১৯ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, ০১:৩১:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সেই শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ


রোহিঙ্গাদের জন্য আরো ১৭০ মিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৯-০৯-২০২২
রোহিঙ্গাদের জন্য আরো ১৭০ মিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিনকেন


মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ও বাইরের রোহিঙ্গাদের এবং বাংলাদেশে আশ্রিত শরণার্থীদের জন্য ১৭০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি মানবিক সহায়তা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে বাংলাদেশে চলমান কর্মসূচিগুলোর জন্য দেয়া হবে ১৩৮ মিলিয়ন ডলার।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি জে. ব্লিঙ্কেন গত ২৩ সেপ্টেম্বর  শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন। বিবৃতিতে বলা হয়, এ কর্মসূচির অধীনে মিয়ানমারে গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও জাতিগত নির্মূল অভিযান থেকে বেঁচে যাওয়া ৯ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গাদের জীবনরক্ষামূলক উদ্যোগ এবং বাংলাদেশে তাদেরকে আশ্রয়দানকারী গোষ্ঠীর ৫ লাখ ৪০ হাজার সদস্যের জন্য এ সহায়তা দেয়া হচ্ছে।’ তিনি বলেন, নতুন এ সহায়তা খাদ্য, নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসেবা, সুরক্ষা, শিক্ষা, আশ্রয় এবং মানসিক-সামাজিক সহায়তার ব্যবস্থা করতে সক্ষম হবে।

ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সরকার ও জনগণসহ এই অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানকারী অন্যান্য দেশের উদারতারও প্রশংসা করেছে।’

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, এই নতুন অর্থায়নের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট সহায়তা ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে প্রায় ১.৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ২০১৭ সালে ৭ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের কক্সবাজারে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছিল।

অতিরিক্ত মানবিক সহায়তার মধ্যে, স্টেট ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক ৯৩ মিলিয়ন ডলারের বেশি এবং ইউএসএআইডি-এর মাধ্যমে ৭৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘স্বীকার করছি যে, বার্মার (মিয়ানমার) পরিস্থিতি বর্তমানে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই প্রত্যাবর্তন এবং প্রত্যাবাসনের জন্য সহায়ক নয়। আমরা এই সমস্যার সমাধান খোঁজার জন্য বাংলাদেশ সরকার, রোহিঙ্গা এবং বার্মার অভ্যন্তরের জনগণের সাথে কাজ করছি।’

তিনি মিয়ানমারে সহিংসতার কারণে বিতাড়িত ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য মানবিক সহায়তা প্রদান ও সমর্থন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবদান রাখার জন্য অন্যান্য দাতাদের প্রতি আহ্বান জানান।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিনিয়ত রোহিঙ্গাদের জীবনরক্ষামূলক কাজ করার জন্য মানবিক সহায়তাকারী মার্কিন অংশীদারদেরও প্রশংসা করেছেন।

শেয়ার করুন