১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০৩:১০:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রদানের নিয়ন্ত্রণ ঘোষণায় প্রতিক্রিয়া
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ৩১-০৫-২০২৩
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রদানের নিয়ন্ত্রণ ঘোষণায় প্রতিক্রিয়া


বাংলাদেশের কত মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াত করে? হয়তো বড়জোর ৩% বা ৪%। অনেকে সেখানে প্রবাসী। এদের অনেকে আবার ডিবি লটারির সৌভাগ্যমান। দেশের কৃষক শ্রমিক আপামর জনতার যুক্তরাষ্ট্রে যাবার প্রয়োজন নেই।  তবে সরকারি আমলা, দুর্নীতিবাজ পেশাদার রাজনৈতিক অনেকেই সে দেশে অর্থ পাচার করেছে, সম্পত্তি ক্রয় করেছে, ছেলে- মেয়ে পড়াচ্ছে।  নির্বাচনকে উপলক্ষ করে এখন যে বিধি নিষেধ জারি করা হলো তাতে ভয় ওই শ্রেণীর লোকদের। ঘোষণাটি পড়লেই প্রতীয়মান হবে নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায় দায়িত্ব প্রধানত সরকার এবং সরকারি দলের উপর বর্তায়। আর নিরপেক্ষ পরিবেশে জনগণ নির্ভয়ে ভোট দিতে পারলে কি ঘটবে সেটি সবাই আঁচ করতে পারছেন। সরকার যদি সুস্থ পরিবেশ সৃষ্টি করে তাহলে বিরোধী দল নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি নিবে না। তাহলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন হলে জনগণ সরকার নির্বাচন করবে।  যত সহজে বলছি ঘটনাটি কিন্তু এত সহজ না।

দেখা যাচ্ছে ইদানিং যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিটেন্স পাঠানো বেড়ে গেছে বহুগুণ।  করা পাঠাচ্ছে এই টাকা। তাদের তালিকা প্রনয়ন করে প্রকাশ করলেই জানা যাবে এগুলো প্রেরণকারীদের বৈধ আয় না বাংলাদেশ থেকে পাচার করা অর্থ? জানা মতে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষার খরচ ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া থেকে অপেক্ষাকৃত  কম। তার পরেও বাংলাদেশের অনেক সাধরণস্তরে চাকুরীজীবী কিভাবে ছেলে মেয়েদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়া লেখার খরচ যোগায় সেটি অনুসদ্ধান করা যেতে পারে।  সবাই স্কলারশিপ পেয়ে পড়ছে না।

বাংলাদেশ থেকে শান্তি মিশনে সেনাবহিনী, পুলিশের অনেক কর্মকর্তা কাজ করে ভাগ্য ফেরায়। এখন যদি নির্বাচন নিয়ে কোনো অজুহাতে আমেরিকার সক্রিয়তায় তাদের সুযোগ হারায় সেটি হবে দুঃখজনক। পরিস্থিতি আরো সংকটময় হলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি সীমিত হতে পারে। সবচেয়ে সংকট থাকবে দুর্নীতিবাজচক্র যারা সেদেশে অর্থ পাচার করেছে।

সব কিছু বিবেচনায় নিয়ে সুষ্ট, নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হলে দুই কুল রক্ষা হবে। আমি ব্যাক্তিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণাকে বাংলাদেশের জন্য কলঙ্ক মনে করি। তবে এর ভালো দিক আছে। আশা করি সবাই সংযত হবে।

শেয়ার করুন