১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০৪:২৯:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


বেগম সুফিয়া কামাল স্মরণে আলোচনা অনুষ্ঠান
নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২১-০৬-২০২৩
বেগম সুফিয়া কামাল স্মরণে আলোচনা অনুষ্ঠান বক্তব্য রাখছেন সুলতানা কামাল


বরেণ্য কবি, লেখক ও নারী আন্দোলনের পুরোধা বেগম সুফিয়া কামাল স্মরণে বাংলা একাডেমি ৬ই আষাঢ় ১৪৩০/২০শে জুন ২০২৩ মঙ্গলবার, সকাল ১১টায় একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির উপপরিচালক ড. সাইমন জাকারিয়া। একক বক্তৃতা প্রদান করেন বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাসনা জাহান খানম। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলা একাডেমির সচিব মোখলেছুর রহমান আকন্দ। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। 

সাইমন জাকারিয়া বলেন, সুফিয়া কামাল মানেই প্রগতির পথে, মুক্তির রথে অনন্ত আলোকযাত্রা। প্রতিকূল পরিবেশে মানবমঙ্গলের বিজয়কেতন উড়িয়ে তিনি বাংলার ইতিহাসে জননী সাহসিকা-রূপে স্বরণীয় হয়ে আছেন। 

অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, সুফিয়া কামাল তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের শোক-দুঃখ-কষ্ট অতিক্রম করে দেশের মানুষের সামগ্রিক কল্যাণ ও মঙ্গলের জন্য কাজ করে গেছেন। এই কাজে তাঁর কোনো বিরতি ছিল না, অবসর ছিল না। তিনি রক্ষণশীলতার দূর্গ ভেঙেছেন, প্রগতির পতাকা উড়িয়েছেন এবং জোর গলায় বলতে চেয়েছেন ‘নিশ্বাস নিঃশেষ হোক পুষ্প বিকাশের প্রয়োজনে’। 

হাসনা জাহান খানম বলেন, সুফিয়া কামাল আমৃত্যু নারী অধিকার, মানবসাম্য এবং আধুনিক সমাজ ও স্বদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করে গেছেন। সাহিত্যকর্মের মধ্য দিয়ে তিনি যেমন বাংলা সাহিত্যে নতুন অধ্যায় যোগ করেছেন, তেমনি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের সামগ্রিক অগ্রসরমানতা নিশ্চিত করেছেন। 

মোখলেছুর রহমান আকন্দ বলেন, সুফিয়া কামালের কাছে আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। নারী অধিকার এবং সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠায় তাঁর লড়াই আমাদের চিরকালীন অনুপ্রেরণার উৎস।

সেলিনা হোসেন বলেন, কবি সুফিয়া কামাল কবিতা ও কর্মিতায় এক কোমল-কঠোর নাম। সুফিয়া কামালের কবিতা যেমন মানব-অনুভবের কোমল মহাদেশকে স্পর্শ করে তেমনি তার নারী আন্দোলন, কুসংস্কার-বিরোধী অবস্থান এবং মানবমুক্তির আবাহন কঠোর সত্যের বার্তাবহ।

শেয়ার করুন