০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৮:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আজ ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী অ্যাডভান্সড প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার চিকিৎসায় যুগান্তকারী অগ্রগতি ইসলামবিদ্বেষী গ্রাফিতি ঘিরে মুসলিম কম্যুনিটিতে আতঙ্ক যুক্তরাষ্ট্রে মর্টগেজ সুদের হার ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ইসরায়েল ডে প্যারেড বর্জনের ঘোষণা জোহরান মামদানির ওজনপার্ক মসজিদ আল-আমানের নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে ভিসা ও অভিবাসন ব্যবস্থা, বললেন রুবিও নিউইয়র্কে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য এক্সেলসিয়র স্কলারশিপ আবেদন শুরু ৪ লাখ সাশ্রয়ী আবাসনের পরিকল্পনা ঘোষণা মেয়রের উপকূলের ১৯ জেলার প্রাণ-প্রকৃতি ঝুঁকিতে


শিবচরে এক্সপ্রেসওয়েতে বাস দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত
সড়ক দুর্ঘটনাড প্রাণহানিতে রাষ্ট্র নির্বিকার - আ স ম রব
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০-০৩-২০২৩
সড়ক দুর্ঘটনাড প্রাণহানিতে রাষ্ট্র নির্বিকার - আ স ম রব


সরকারের অবহেলাজনিত কারণে সড়ক নৈরাজ্যে প্রতিনিয়ত অসংখ্য মানুষের মৃত্যু ঘটলেও রাষ্ট্রের নির্লিপ্ততা অগ্রহণযোগ্য উল্লেখ করে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব ও সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন গণমাধ্যমে নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেছেন। 

গণপ্রজাতন্ত্রী সরকার যদি লাইসেন্সবিহীন অদক্ষ চালক এবং ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলাচল বন্ধ করার কর্তব্য পালন করতো তাহলে অসংখ্য মানুষের মূল্যবান জীবন বিপন্ন হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হতো না। প্রতিদিন দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হচ্ছে,কত পরিবারের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যাচ্ছে এবং কত সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে তারপরও সরকার দুর্ঘটনা রোধে ন্যূনতম কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। বরং লাইসেন্সবিহীন চালক ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি প্রতিনিয়ত পুলিশ বা সড়ক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চোখের সামনে দিয়ে চলাচল করছে এবং ফলতঃ প্রতিনিয়ত মানুষ দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। এতে সড়ক নিরাপদ করতে সরকারের কোন আগ্রহ নেই শুধু  তারই প্রমাণ হয় না বরং সরকারের অস্তিত্বাই সন্দিহান হয়ে পড়ে।

গত ১৫ বছর ধরে একনাগাড়ে ক্ষমতা থাকার পরও সরকার লাইসেন্সবিহীন চালক এবং ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ করার ন্যূনতম কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি, বরং সড়ক পরিবহনের নৈরাজ্যকেই প্রশ্রয় দিয়েছে। ফলে সড়কে বাণিজ্য হচ্ছে কিন্তু সড়ক নিরাপদ হচ্ছে না।


মানুষ হত্যা অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য সড়ক পরিকল্পনায়, নকশায়, রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনা ও তদারকিতে অতি দ্রুত শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। অনুমোদনবিহীন চালক এবং ফিটনেস বিহীন গাড়ি চলাচলে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।চালকের লাইসেন্স এবং ফিটনেস দেয়ার প্রক্রিয়া দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে।


১৫-১৬ লাখ দক্ষ চালকের ঘাটতি রেখে নতুন গাড়ি অনুমোদনের ন্যায় সর্বনাশা পদক্ষেপ সাময়িকভাবে বন্ধ করতে হবে। স্বঘোষিত চালক সৃষ্টিকে কঠোরভাবে দমন করতে হবে। বছরে কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু এবং ১৫ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে সরকারের অবহেলা কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।


 উল্লেখ্য, গত রোববার ভোররাতে ইমাদ পরিবহনের একটি বাস খুলনার ফুলতলা থেকে ছেড়ে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালে আসে। এরপর যাত্রী নিয়ে ভোর ৫টা ৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। পথে বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুরের বিভিন্ন কাউন্টার থেকে ঢাকাগামী যাত্রী ওঠানো হয় বাসটিতে। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে শিবচরের কুতুবপুরে এক্সপ্রেসওয়েতে বাসের চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। তখন বাসটি পাশের খাদে পড়লে ১৯ জন নিহত হন। এর মধ্যে ঘটনাস্থলেই  ১৭ জন নিহত হন। 

শেয়ার করুন