১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১১:৩৯:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইমাম নিহতের ঘটনায় টার্নারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন ম্যানহাটনে মুসলিম মহিলাকে ছুরিকাঘাত, আলবার্টকে ১১ বছরের কারাদণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে নারী নিহত, প্রতিবাদে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ট্রাম্পের কড়াকড়িতে অভিবাসী শ্রমিক কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শ্রমিকদের বেকারত্ব বেড়েছে ওয়াশিংটনের ন‍্যাশনাল প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে সভা মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম বদলাতে মরিয়া ট্রাম্প জামায়াতের সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক নিয়ে নানা গুঞ্জন এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি বাংলাদেশ গাজার জন্য ট্রাম্প প্রস্তাবিত বাহিনীতে থাকতে চায় বাংলাদেশের সঙ্গেও ক্রিকেটে ভারতীদের ভূ-রাজনীতি


হোয়াইট হাউজের সামনে আওয়ামী পরিবারের র‌্যালি
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১২-০২-২০২৫
হোয়াইট হাউজের সামনে আওয়ামী পরিবারের র‌্যালি আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সভায় মঞ্চে নেতৃবৃন্দ


বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ৬ মাসে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে সক্ষম হননি অধ্যাপক ইউনূস। এমনকি, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসী ক্ষমতা দিয়েও লুটেরা-দুর্বৃত্ত এবং বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের হত্যা, বাড়ি-ঘরে লুটের পর গুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে। প্রকাশ্য দিবালোকে আগাম ঘোষণা দিয়ে এমন কর্মে লিপ্তদের গ্রেফতার দূরের কথা, বরঞ্চ উৎসাহিত করা হচ্ছে। এমন দাবি করা হয় গত ৯ ফেব্রুয়ারি রোববার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে আওয়ামী পরিবারের সমাবেশে। রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডিতে ৩২ নম্বর বাড়িটি আবারো লুটের পর ধ্বংসাবশেষে আগুন ধরিয়ে দেয়ার প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে অপকর্ম বন্ধের দাবিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ নেতা ড. প্রদীপ কর উপরোক্ত আহবান জানান। তিনি বলেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাইজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মোদির বৈঠকের সময় বাইরে আমরা শান্তি সমাবেশ করবো এবং বাংলাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ কামনা করবো। কারণ, বাংলাদেশকে সুপরিকল্পিতভাবে জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। 

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীগণের এই সমাবেশ সঞ্চালনাকালে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী বলেন, রাজপথে আন্দোলনের পাশাপাশি আমাদেরকে কূটনৈতিক তৎপরতাও অব্যাহত রাখতে হবে। স্মারকলিপি দিতে হবে জাতিসংঘে, কংগ্রেস ও হোয়াইট হাউজে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, মানবাধিকার কাউন্সিল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচকেও দিতে হবে স্মারকলিপি। এটা সময়ের দাবি।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম বলেন, অসহনীয় পরিস্থিতিতে নিপতিত গোটা বাংলাদেশ। কারো নিরাপত্তা নেই। অধ্যাপক ইউনূসের জঙ্গিবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনে অতীষ্ঠ সাধারণ মানুষ। দরিদ্র মানুষের আয় কমেছে। হাজী এনাম উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরাও চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তাই আমাদেরকে সরব থাকতে হবে। 

এ সময় আরো বক্তব্য দেন নিউইয়র্ক অঞ্চলে সর্ববৃহৎ সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির সহ সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম ভুইয়া, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান ও আবুল হাসিব মামুন, শিক্ষা সম্পাদক এম এ করিম জাহাঙ্গির, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট শাহ বখতিয়ার, উপদেষ্টা হাকিকুল ইসলাম খোকন, শাহীন আজমল, শেখ আতিকুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল ইসলাম লিটন, মো. ইকবাল হোসেন, শেখ জামাল হোসেন, জালালউদ্দিন জলিল, রুমানা আকতার, মোহাম্মদ জাফরউল্লাহ, শাহীন শেখ, স্বীকৃতি বড়ুয়া, নিশাত মৃধা, নুরুজ্জামান সর্দার, মোল্লা মাসুদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাঈদুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, টি মোল্লাহ, অধীর কুমার শিকদার, মোহাম্মদ আখতার হোসেন, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল কাদের মিয়া, ম্যানহাটার বরো আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আবুল কাশেম, ছাত্রলীগ নেতা নাহিদুল সৈকত, হৃদয় মিয়া, স্বপ্নীল খান, ফিদা হোসেন প্রমুখ।

শেয়ার করুন