০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৭:৩৪:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আজ ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী অ্যাডভান্সড প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার চিকিৎসায় যুগান্তকারী অগ্রগতি ইসলামবিদ্বেষী গ্রাফিতি ঘিরে মুসলিম কম্যুনিটিতে আতঙ্ক যুক্তরাষ্ট্রে মর্টগেজ সুদের হার ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ইসরায়েল ডে প্যারেড বর্জনের ঘোষণা জোহরান মামদানির ওজনপার্ক মসজিদ আল-আমানের নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে ভিসা ও অভিবাসন ব্যবস্থা, বললেন রুবিও নিউইয়র্কে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য এক্সেলসিয়র স্কলারশিপ আবেদন শুরু ৪ লাখ সাশ্রয়ী আবাসনের পরিকল্পনা ঘোষণা মেয়রের উপকূলের ১৯ জেলার প্রাণ-প্রকৃতি ঝুঁকিতে


ক্যালিফোর্নিয়ার মন্দিরে ভারত ও হিন্দু ধর্মবিরোধী চিত্রকর্ম
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৯-০৩-২০২৫
ক্যালিফোর্নিয়ার মন্দিরে ভারত ও হিন্দু ধর্মবিরোধী চিত্রকর্ম বিএপিএস শ্রী স্বামীনারায়ণ মন্দিরে হিন্দু ধর্মবিরোধী গ্রাফিতি


দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার চিনো হিলসের একটি ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দিরে ভারত এবং হিন্দু ধর্মবিরোধী গ্রাফিতি (চিত্রকর্ম) আঁকা হওয়ার ঘটনা দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে গত এক বছরে এরকম একাধিক ঘটনা ঘটার পর। মন্দিরের স্বেচ্ছাসেবক মেহুল প্যাটেল বলেন, ৮ মার্চ চিনো হিলসের বিএপিএস শ্রী স্বামীনারায়ণ মন্দিরে যারা পৌঁছেছিলেন, তারা হতবাক হয়ে যান যখন দেখলেন মন্দিরের নামের পিংক স্টোন সাইনটি এমন শব্দে ঢাকা পড়েছে যা ‘হিন্দুস্তান মুরদাবাদ’ অর্থাৎ ‘হিন্দু ও ভারতের মৃত্যু কামনা’ লেখা ছিল।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে অশালীন চিত্রকর্ম এবং সাইডওয়াকেও আঁকা হয়েছিল। সান বের্নার্ডিনো শেরিফের কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা এই ঘটনার তদন্ত করছেন এবং এখনও কোনো সন্দেহভাজন চিহ্নিত করেননি। মেহুল প্যাটেল বলেন, এই ঘটনা কমিউনিটি সদস্যদের মধ্যে ভয়ের অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। এর প্রভাব এতোটাই ব্যাপক ছিল যে ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলোও এই ঘটনার রিপোর্ট করেছে এবং ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ভাঙচুরের নিন্দা করেছে। আমরা এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার নিন্দা জানাই। আমরা স্থানীয় আইনপ্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে এই ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে এবং উপাস্যস্থলগুলোর জন্য যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আহ্বান জানাই, বলেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।

প্যাটেল বলেন, ভাঙচুর হওয়া মন্দিরে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার দর্শনার্থী আসেন, এবং দীপাবলি ও মন্দির উৎসবের সময় হাজার হাজার মানুষ এখানে সমবেত হন।

শেয়ার করুন