১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০৪:১৬:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


মসজিদের দেওয়ালে লেখা ‘গো হোম’, তদন্তের দাবি
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৯-১১-২০২৫
মসজিদের দেওয়ালে লেখা ‘গো হোম’, তদন্তের দাবি স্টেটসভিলে অবস্থিত আল-মু’মিনুন মসজিদে হুমকি দিয়ে ভ্যান্ডালিজমের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে


নর্থ ক্যারোলিনার স্টেটসভিলে অবস্থিত আল-মু’মিনুন মসজিদে গত ১৫ নভেম্বর ঘটে যাওয়া ভ্যান্ডালিজমের ঘটনা মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনার প্রতি কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবং স্থানীয়, রাজ্য ও ফেডারেল আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে এটিকে ঘৃণাভিত্তিক অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করার আহ্বান জানিয়েছে স্টেটসভিল মানবাধিকার সংগঠনগুলো। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মসজিদের দেয়ালে স্প্রে দিয়ে লেখা হয়েছে গো হোম, ক্রস চিহ্ন, একটি মৃত শূকরের অঙ্কন এবং সংখ্যা ১৬৮৩, যা ইউরোপে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে সংঘটিত একটি যুদ্ধে ইঙ্গিত হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ইসলাম ধর্মে শূকরের মাংস নিষিদ্ধ, এবং ঘৃণামূলক সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর মানুষ প্রায়শই মুসলিমদের অপমান করার উদ্দেশ্যে শূকরের ছবি বা উল্লেখ ব্যবহার করে।

মুসলিম কমিউনিটি লিডার আল রিডার বলেন, আমরা স্থানীয়, রাজ্য ও ফেডারেল আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা এই স্পষ্টভাবে ভেদাভেদমূলক হামলার তদন্ত করে এবং এটিকে ঘৃণাভিত্তিক অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে। নির্বাচিত সরকারি কর্মকর্তা ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দকেও আমরা অনুরোধ জানাই, যেন তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে বাড়তে থাকা ঘৃণা ও অসহিষ্ণুতা তীব্রভাবে নিন্দা জানায়। তিনি আরো বলেন, কোনো মানুষকে তার ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করার জন্য হেনস্থা বা ভীতি দেখার ভয় থাকা উচিত নয়।

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, তারা ইতিমধ্যেই ঘটনা স্থলে তদন্ত শুরু করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করছে। তদন্তের এই প্রাথমিক ধাপের মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। ঘটনাটি মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং সম্প্রদায়ের নেতারা আশা করছেন যে, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দ্রুত ব্যবস্থা নেবে এবং এ ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধ করবে।

শেয়ার করুন