১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ১১:৪২:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


দিল্লির প্রত্যাশা পূরণের আরো একটি দলিল
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৬-০৬-২০২৪
দিল্লির প্রত্যাশা পূরণের আরো একটি দলিল


বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ এক বিবৃতিতে বলেন, গত ২২ জুন নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে ১০টি (সাতটি নতুন ও তিনটি নবায়ন) সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। দুই শীর্ষনেতার বক্তব্যে এবং সমঝোতা স্মারকে ‘উভয় দেশই শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথ দেখানোর রূপকল্প ঘোষণা’ এবং ‘ডিজিটাল অংশীদারিত্ব’, ‘সবুজ অংশীদারিত্ব’ ইত্যাদি নানা কথার ফুলছড়ি থাকলেও তিস্তা-পদ্মাসহ অভিন্ন ৫৪টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা, সীমান্ত হত্যা বন্ধ, বাণিজ্য বৈষম্য কমানো ইত্যাদি বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই সমস্যাগুলো সমাধানের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা না করে শুধু আশ্বাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে প্রতারিত করা হচ্ছে। অতীতেও যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সবুজ অংশীদারিত্বের অভিন্ন ভিশনের কথা বলে দুই দেশের মধ্যে রেলসংযোগের একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ রেলসংযোগের নামে কলকাতা থেকে বাংলাদেশের দর্শনা হয়ে চিলাহাটি দিয়ে ভারতকে মূলত রেল করিডোর দেওয়া হবে। ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে শিলিগুড়ি করিডোর দিয়ে বিদ্যমান রুট (যা ‘চিকেন নেক’ নামে পরিচিত)-এর ওপর নির্ভরতা কমানোর জন্যই ভারতের দীর্ঘদিনের চাওয়া অনুযায়ী এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে। উল্লেখ্য, একতরফা এ রেলসংযোগের সঙ্গে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নটিও জড়িত। তিনি আরো বলেন, ভারতসহ পার্শ্ববর্তী সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক আমাদের সবার কাম্য। কিন্তু কখনোই তা আত্মমর্যাদা ও জাতীয় স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে হতে পারে না। ক্ষমতার প্রয়োজনে শেখ হাসিনা সরকার জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে একে একে ভারতের প্রত্যাশা পূরণ করে দেশকে ভারতের কর্তৃত্ব ও করতলগত হওয়া ছাড়া বাংলাদেশ কিছু পায়নি। দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, তিস্তা, পদ্মাসহ অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন সমস্যার সমাধান, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে করিডোর, সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ভারতকে সড়ক, রেলপথ বন্দরসহ কোনো ধরনের কানেকটিভিটি দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের ওপর ভারতের সব আধিপত্যবাদী তৎপরতার বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ সংগ্রামে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন