১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০৫:১৯:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
দেশ অনলাইন
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৪-১২-২০২৪
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে তিনি সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে মিরপুরের শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

প্রধান উপদেষ্টা মাটি ও মানুষের এই অগ্রগণ্য সন্তানদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করেন এবং এই সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয় ।

প্রধান উপদেষ্টা শ্রদ্ধা নিবেদনের পর উপদেষ্টামণ্ডলী, শীর্ষ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।


প্রধান উপদেষ্টার বানী

বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা ১৯৭১ সালে যুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে- বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এমন মন্তব্য করেন প্রধান উপদেষ্টা।


বাণীতে ড. ইউনূস বলেন, “শহীদ বুদ্ধিজীবীসহ মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কময় দিন। মহান মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিনগুলোয় পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে।

স্বাধীনতা যুদ্ধে বাঙালি জাতির বিজয়ের প্রাক্কালে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, প্রকৌশলী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদসহ দেশের মেধাবী সন্তানদের নির্মমভাবে হত্যা ও গুম করে স্বাধীনতাবিরোধীরা। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, মুনীর চৌধুরী, শহীদুল্লা কায়সার, ডা. ফজলে রাব্বি, সেলিনা পারভীন, ড. জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতাসহ অনেকে ছিলেন।

স্বাধীনতাবিরোধীদের মূল উদ্দেশ্যই ছিল বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করা। পরিকল্পিত ও নৃশংস এই হত্যাযজ্ঞের মধ্যদিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের জঘন্যতম প্রতিশোধ নেয় স্বাধীনতাবিরোধীরা।”

বাণীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির যে কোনো চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার পাশাপাশি নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।

শেয়ার করুন