০৯ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৬:০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অপহরণ ও নির্যাতন : লুবনা দুই অপহরণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত নিউইয়র্কে ১ হাজার ২৫০ কিউনি শিক্ষার্থীর জন্য বিনামূল্যে অমনি কার্ড পাইলট কর্মসূচি মসজিদে ইসলামবিরোধী ও প্রাণনাশের হুমকিতে এক ব্যক্তি অভিযুক্ত সুলতানা রাজিয়া ও সৈয়দ রুবেল অপহরণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর উদযাপনে ধর্মীয় ইতিহাস ঘিরে বিতর্ক দুর্বৃত্তের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত নর্থ ইস্ট ফিলাডেলফিয়া ইসলামিক সেন্টার ওজনপার্কের বৈঠকখানা রেস্টুরেন্টে হাতবোমা নিক্ষেপ নিউইয়র্কে আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে ১০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ঘোষণা কঠোর অভিবাসন নীতিতে বিপাকে মার্কিন নাগরিকদের বিদেশি স্বামী-স্ত্রী আগাম বন্যার পদধ্বনি, আশঙ্কার ছায়া চট্টগ্রাম-সিলেটে


স্কুলে ‘গ্রেড কেলেঙ্কারি’: কুইন্সে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৮-০৭-২০২৬
স্কুলে ‘গ্রেড কেলেঙ্কারি’: কুইন্সে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা ইনফরমেশন টেকনোলজি হাই স্কুল, (ইনসেটে) শিক্ষক সুসান মুজাফার


নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের একটি পাবলিক হাইস্কুলে অ্যাডভান্সড প্লেসমেন্ট (এপি) কোর্সের এক শিক্ষার্থীর ফেল করা নম্বর প্রশাসনিকভাবে পরিবর্তন করে পাশ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, এ অনিয়মের প্রতিবাদ করে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনার পর ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তুলে ব্রুকলিনের ইউ.এস. ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ফর দ্য ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব নিউইয়র্কে একটি মামলা দায়ের করেছেন কুইন্সের ইনফরমেশন টেকনোলজি হাই স্কুলের ইংরেজি শিক্ষক সুসান মুজাফার। মামলাটি নিউইয়র্ক সিটির সরকারি স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের ফলাফল পরিবর্তন, একাডেমিক মান বজায় রাখা এবং প্রশাসনিক জবাবদিহি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহলে এ ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আট বছরের অভিজ্ঞ শিক্ষক সুসান মুজাফার ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে এপি ইংলিশ লিটারেচার পড়াতেন। ওই ক্লাসের একজন শিক্ষার্থী, যাকে আদালতের নথিতে ‘এমএইচ’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে, পুরো শিক্ষাবর্ষ জুড়ে ধারাবাহিকভাবে দুর্বল ফলাফল করে। শিক্ষার্থীর ফরমেটিভ মূল্যায়নে গড় নম্বর ছিল ৫৫ দশমিক ৬ শতাংশ, হোমওয়ার্কে ৬০ দশমিক ৫ শতাংশ, ক্লাসে অংশগ্রহণে ৫৬ দশমিক ৪ শতাংশ এবং সামেটিভ মূল্যায়নে ৮৩ দশমিক ৪ শতাংশ। সবকিছু বিবেচনা করে তিনি শিক্ষার্থীটিকে ফেল করানোর সিদ্ধান্ত নেন। মামলায় বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীর ফলাফল উন্নত করার জন্য শিক্ষক নিজেই তাকে শেষ সুযোগ দেন। স্কুলের বুট ক্যাম্প নামে পরিচিত একটি বিশেষ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে অসমাপ্ত কাজ শেষ করার সুযোগও দেওয়া হয়। কিন্তু সে সুযোগেও শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় মান অর্জন করতে পারেনি। এরপর শিক্ষক স্কুলের অনলাইন গ্রেডবুক সিস্টেম জুপিটারে ফেল নম্বর জমা দেন। কিন্তু এখান থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। 

মামলার ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষক পরে জানতে পারেন যে, তার অজান্তেই একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ওই শিক্ষার্থীর ফেল নম্বর পরিবর্তন করে পাসের নম্বরে রূপান্তর করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, এ পরিবর্তনের বিষয়ে তাকে কোনো লিখিত বা মৌখিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ঘটনার আগে ২০২৫ সালের ১২ জুন স্কুলের সহকারী অধ্যক্ষ এলিসিয়া রদ্রিগেজ নাকি ওই শিক্ষার্থীকে অতিরিক্ত একটি গুগল ক্লাসরুম অ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন, যাতে সে শেষ পর্যন্ত পাস করতে পারে। 

শিক্ষক সুসান মুজাফার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং পরে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি নিউইয়র্ক সিটি স্পেশাল কমিশনার অব স্কুল ইনভেস্টিগেশন এবং কলেজ বোর্ডের কাছেও লিখিত অভিযোগ পাঠান। তার অভিযোগ ছিল, স্কুলে অপ্রস্তুত ও অনুপযুক্ত শিক্ষার্থীদের এপি কোর্সে ভর্তি করানো হচ্ছে এবং পরে প্রশাসনিকভাবে তাদের পাশ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। 

মামলায় দাবি করা হয়েছে, অভিযোগ জমা দেওয়ার পর স্পেশাল কমিশনারের দফতর তাকে জানায় যে বিষয়টি তদন্তের আওতায় নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ করার পর থেকেই পরিস্থিতি পাল্টে যায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। শিক্ষকের দাবি, স্কুলের অধ্যক্ষ জিন উডস-পাওয়েল তার ক্লাস পর্যবেক্ষণ করে মূল্যায়নে সব ক্ষেত্রেই নিম্নমানের ডেভেলপিং রেটিং দেন। শিক্ষক মনে করেন, এটি তার প্রকৃত কর্মদক্ষতার প্রতিফলন নয়; বরং অভিযোগ করার কারণে তাকে শাস্তি দেওয়ার একটি অংশ। পরে তিনি শিক্ষক ইউনিয়ন ইউনাইটেড ফেডারেশন অব টিচার্সের কাছে এ মূল্যায়নের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। 

মামলায় আরো বলা হয়েছে, তাকে একাধিক শাস্তিমূলক বৈঠকে ডাকা হয়, সতর্কতামূলক চিঠি দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ এনে দিত এমন বিভিন্ন পার সেশন দায়িত্ব ও নেতৃত্বের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। শহরের সরকারি বেতন রেকর্ড অনুযায়ী তার বার্ষিক বেতন ৮৫ হাজার ডলারের বেশি হলেও অতিরিক্ত এসব দায়িত্ব হারানোর কারণে তার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। 

আরো বিস্ময়কর অভিযোগ হলো, জুপিটার গ্রেডবুক সিস্টেমের সহায়তা বিভাগ থেকে তিনি জানতে পারেন যে প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা তার অনুমতি ছাড়াই ৪০ বারেরও বেশি তার গ্রেডবুকে প্রবেশ করেছিলেন। মামলায় দাবি করা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের ফলাফল পরিবর্তন বা তা পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যেই এসব প্রবেশ ঘটেছিল। 

মামলায় আরো বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে অধ্যক্ষ তার বিরুদ্ধে মিথ্যাভাবে অভিযোগ করেন যে তিনি নিজেই শিক্ষার্থীদের নম্বর বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এ অভিযোগে তিনি চরম মানসিক চাপে পড়েন এবং ১১ মার্চ কর্মস্থলেই তার প্যানিক অ্যাটাক হয়। পরে তাকে কাজ ছেড়ে বাড়ি ফিরে যেতে হয়। মানসিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে পড়ে যে তাকে পুনরায় থেরাপি শুরু করতে হয় এবং চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ গ্রহণ করতে হয়। 

মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে, তার সহশিক্ষক লিবার্তো রোলনের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি জানতে পারেন যে শিক্ষার্থীদের নম্বর কার্ভ বা বাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। এ মামলা আবারও নিউইয়র্ক সিটির স্কুল ব্যবস্থায় গ্রেড পরিবর্তনের পুরোনো বিতর্ককে সামনে নিয়ে এসেছে। গত এক দশকে বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষার্থীদের পাশ করানোর জন্য নম্বর পরিবর্তন, তথাকথিত ক্রেডিট রিকভারি কর্মসূচির অপব্যবহার এবং একাডেমিক মানের সঙ্গে আপসের অভিযোগ একাধিকবার সংবাদ শিরোনাম হয়েছে। 

নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইন অনুযায়ী শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হারকে নম্বর নির্ধারণের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। একই সঙ্গে শিক্ষক ইউনিয়নের চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, কোনো অধ্যক্ষ যদি শিক্ষকের দেওয়া নম্বর পরিবর্তন করেন, তাহলে লিখিতভাবে সেই পরিবর্তনের কারণ সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে জানাতে হবে। শিক্ষক সুসান মুজাফারের অভিযোগ, তার ক্ষেত্রে এই নিয়ম সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, এটি একটি দেওয়ানি মামলা এবং এতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিচারিক প্রক্রিয়া এখনো চলমান। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে গণ্য করা যায় না। নিউইয়র্ক সিটি শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত আদালতে আনুষ্ঠানিক জবাব প্রকাশ করা হয়নি। 

তবে শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি মামলায় উত্থাপিত অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে তা শুধু একটি স্কুলের প্রশাসনিক অনিয়ম নয়; বরং পুরো শিক্ষা ব্যবস্থায় মূল্যায়নের স্বচ্ছতা, শিক্ষকদের পেশাগত স্বাধীনতা এবং সরকারি স্কুলে একাডেমিক মান রক্ষার প্রশ্নে গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। একই সঙ্গে এটি হুইসেলব্লোয়ার শিক্ষকদের আইনি সুরক্ষা, প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং শিক্ষার্থীদের প্রকৃত অর্জনের ভিত্তিতে মূল্যায়ন নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তাকেও নতুন করে সামনে নিয়ে আসবে। 

মামলায় আরো বলা হয়েছে, তাকে একাধিক শাস্তিমূলক বৈঠকে ডাকা হয়, সতর্কতামূলক চিঠি দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ এনে দিত এমন বিভিন্ন পার সেশন দায়িত্ব ও নেতৃত্বের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। শহরের সরকারি বেতন রেকর্ড অনুযায়ী তার বার্ষিক বেতন ৮৫ হাজার ডলারের বেশি হলেও অতিরিক্ত এসব দায়িত্ব হারানোর কারণে তার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। 

আরো বিস্ময়কর অভিযোগ হলো, জুপিটার গ্রেডবুক সিস্টেমের সহায়তা বিভাগ থেকে তিনি জানতে পারেন যে প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা তার অনুমতি ছাড়াই ৪০ বারেরও বেশি তার গ্রেডবুকে প্রবেশ করেছিলেন। মামলায় দাবি করা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের ফলাফল পরিবর্তন বা তা পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যেই এসব প্রবেশ ঘটেছিল। 

মামলায় আরো বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে অধ্যক্ষ তার বিরুদ্ধে মিথ্যাভাবে অভিযোগ করেন যে তিনি নিজেই শিক্ষার্থীদের নম্বর বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এ অভিযোগে তিনি চরম মানসিক চাপে পড়েন এবং ১১ মার্চ কর্মস্থলেই তার প্যানিক অ্যাটাক হয়। পরে তাকে কাজ ছেড়ে বাড়ি ফিরে যেতে হয়। মানসিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে পড়ে যে তাকে পুনরায় থেরাপি শুরু করতে হয় এবং চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ গ্রহণ করতে হয়। 

মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে, তার সহশিক্ষক লিবার্তো রোলনের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি জানতে পারেন যে শিক্ষার্থীদের নম্বর কার্ভ বা বাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। 

এ মামলা আবারও নিউইয়র্ক সিটির স্কুল ব্যবস্থায় গ্রেড পরিবর্তনের পুরোনো বিতর্ককে সামনে নিয়ে এসেছে। গত এক দশকে বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষার্থীদের পাশ করানোর জন্য নম্বর পরিবর্তন, তথাকথিত ক্রেডিট রিকভারি কর্মসূচির অপব্যবহার এবং একাডেমিক মানের সঙ্গে আপসের অভিযোগ একাধিকবার সংবাদ শিরোনাম হয়েছে। 

নিউইয়র্ক স্টেটের আইন অনুযায়ী শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হারকে নম্বর নির্ধারণের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। একই সঙ্গে শিক্ষক ইউনিয়নের চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, কোনো অধ্যক্ষ যদি শিক্ষকের দেওয়া নম্বর পরিবর্তন করেন, তাহলে লিখিতভাবে সেই পরিবর্তনের কারণ সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে জানাতে হবে। শিক্ষক সুসান মুজাফারের অভিযোগ, তার ক্ষেত্রে এই নিয়ম সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, এটি একটি দেওয়ানি মামলা এবং এতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিচারিক প্রক্রিয়া এখনো চলমান। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে গণ্য করা যায় না। নিউইয়র্ক সিটি শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত আদালতে আনুষ্ঠানিক জবাব প্রকাশ করা হয়নি। 

তবে শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি মামলায় উত্থাপিত অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে তা শুধু একটি স্কুলের প্রশাসনিক অনিয়ম নয়; বরং পুরো শিক্ষা ব্যবস্থায় মূল্যায়নের স্বচ্ছতা, শিক্ষকদের পেশাগত স্বাধীনতা এবং সরকারি স্কুলে একাডেমিক মান রক্ষার প্রশ্নে গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। একই সঙ্গে এটি হুইসেলব্লোয়ার শিক্ষকদের আইনি সুরক্ষা, প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং শিক্ষার্থীদের প্রকৃত অর্জনের ভিত্তিতে মূল্যায়ন নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তাকেও নতুন করে সামনে নিয়ে আসবে। 

শেয়ার করুন