০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৪:২৬:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সরকারি কর্মজীবীদের বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের আগে টিআইবির শর্ত মানার আহ্বান রোগীর সুস্থতায় পরিবারের সদস্যদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বালিয়াড়ি ধবংস করলে প্রাকৃতিক উপকূলীয় সুরক্ষা দুর্বল হতে পারে ইসরায়েলের সমালোচনা, বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিল ও বহিষ্কার অসাংবিধানিক রাজু হত্যার অভিযুক্ত আতোস্তা গ্রেফতার নিউইয়র্কে মাদকে মৃত্যু ৪৫ শতাংশ কমেছে ক্যালিফোর্নিয়ায় ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাকে স্বীকৃতি দিতে বিল পাস মসজিদে তিন মুসলিম হত্যাকাণ্ড : লিন্ডসের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উল্টো পথে আসা গাড়ির ধাক্কায় বাংলাদেশি মা-মেয়ে নিহত আশ্রয়প্রার্থী শতাধিক অভিবাসীকে আফ্রিকার ৮ দেশে পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র


উইন রোজারিও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ নেই
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৯-০৪-২০২৪
উইন রোজারিও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ নেই প্রতিবাদ সভায় অংশগ্রহণকারীরা, (ইনসেটে) উইন রোজারিও


গত ২৭ মার্চ নিউইয়র্কের পুলিশ বাংলাশেী আমেরিকান উইন রোজারিওকে তার মায়ের সামনে গুলি করে। গুলি করার সঙ্গে সঙ্গেই উইন রোজারিও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এই নৃশংস হত্যাণ্ডের পর কমিউনিটির সর্বস্তরের লোকজনকে প্রতিবাদ মুখোর হতে দেখা যায়। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির লোকজন বিভিন্ন ব্যানারে প্রতিবাদ সমাবেশ করে। ঐ পর্যন্তই শেষ। সেই সব প্রতিবাদ সমাবেশে নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কন্সাল জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হুদা, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রব মিয়া, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানসহ খ্রিস্টার সম্প্রদায়ের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। তারা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন।

গত ৬ এপ্রিল ছিলো উইন রোজারিওর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া এবং লংআইল্যান্ডে দাফন। এখানো উইর রোজারিও মা ছেলের জন্য বিলাপ করছেন। তার বিলাপে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পাশে কমিউনিটি নেই। ৬ এপ্রিল উইন রোজারিওর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। উপস্থিত ছিলেন না বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ। ছিলেন না নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কন্সাল জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হুদা, বাংলাদেশ সোসাইটি এবং রাজনৈতিক দলের কোন সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি আমেরিকান বাংলাদেশি পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের কোন কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন না। অনেকেই প্রশ্ন করেছেন তাহলে বাপার কাজ কী? কমিউনিটির এই বিপদের সময় তারা কমিউনিটির পাশে নেই কেন? তাহলে এই সংগঠনের কাজ কী? শুধু চাঁদাবাজি করে ইফতার ও ডিনারের ব্যবস্থা করা? কন্সাল জেনারেলই বা যাননি কেন? বাংলাদেশ সোসাইটির কর্মকর্তারাও যাননি কেন? তবে খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের কিছু নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন মানবাধিকার সংগঠন ড্রামসহ আরো কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। জ্যাকসন হাইটসের মতো জায়গায় প্রতিবাদ করে বাঙালিকে হাইকোর্ট না দেখিয়ে উইন রোজারিওর হত্যাকারীদের বিচারে তাদের পরিবারের পাশে থাকা উচিত এবং বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন করে যাওয়া উচিত।

শেয়ার করুন