১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ১১:২৬:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


ঘূর্ণিঝড় মখা স্বরূপ এবং মোকাবিলা প্রস্তুতি
সালেক সুফী
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৪-০৫-২০২৩
ঘূর্ণিঝড় মখা স্বরূপ এবং মোকাবিলা প্রস্তুতি


বাংলাদেশ আবহাওয়া পরিদপ্তর, স্যাটেলাইট ইমেজ থেকে প্রাপ্ত তথ্যাদি বিশ্লেষণে বেশ কিছু ভিন্নতার তথ্য মিলছে। ডিজিটাল বাংলাদেশে জনগণ সোশ্যাল মিডিয়া থেকে এই ধরণের পরস্পর বিরোধী তথ্য পাওয়ায় এবং সাধারণভাবে নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতার অভাব থাকায় ব্যাপক প্রস্তুতি থাকা সত্যেও সংশ্লিট এলাকার জনগণকে নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে নিতে বেগ পাচ্ছে প্রশাসন। 

প্রতিবেশী দেশের আবহাওয়া দপ্তর মখার কেন্দ্রীয় ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ২৪০ -২৭০ কিলোমিটার জানালেও বাংলাদেশ আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে ১৯০-২১৫ কিলোমিটার।  ক্যাটাগরি অনুযায়ী ঘূর্ণি ঝড়ের গতিবেগ ২১০ কিলোমিটারের বেশি হলেই মহা সাইক্লোন বিবেচিত হয়। এই বিভ্রান্তির কারণে হয়তো সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণ এখনো আশ্রয় কেন্দ্রে যাচ্ছে না।

বলা হচ্ছে মহা ঘূর্ণিঝড়টি আজ সকাল ৯ টা থেকে বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন এবং কক্স।সবাজার উপকূলে আছড়ে পরে দুপুর দুইটা নাগাদ বাংলাদেশ থেকে চট্টগ্রাম ,  রাঙামাটি , খাগড়াছড়ি ,বান্দরবন হয়ে মায়ানমার চলে যাবে। বলা হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টি হবে। আতঙ্ক হলো পাহাড়ি এলাকায় ব্যাপক ভূমি ধসের।  সবচেয়ে বোরো শঙ্কা সেন্ট মার্টিন, কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকা নিয়ে এবং ভূমি ধসের কারণে পাহাড়ি এলাকায়। 

প্রবাসে থেকে আমরা ভীষণ উৎদ্ভিগ্ন। বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক মিডিয়া অনবরত আপডেট প্রদান করছে। সরকার যথেষ্ট তৎপর আছে জনগণের জানমাল রক্ষার। তবে জনগণের সচেতনতার যথেষ্ট অভাব আছে। এছাড়া এতো মেগা প্রজেক্টস হচ্ছে বাংলাদেশে। কিন্তু উপকূলীয় এলাকায় কেন টেকসই বেড়িবাঁধ গড়ে তোলা হচ্ছে না। জানিনা মাতারবাড়ি মহেশখালী এলাকা সুরক্ষার ব্যবস্থা পর্যাপ্ত কিনা ? 

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভূমিহীনদের জন্য বাড়িঘর প্রদান করছেন। এতদ সত্ত্বেও কেন পাহাড়ের পাদদেশ থেকে কেন মানুষদের সরানো যাচ্ছে না ? ঘূর্ণিঝড় থেকে হয়তো জনগণকে রক্ষা করা যাবে কিন্তু প্রবল বর্ষণে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হবে।

পরিশেষে বলি বাংলাদেশ আবহাওয়া পরিদপ্তরের পূর্বাভাস কতটা নিখুঁত সেটি এবার প্রমান হবে। 


শেয়ার করুন