১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০৫:৪৪:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : মালেক
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৬-১০-২০২৪
স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : মালেক


‘ছাত্র-জনতার রক্ত ত্যাগের মাধ্যমে যে স্বাধীনতা এসেছে, এই স্বাধীনতা রক্ষা করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে’ কথাগুলো বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক। 

গত সোমবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এম এ মালেকের ১৭ বছর পর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে এম এ মালেকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আয়োজক কমিটির উদ্যোগে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকা বিএনপি এ নেতা এম এ মালেক বলেন, আজ স্বাধীন বাংলাদেশে আসতে পেরে আমি আনন্দিত। শহিদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে এ স্বাধীনতা এসেছে। ছাত্র-জনতার রক্ত ত্যাগের মাধ্যমে যে স্বাধীনতা এসেছে, এই স্বাধীনতা রক্ষা করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শুধু রাজনৈতিক দলগুলো একা এই স্বাধীনতা রক্ষা করতে পারবে না। দেশের আপামর মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

তিনি বলেন, আজ ইউরোপে-যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্রের চর্চা হচ্ছে। এমনকি পাশের দেশ ভারতেও গণতন্ত্রের চর্চা হচ্ছে। অথচ তারাই (ভারত) আবার আমাদের দেশে স্বৈরাচার ও একনায়ক সরকারকে প্রমোট করে। এগুলো আমাদের দমিয়ে রাখার ষড়যন্ত্রের অংশ। আমরা তাদের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছি। স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য বাংলাদেশের মানুষ বার বার সংগ্রাম করেছে। আমাদের দমিয়ে রাখা যায় না।

এম এ মালেক বলেন, শেখ হাসিনা বিএনপির নেতাকর্মীদের নির্মমভাবে হত্যা করেছে। ৬ শতাধিক নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছে। তাদের এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। আয়নাঘরের কারিগররা ধরাছোঁয়ার বাইরে। এদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। ফ্যাসিবাদ সরকারের দোসরদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি আরো বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে আমাদের নেতাকর্মীদের কঠোর পরীক্ষা দিতে হয়েছে। দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় নেতাকর্মীরা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ১৭ বছর আপসহীন সংগ্রাম করেছে। আমাদের অভিভাবক খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে অবর্ণনীয় নির্যাতন ভোগ করেছেন। এসব ইতিহাস তুলে ধরতে হবে। 

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য রুশদীর লুনা, বিএনপির সহ-সম্পাদক নিলুফার চৌধুরী মনি, শিক্ষাবিদ ড. ফারদিন ইসলাম, মানবাধিকার সমিতি চেয়ারম্যান মনজুর হোসেন ঈসা প্রমুখ।

শেয়ার করুন