০১ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৩:৫৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নর’ইস্টারের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড নিউইয়র্কসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চল নিউইয়র্কবাসীর ৬০ শতাংশ মামদানির পক্ষে অবৈধ জুয়ার অভিযোগে পলিমার্কেটের বিরুদ্ধে নিউইয়র্কের মামলা সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ডেমোক্র্যাট-রিপাবলিকানদের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই মার্কিন সিনেটে প্রথম মুসলিম সদস্য হওয়ার লড়াইয়ে আবদুল এল-সাইয়েদ নিউইয়র্কে স্থায়ী ‘জবস এনওয়াইসি’ কেন্দ্র চালু দ্বিতীয় বাড়ির কর নিয়ে মামদানির উদ্যোগে আদালতের বাধা লোয়ার ম্যানহাটনে প্রায় ১ হাজার নতুন সাশ্রয়ী ইউনিট নির্মাণের পরিকল্পনা তৃতীয় দেশে নির্বাসনের পথ ফের খুলে দিল সুপ্রিম কোর্ট বৈদেশিক সম্পর্ক উন্নয়নে প্রাণান্ত চেষ্টায় তারেক রহমান


নিউইয়র্কবাসীর ৬০ শতাংশ মামদানির পক্ষে
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ৩০-০৯-২০২৬
নিউইয়র্কবাসীর ৬০ শতাংশ মামদানির পক্ষে জোহরান মামদানি


মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার নয় মাস পরও জোহরান মামদানির জনপ্রিয়তা নিউইয়র্কে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। নতুন এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, নিউইয়র্ক স্টেটের সম্ভাব্য ভোটারদের ৪৬ শতাংশ মেয়র মামদানি সম্পর্কে ইতিবাচক মত পোষণ করেন। বিপরীতে ৩৬ শতাংশ ভোটার তার সম্পর্কে নেতিবাচক মত দিয়েছেন। আরো ১৫ শতাংশ বলেছেন, মামদানি সম্পর্কে মতামত দেওয়ার মতো যথেষ্ট তথ্য তাদের জানা নেই।

নিউইয়র্ক সিটির পাঁচ বরোর ভোটারদের মধ্যে মামদানির জনপ্রিয়তার হার আরো বেশি। জরিপে ৬০ শতাংশ ভোটার তার সম্পর্কে ইতিবাচক মত দিয়েছেন, আর ২৯ শতাংশ নেতিবাচক মত প্রকাশ করেছেন। অর্থাৎ রাজ্যজুড়ে তার চেয়ে নিউইয়র্ক সিটিতে ইতিবাচক মতামতের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। লিঙ্গভিত্তিক হিসাবেও মামদানির জনপ্রিয়তায় পার্থক্য দেখা গেছে। রাজ্যজুড়ে নারী ভোটারদের মধ্যে তার ইতিবাচক মতামতের হার পুরুষদের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পয়েন্ট বেশি।

জরিপে গভর্নর ক্যাথি হোচুলের ক্ষেত্রেও রাজ্যজুড়ে ৪৬ শতাংশ ভোটার ইতিবাচক মত দিয়েছেন। তবে তার সম্পর্কে নেতিবাচক মত দিয়েছেন ৪৩ শতাংশ। নিউইয়র্ক সিটির ভোটারদের মধ্যে হোচুলের প্রতি ইতিবাচক মতামতের হার ৫৩ শতাংশ। কংগ্রেসওম্যান আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ সম্পর্কে স্টেট জুড়ে ৪১ শতাংশ ভোটার ইতিবাচক এবং ৩৬ শতাংশ নেতিবাচক মত দিয়েছেন। সিনেটর চাক শুমারের ক্ষেত্রে ৩৪ শতাংশ ভোটার ইতিবাচক মত প্রকাশ করেছেন, বিপরীতে ৫১ শতাংশ নেতিবাচক মত দিয়েছেন।

ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকা বা ডিএসএ সম্পর্কেও জরিপে তুলনামূলকভাবে নেতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে। সংগঠনটির প্রতি ২৯ শতাংশ ভোটারের ইতিবাচক এবং ৪৩ শতাংশের নেতিবাচক মত রয়েছে। জরিপটি নিউইয়র্ক স্টেটের ১,০২৬ জন সম্ভাব্য ভোটারের ওপর পরিচালিত হয়। এতে ভুলের সীমা প্লাস বা মাইনাস ৪.১ শতাংশ পয়েন্ট। ফলে কয়েক শতাংশ পয়েন্টের পার্থক্যকে জরিপের পরিসংখ্যানগত সীমার মধ্যেও বিবেচনা করতে হয়।

এদিকে ২০২৬ সালের গভর্নর নির্বাচনের প্রতিও জরিপে ভোটারদের মনোভাবের চিত্র উঠে এসেছে। সম্ভাব্য ভোটারদের ৫৮ শতাংশ গভর্নর ক্যাথি হোচুলকে সমর্থনের কথা বলেছেন, আর ৩৯ শতাংশ রিপাবলিকান প্রার্থী ব্রুস ব্লেকম্যানকে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। মামদানির জনপ্রিয়তার এই পরিসংখ্যান এমন সময় সামনে এলো, যখন ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। তবে জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রাখার বিষয়ে মামদানি এখনো কোনো নির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দেননি। সাম্প্রতিক বক্তব্যে তিনি নিউইয়র্ক সিটির স্থানীয় সমস্যা ও নাগরিক সেবা, বিশেষ করে নগরীর অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন।অন্যদিকে ওকাসিও-কর্টেজ নিউইয়র্কের ডেমোক্র‍্যাট প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্রেটিক পার্টিকে ৩ লাখ ডলার অনুদানও দিয়েছেন।

মামদানি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে গভর্নর হোচুলকে পুনর্নির্বাচনের জন্য সমর্থন জানান। হোচুলও তার নির্বাচনী প্রচারে মামদানির সহযোগিতা পাওয়ার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন।

শেয়ার করুন