০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০:৪৭:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাসসের নবনিযুক্ত এমডি ও প্রধান সম্পাদককে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবর্ধনা বাসস'র এমডি ও প্রধান সম্পাদক পদে নিয়োগ পেলেন কাদের গনি চৌধুরী কপ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল-তিব্বতে বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৩৯২, নিখোঁজ প্রায় ১,৪০০ আফগান-আমেরিকান হিসেবে প্রথমবার মার্কিন কংগ্রেসে আইশা ওয়াহাব আমেরিকানদের গৃহস্থালি ঋণ ১৮.৮ ট্রিলিয়ন, ক্রেডিট কার্ড ১.২৬ ট্রিলিয়ন ওহাইওতে মসজিদে সাত বছরে তৃতীয় হামলা জনপ্রিয় হচ্ছে তিন বছরের কলেজ ডিগ্রি, তবে আছে বিতর্ক মুসলিম নারীকর্মীর বৈষম্যের অভিযোগে ওক পার্ক সিটির বিরুদ্ধে মামলা সশস্ত্র ডাকাতের গুলিতে বাংলাদেশি মহসিন রানা নিহত


দেশে ফিরতে উদগ্রীব সালাহউদ্দিন
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০১-০৩-২০২৩
দেশে ফিরতে উদগ্রীব সালাহউদ্দিন


ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে অনুপ্রবেশের মামলায় খালাস পাওয়ায় দেশে ফেরার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

বুধবার মুঠোফোনে একটি গণ মাধ্যমে  তিনি বলেন, ‘‘গতকাল শিলং জজ কোর্টের আপীল বিভাগ আমাকে বেকসুর খালাস দিয়ে রায় দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ। এখন আমি নিজের দেশে ফেরার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছি। ভারত যখনই আমাকে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেবেন তখন দেশে ফিরবো। এই সময়টা কখন হবে সেটার অপেক্ষায় আমি। দোয়া চাই, আমি যাতে আমার দেশের মাটিতে ফিরতে পারি।”

২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাজধানীর উত্তরা থেকে নিখোঁজ হন সালাহউদ্দিন আহমেদ। নিখোঁজের ৬৩ দিন পর ১১ মে ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে স্থানীয় পুলিশ উদ্ভ্রান্ত অবস্থায় সালাহউদ্দিন আহমেদকে উদ্ধার করে একটি মানসিক হাসপাতালে এবং পরদিন শিলং সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করে। ভারতে প্রবেশে তার কোনো বৈধ কাগজপত্র সেসময় মেঘালয় পুলিশ না পাওয়া ফরেনার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী মামলা দিয়ে তাকে গ্রেফতার দেখায়।


২০১৫ সালের ২২ জুলাই শিলংয়ের আদালতে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়।


মঙ্গলবারে শিলং জজকোর্টের রায় সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘ যে মামলায় মেঘালয় পুলিশ করেছিলো ২০১৮ সালের ২৬ অক্টোবর সেই মামলায় নিম্ন আদালত আমাকে খালাস দিয়েছিলেন। পরে সেই রায়ের বিরুদ্ধে ভারত সরকার আপীল করে। ওই আপীল নিষ্পত্তি করে শিলং জজ কোর্ট গতকাল আমাকে আবারো বেকসুর খালাস দেয়। রায়ে বলা হয়, দ্রুত যেন আমাকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়।সেই নির্দেশনা আদালত দিেেয়্ছন।”


সালাহউদ্দিন আহমেদ বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা হয়ে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯১ সালে ততকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সহকারি একান্ত সচিব ছিলেন। সরকারি চাকুরি ছেলে তিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। ২০০১ সালে তিনি কক্সবাজার থেকে বিএনপির সাংসদ হন এবং চার দলীয় জোট সরকারের যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

ভারতে আটকের সময়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ দলের যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। ২০১৬ সালে ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে তাকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচিত করা হয়।





শেয়ার করুন