১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০৫:৫০:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


ভুল সংশোধন করে দিলেন রাভিনা শ্যামদাসানি
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ৩১-০৮-২০২২
ভুল সংশোধন করে দিলেন রাভিনা শ্যামদাসানি


জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার জেনেভা থেকে বাংলাদেশের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে লজ্জাজনক এক বার্তা। যে বার্তায় বাংলাদেশের কিছু মিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্যাদি ভুল বলে দাবি করা হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচলেটের ঢাকা ছাড়ার প্রাক্কালে সংবাদ সম্মেলনে দেয়া বক্তব্য নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভুল তথ্য প্রচার হয়েছে বলে জানিয়েছে হাই কমিশনারের দপ্তর।

গত ৩০ আগস্ট মঙ্গলবার বাংলাদেশের বিভিন্ন মিডিয়ায় পাঠানো এক ইমেইল বার্তায় বিষয়টি জানিয়েছেন মানবাধিকারবিষয়ক হাই কমিশনারের মুখপাত্র রাভিনা শ্যামদাসানি। তিনি বলেছেন, ‘আমরা দুঃখের সঙ্গে বলছি যে ভুল তথ্য প্রচার করা হয়েছে।’ 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, “জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারের প্রতিবেদনে বাংলাদেশে মানবাধিকার লংঘনের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়নি।” এ খবর বেশ আলোচিত হয় বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে। 

ইমেইল বার্তায় রাভিনা শ্যামদাসানি বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে হাই কমিশনার বাংলাদেশ সরকার, সুশীল সমাজ ও সংশ্লিষ্ট অন্যদের সঙ্গে বৈঠকে মানবাধিকার সংক্রান্ত অনেক বিষয় নিয়ে তাঁর উদ্বেগ তুলে ধরেছেন। ঢাকা সফর শেষে তাঁর দেওয়া বিবৃতিতেও এ বিষয় উঠে এসেছে। হাই কমিশনার বাংলাদেশের মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তৃতভাবে কথা বলায় মেয়াদপূর্তি উপলক্ষে ২৫ আগস্ট জেনেভায় দেওয়া বিবৃতিতে তিনি বৈশ্বিক বিষয়গুলোর ওপর আলোকপাত করেন। 

সেখানে জলবায়ু পরিবর্তন, খাবার, জ্বালানি তেল ও অর্থনৈতিক সংকট, সুশীল সমাজের কথা বলার অধিকারের মতো বিষয়গুলো ছিল। এসব বিষয় সব দেশেই রয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশও অন্তর্ভুক্ত। সেখানে রোহিঙ্গাদের দুর্দশার বিষয়টি উঠে আসে, ওই দিনই ছিল রোহিঙ্গাদের ওপর দমন-পীড়নের বছরপূর্তি। ফলে ওই প্রতিবেদনে কিন্তু মানবাধিকার নিয়ে “বৈশ্বিক প্রতিবেদন” ছিল না।’ 

বার্তায় আরো বলা হয়, বাংলাদেশ সফর শেষে ঢাকায় দেওয়া বক্তব্যে ব্যাচলেট বলেছিলেন, মানবাধিকার সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করার প্রথম ধাপই হলো সেগুলো স্বীকার করে নেওয়া। হাই কমিশনার যেসব সুপারিশ করেছেন, সে অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ঢাকাকে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক দপ্তর। পাশাপাশি বাংলাদেশে মানবাধিকার রক্ষা ও তা এগিয়ে নিতেও সহায়তার জন্য প্রস্তুত রয়েছে তারা।

১৪ থেকে ১৭ আগস্ট বাংলাদেশ সফর করেন মিশেল ব্যাচলেট। সফর শেষে সংবাদ সম্মেলনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ থাকলে তা অস্বীকার না করে আমলে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। ব্যাচলেট বলেছিলেন, তিনি বাংলাদেশে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগের বিষয়গুলো নিয়ে সরকারের কাছে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো সুরাহার স্বার্থে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীতার কথাও বলেছেন।

যেহেতু ৩১ আগস্ট জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারের পদে তাঁর মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাইতো তিনি তার পর্যবেক্ষণ করা বিষয়গুলো নিয়ে ওই উপলক্ষে গত ২৫ আগস্ট জেনেভায় ওই সংবাদ সম্মেলন করেন বিষয়গুলো জানান দিয়েছেন তিনি।

শেয়ার করুন