসব তথ্য সামনের বছর গ্রীষ্মে উপস্থাপন করা হবে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কোন এলাকায় অধিক বসতি, বয়স, অভিবাসন এবং সিটিজেনশিপের স্ট্যাটাস, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ইংরেজিতে কথা বলার ধরন, দারিদ্র্য, বার্ষিক আয়, চিকিৎসাসেবা গ্রহণের বিবরণ, চাকরি, পেশা, গৃহায়ন এবং ইন্টারনেট গ্রহণকারীর সংখ্যা ইত্যাদি পর্যালোচনা করা হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটিতে অভিবাসী সমাজের মধ্যে দ্রুত বাড়ছে এশিয়ানের সংখ্যা।

এই সিটিতে বসবাসরত এশিয়ানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গরিব হচ্ছে চীনারা- ৩৯.৮ শতাংশ। কম্পিউটারের মালিকানার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি হচ্ছেন জাপানিরা- ৯৭.৯ শতাংশ। জাপানিদের ৯৬.২ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। এ সংখ্যাও সর্বোচ্চ। ব্যাচেলর ডিগ্রিধারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হলেন ফিলিপিনোরা-৪৯.৪ শতাংশ। এশিয়ানদের মধ্যে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের ইন্স্যুরেন্স সবচেয়ে কম হচ্ছে কোরিয়ানদের মধ্যে-৯.৭ শতাংশ। ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন সবচেয়ে বেশি ভারতীয়রা-৪০.২ শতাংশ। ব্রঙ্কসে সবচেয়ে বেশি ভিয়েতনামি রয়েছেন। একক কোনো বরোতে সে সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। অর্থাৎ এই সিটিতে যতো ভিয়েতনামি রয়েছেন তার ১৪.৭ শতাংশ আছেন ব্রঙ্কসে।

শেয়ার করুন