১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৬:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


বাংলাদেশে স্বাধীন সাংবাদিকতায় প্রতিবন্ধকতা আছে
বিশেষ প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২২-০২-২০২৩
বাংলাদেশে স্বাধীন সাংবাদিকতায় প্রতিবন্ধকতা আছে


একজন সাংবাদিককের ওপরে যে আচরণ করা হয়েছে তা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক, অন্যায় ও অনভিপ্রেত। সরকারের নীতি যেখানে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সেখানে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সদস্যদের এধরনের আচরণ প্রমাণ করে যে, এদেশে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও তথ্য পাওয়ার অধিকারের ক্ষেত্রে বিরাট প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। যা গণতন্ত্র ও অবাধ মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি হুমকিস্বরূপ।

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন এমএসএফ’র সংস্থার পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়েছে। গুলশানে অগ্নিকান্ড, পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিককে হেনস্থার প্রতিবাদে এই বিবৃতি দিয়ে  এমএসএফ এর তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয় দৈনিক কালের কণ্ঠের নিজস্ব প্রতিবেদক জহিরুল ইসলাম পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য কর্তৃক নির্যাতন ও নানাভাবে নাজেহাল ও বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

বিবৃতিতে গণমাধ্যম সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয় যে জানা যায়, গত  ১৯ ফেব্রুয়ারি রোববার রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকায় অগ্নিকান্ডের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সরাসরি সম্প্রচারকালে দৈনিক কালের কণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার জহিরুল ইসলাম গুলশান থানার এসআই পদমর্যাদা এক পুলিশ কর্মকর্তার হামলার শিকার হন। এ সময় তাকে পিটিয়ে আহত করা হয়, নানাভাবে লাঞ্ছিত করা ছাড়াও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়া হয় ও বেপরোয়া পুলিশ কর্মকর্তাটি তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। গণমাধ্যমে আরো জানা যায়, ঘটনার সময় গুলশান এলাকার একটি ফাঁড়িতে কর্মরত (ইনচার্জ) উক্ত পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক আরো কয়েকজন সাংবাদিক মারপিটের শিকার হন।  

এমএসএফ বিবৃতিতে আরো বলা হয়, জাতিসংঘ রচিত মানবাধিকার সনদে মুক্তচিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে,  যেকোনো উপায়ে সব ধরনের তথ্য ও চিন্তা খোঁজার, গ্রহণ ও প্রদান করার অধিকারই হল বাকস্বাধীনতা। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের এই নির্যাতন ও বাধা দান করা নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার চরমভাবে ক্ষুন্ন করেছে যা অবশ্যই অগ্রহণযোগ্য। এম এস এফ বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনায় নিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানানো হয়।

শেয়ার করুন