০১ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৩:৫৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নর’ইস্টারের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড নিউইয়র্কসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চল নিউইয়র্কবাসীর ৬০ শতাংশ মামদানির পক্ষে অবৈধ জুয়ার অভিযোগে পলিমার্কেটের বিরুদ্ধে নিউইয়র্কের মামলা সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ডেমোক্র্যাট-রিপাবলিকানদের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই মার্কিন সিনেটে প্রথম মুসলিম সদস্য হওয়ার লড়াইয়ে আবদুল এল-সাইয়েদ নিউইয়র্কে স্থায়ী ‘জবস এনওয়াইসি’ কেন্দ্র চালু দ্বিতীয় বাড়ির কর নিয়ে মামদানির উদ্যোগে আদালতের বাধা লোয়ার ম্যানহাটনে প্রায় ১ হাজার নতুন সাশ্রয়ী ইউনিট নির্মাণের পরিকল্পনা তৃতীয় দেশে নির্বাসনের পথ ফের খুলে দিল সুপ্রিম কোর্ট বৈদেশিক সম্পর্ক উন্নয়নে প্রাণান্ত চেষ্টায় তারেক রহমান


চলমান গ্যাসকূপ খনন থেকেই মিলবে মুক্তি
সালেক সুফী
  • আপডেট করা হয়েছে : ৩০-০৯-২০২৬
চলমান গ্যাসকূপ খনন থেকেই মিলবে মুক্তি কূপ খনন


সিলেট গ্যাস ফিল্ডস এবং বিজিএলসিএলের বাস্তবায়নাধীন গ্যাসকূপ খনন প্রকল্পগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে এবং পরবর্তী সময়ে বাপেক্স কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিবিড় আলোচনায় ভরসা করা যায়, কিছু কিছু ক্ষেত্রে নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হলে ২০৩০-এর মধ্যে গ্যাস পরিস্থিতি পরিবর্তিত হবে। তিতাস ৩১ কূপ দেশের গ্যাস পরিস্থিতি আমূল পরিবর্তন করে দিতে পারে। গভীর স্তরে খননরত এই কূপে মিলতে পারে বিশাল গ্যাস ভান্ডার। সফল হলে এখানে দ্রুত ২-৩টি উন্নয়ন কূপ খনন করা হলে এখন থেকেই ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলবে। একইভাবে বাখরাবাদ এবং শ্রীকাইল গ্যাস ক্ষেত্রে গভীর স্তরে গ্যাস প্রাপ্তির উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

উন্নত প্রযুক্তি (হাইড্রো ফ্র্যাকিং) ব্যবহার করে সিলেট কূপ ১০ এবং ১০ঢ অবিলম্বে উৎপাদনে আনা হলে আরো অন্তত ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে। ১০ঢ কূপ খনন কালে তেলের সন্ধান মিলেছে। দ্রুত একটি তেল কূপ খননের পরামর্শ দিবো। তবে কূপ ১০ এবং ১০ কূপ দুটির পাশে গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ প্লান্ট স্থাপন করে বিশাল মাত্রার কনডেনসেট পাওয়া যাবে। বর্তমানে নির্মিত গ্যাস গ্যাদারিং লাইন ব্যবহার করা কারিগরি নিরাপত্তার কারণে গ্রহণযোগ্য হবে না। 

গ্যাসকূপ খনন প্রক্রিয়া থেকে সুফল পেতে হলে গ্যাস উৎপাদন কোম্পানিগুলোকে প্রয়োজনীয় সংস্কার করে যোগ্য পেশাদারদের পদায়ন করা অত্যাবশ্যক। অচিরেই আটজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অবসর নেবে। দেশের স্বার্থে যেন যোগ্য কারিগরি কর্মকর্তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়। 

গ্যাসকূপ খনন কার্যক্রম সফল হলে বহু মূল্যে এলএনজি আমদানি প্রয়োজন হবে না। একই সঙ্গে সমগ্র স্থলভাগকে নিবিড় ২ এবং পরবর্তী সময়ে ৩ সিসমিক সার্ভের আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত। 

সাগরে গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য আহ্বানকৃত পিএসসি বিডিং কতটা সফল হবে। যদি আশানুরূপ সারা না পাওয়া যায় তার সব দায়িত্ব সরকারগুলোর ওপর বর্তাবে। বাংলাদেশে বিদ্যমান পরিস্থিতিটি শীর্ষ স্থানীয় তেল কোম্পানিগুলোকে ঝুঁকি বিনিয়োগ করতে আগ্রহী করছে না। এক্ষেত্রে সিঙ্গাপুর, লন্ডন, নিউইয়র্কে পরিকল্পিত রোডশো কাজে দেবে বলে মনে হয় না। বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় তেল কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে ব্যক্তি উদ্যোগে। দেখা যাক, বরফ গলে কিনা? ওটা হলেও বড় উপকার হবে।

শেয়ার করুন