২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ১০:৪০:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরে ১১ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ ৩০ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের পূর্ণ ভাষন হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার বন্ধ : ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা মসজিদ ও ডিয়ারবর্নের মেয়রকে হুমকির অভিযোগে রোজভিলের নারী অভিযুক্ত ইসলামবিরোধী বক্তব্যের বিরুদ্ধে টেক্সাসে মুসলিমদের পাল্টা লড়াই তিন ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীকে গুলি : জেসন ইটন দোষী সাব্যস্ত অনথিভুক্ত শিশুদের সরকারি শিক্ষার অধিকার নিয়ে নতুন বিতর্ক প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রবাসী বাংলাদেশী ফোরামের ৯ দাবি ‘বেস্ট অব দ্য ওয়েস্ট’ ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ডে সম্মানিত তাহমিদ চৌধুরী


প্রধানমন্ত্রীর উচিত মন্ত্রীদের কথাবার্তায় লাগাম টানা
সালেক সুফী
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৪-০৬-২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর উচিত মন্ত্রীদের কথাবার্তায় লাগাম টানা তারেক রহমান


সুদীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে নির্বাচনে জিতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে বিএনপি। ভূরাজনীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্ব টালমাটাল। দেশেও আছে নানা অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ। সংযম আর সতর্কতা যখন অপরিহার্য তখন সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর কথাবার্তায় মনে হচ্ছে প্রলাপ বকছেন। দেশের চতুর্মুখী সংকট সামাল দিয়ে স্থিরতা আনার বিশাল চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক। সরকারি সংস্থাগুলোকে সংস্কার করে অনাকাক্সিক্ষত ঘটনাগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখার দায়িত্ব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। দুঃখজনক নিজের কাজে মনোনিবেশ না করে তিনি অন্যদের কাজে নাক গলাচ্ছেন। জ্বালানি বিদ্যুৎ পরিস্থিতি মারাত্মক সংকটে। 

জ্বালানিমন্ত্রী সঠিক তথ্য-উপাত্ত না জেনে সংসদেও ভুল কথা বলছেন। আওয়ামী শাসন আমলে দেশে গ্যাস অনুসন্ধান আর উন্নয়নে বড় সাফল্য না থাকলেও একেবারে কাজ হয়নি বলা সত্যের অপলাপ। এখন যে ৫০ কূপ আর ১০০ কূপ খননের কার্যক্রম চলছে সেটি আওয়ামী সরকারের কাজের ধারাবাহিকতা। এমনকি সাগরে গ্যাস অনুসন্ধানের উদ্যোগ আওয়ামী লীগ সময়ের। ওই সময়ে জ্বালানি বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের অব্যবস্থাপনা বা দুর্নীতির সঠিক অনুসন্ধান না করেই জ্বালানিমন্ত্রী প্রতিনিয়ত ভুল কথা বলছেন। সড়ক ও পরিবহনমন্ত্রীর কথাবার্তা অসংলগ্ন। পদ্মাসেতুর রেললাইনের পিলারের নিচু থেকে মাটি কেটে নেওয়া বিষয়ে হাস্যকর কথা বলে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য যারা প্রস্তুত করে তারাও অনেক ক্ষেত্রেই ভুল করায় বিব্রত হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।

একজন মন্ত্রী নিজের ছেলেদের নামে বগুড়ায় দুটি ইউনিয়ন নামকরণ বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করায় বিব্রত হতে হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। নানা মন্ত্রী, উপদেষ্টাদের অতিকথনে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে তিক্ততার সম্পর্ক বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি করছে। দেশ কিন্তু সংকট পথে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের মন্ত্রী-সাংসদরা সংযত না হলে বিপুল ঘাটতি বাজেটের লক্ষ্যপূরণ করা দুরূহ হয়ে পড়বে। মুদ্রাস্ফীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকট, সীমান্ত সমস্যা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুই সামাল দেওয়া সম্ভব হবে না।

সময় থাকতেই প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দেবো মন্ত্রী-সাংসদের সংযত করার। নিজের স্পিচ রাইটারকে সঠিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে মনোনিবেশ করার। ইতিহাস নির্মম, ইতিহাস সঠিক সময়ে জবাবদিহি নেয়।

শেয়ার করুন