১৩ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৯:০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন ১৮ অক্টোবর মাইর শুরু হয়েছে কেবল, আসল মারই তো শুরুই হয়নি সাবওয়ে স্টেশন ঠান্ডা রাখতে নতুন পরিকল্পনা শিশুদের টিকা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ শতবর্ষী চেম্বারস স্ট্রিট সাবওয়ে স্টেশন সংস্কারে বড় প্রকল্প মুসলিম হওয়ায় মৃত্যুর হুমকি, অভিযোগ ফ্লোরিডার রিপাবলিকান কংগ্রেস প্রার্থীর হিজাব পরা নারীকে হামলার অভিযোগ : জোনাথন স্ট্রিপের বিরুদ্ধে হেট ক্রাইমের মামলা ইসলাম ও মুসলিম খ্রিস্টান সম্পর্কের অগ্রণী গবেষক এস্পোসিতোর মৃত্যু মসজিদে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, ৪০ বছর কারাদণ্ডের মুখে ভিনসেন্ট তারেক রহমানের ভারত সফরে প্রাণান্ত চেষ্টা মোদী সরকারের


গ্যাস সরবরাহ চেইন হুমকির মুখে
সালেক সুফী
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৬-১১-২০২৩
গ্যাস সরবরাহ চেইন হুমকির মুখে প্রতিকী ছবি


পেট্রোবাংলা ওয়েব সাইট তথ্য সূত্র হিসাবে ব্যবহার করে বাংলাদেশের একটি জাতীয় দৈনিকে পেট্রোবাংলার সঙ্গে বিদ্যমান উৎপাদন বন্টন চুক্তির আওতায় শেভ্রন পরিচালিত বিবিয়ানা গ্যাস ক্ষেত্রের প্রমাণিত উত্তোলনযোগ্য গ্যাস রিজার্ভ নিয়ে প্রকাশিত রিপোর্ট বিষয়ে বৃহৎ গ্যাস গ্রাহকদের মাঝে শংকা দেখা দিয়েছে। নভেম্বর ২৫-২৬ ,২০২৩ পেট্রোবাংলার দৈনিক গ্যাস উৎপাদন এবং সরবরাহ প্রতিবেদন থেকে দেখা যায় বিবিয়ানা প্রতিবেদনে উল্লেখিত ১২০০ এমএমসিএফডি ক্ষমতার বিপরীতে বিবিয়ানা থেকে সরবরাহ হয়েছে ১০৬২ মিলিয়ন ঘনফুট। এদিন স্থানীয় গ্যাস ক্ষেত্র সমূহের সম্মিলিত উৎপাদনের সঙ্গে আমদানিকৃত ৫০১ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি যোগ করে মোট সরবরাহ করা হয়েছে ২৫৭৭ মিলিয়ন ঘনফুট।


চাহিদা সরবরাহে ব্যাবধান প্রায় ১৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। বিবিয়ানা গ্যাস ক্ষেত্র থেকে দীর্ঘদিন থেকে সর্বোচ্চ মাত্রায় গ্যাস সরবরাহ করায় প্রমাণিত মজুদ অপেক্ষাকৃত দ্রুত হরে নিঃশেষিত হয়েছে।  পেট্রোবাংলার কাছে নিশ্চিতভাবে শেভ্রন বিবিয়ানা রিজার্ভ বিষয়ে নিয়মিত তথ্য পাঠিয়েছে। আমি বিবিয়ানা গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কার সময় থেকেই জড়িত ছিলাম এবং উৎপাদনের সূচনা থেকেই নিজস্ব তাগিদেই খোঁজ খবর রেখেছি। ওয়াটার ড্রাইভ প্রকৃতির গ্যাস রিজার্ভ থেকে গ্যাস সরবরাহের একপর্যায় এসে দ্রুত ডিপ্লেশন হয়ে থাকে।  সেই বিবেচনায় দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা গৃহীত না হলে  ২০২৫ থেকে বিবিয়ানার উৎপাদন অতি দ্রুত কমে যেতে পারে। জানিনা এই সময়ের মধ্যে পেট্রোবাংলা কতটুকু নতুন গ্যাস যোগ করতে পারবে।


হয়তো বর্তমানে চালু দুইটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ব্যবহার করে কিছু সরবরাহ বাড়তে পারে। আমরা কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনায় এবং আমার নিজস্ব প্রতিবেদনে সতর্ক করেছি। কিন্তু পেট্রোবাংলা নিজস্ব ব্যাবস্থাপনায় গ্যাস অনুসন্ধান কাজ তরান্নিত করতে পারেনি। জিডিএফ ফান্ড ব্যাবহারে সরকারের নীতিমালা যথাযথ হয় নি. পেট্রোবাংলা এবং কোম্পানিসমূহের তহবিল সরকার তুলে নিয়ে পেট্রোবাংলা এবং  কোম্পানি সমূহকে আর্থিকভাবে পঙ্গু করে ফেলেছে। 

জানিনা কিভাবে ২০২৪, ২০২৫ গ্যাস সরবরাহ ঘাটতি মেটাবে পেট্রোবাংলা? কিভাবে গ্যাস ব্যাবহারে বিদ্যুৎ ,সার ,শিল্প কারখানা গুলোর বর্তমান উৎপাদন চলবে? কেন সরকার বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অবজ্ঞা করেছে ? কেন আগামী সরকারের জন্য পরিস্থিতি বিব্রততর করা হলো? কে দিবে জবাব ?

শেয়ার করুন