০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৮:৩০:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আজ ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী অ্যাডভান্সড প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার চিকিৎসায় যুগান্তকারী অগ্রগতি ইসলামবিদ্বেষী গ্রাফিতি ঘিরে মুসলিম কম্যুনিটিতে আতঙ্ক যুক্তরাষ্ট্রে মর্টগেজ সুদের হার ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ইসরায়েল ডে প্যারেড বর্জনের ঘোষণা জোহরান মামদানির ওজনপার্ক মসজিদ আল-আমানের নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে ভিসা ও অভিবাসন ব্যবস্থা, বললেন রুবিও নিউইয়র্কে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য এক্সেলসিয়র স্কলারশিপ আবেদন শুরু ৪ লাখ সাশ্রয়ী আবাসনের পরিকল্পনা ঘোষণা মেয়রের উপকূলের ১৯ জেলার প্রাণ-প্রকৃতি ঝুঁকিতে


মারিজুয়ানা সেবনে ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস ক্ষতিগ্রস্ত হবে
ইমিগ্র্যান্টদের জন্য হুঁশিয়ারি
মঈনুদ্দীন নাসের
  • আপডেট করা হয়েছে : ১০-০৮-২০২২
ইমিগ্র্যান্টদের জন্য হুঁশিয়ারি


চলতি বছরের জুলাই মাস পর্যন্ত ৩৮টি স্টেট বিভিন্ন ডিগ্রির ক্যানাভিস বা মাদকদ্রব্য ব্যবহারের বিষয়টি বৈধ করলেও ফেডারেল আইনে তা নিষিদ্ধ রয়েছে। প্রত্যেক বিষয়ে কোন কন্ডিশনে ক্যানাভিস প্রেসক্রাইব করা যাবে কি পরিমাণে ব্যবহার করা যাবে এবং মারিজুয়ানা সেবনের লাইসেন্স প্রক্রিয়া কি হবে, তা নির্দিষ্ট করে দেয়া আছে বিভিন্ন স্টেটে। এর ভিত্তিতে ইমিগ্র্যান্টরা মনে করতে পারে মারিজুয়ানা যেসব স্টেটে বৈধ করা হয়েছে, সেখানে ব্যবহার করলে তাদের ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস প্রভাবিত করবে না। দুর্ভাগ্যবশত তা সেরকম নয়। কারণ এখনো মারিজুয়ানা ফেডারেল আইনে নিষিদ্ধ। যদিও কোনো স্টেট তা ওষুধের নিমিত্তে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে,

তথাপি ফেডারেল সরকারের অনুমতি দেয়ার কর্তৃপক্ষ ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ প্রশাসন। ইমিগ্রেশন ফেডারেল আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত আর মারিজুয়ানা বহন করা ফেডারেল আইনে নিষিদ্ধ। এই বৈষম্যতা সংশয় সৃষ্টি করতে পারে। আর ইমিগ্র্যান্টরা যদি মারিজুয়ানা বহন করে, এমনকি যেসব স্টেট বৈধতা দিয়েছে সেখানেও বহন করে থাকে, তাহলে সম্ভাব্য বিপরীত প্রতিক্রিয়ায় পড়তে পারে। টাইটেল ২১-এ কোড অব ফেডারেল রেজুলেশন তফসিল-১ এ মারিজুয়ানাকে এখনো সর্বোচ্চ পরিহারযোগ্য মাদক বলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তার রয়েছে মনস্তাত্ত্বিক ও শারীরিক প্রভাব। এ জন্য তা সর্বোতভাবে নিয়ন্ত্রিত মাদক। যুক্তরাষ্ট্রে এখনো তা কোনো চিকিৎসায় গ্রহণযোগ্য নয় আর তা গ্রহণযোগ্য নিরাপদ বলে গণ্য নয়। 

ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) মারিজুয়ানার ক্লিনিক্যাল ব্যবহারের জন্য বাজারজাতকরণে অনুমতি দেয়নি। এ জন্য এফডিএ এবং ডিইএ বলেছে যে, মারিজুয়ানা ফেডারেল আইনে অনুমোদিত মাদক নয়, যা ওষুধের মতো ব্যবহার করা যায়। এ জন্য মারিজুয়ানা সেবন ফেডারেল ড্রাগ ক্রাইমের আওতায় পড়ে। 

সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে, এমনকি মারিজুয়ানা উৎপাদন ও ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের জন্য কোনো বাড়িতে তার ছাড়া রোপণ করা হয়, তা স্টেট আইন নয় বরং ফেডারেল আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে কারণ তা স্টেটের মধ্যে বাণিজ্য তার তম্য সৃষ্টি করতে পারে। 

 যেহেতু মারিজুয়ানা এখনো অবৈধ ফেডারেল আইনে, তা যারা যুক্তরাষ্ট্রের অনাগরিক তাদেরও ক্ষতিগ্রস্ত করে। মারিজুয়ানা রাখা, ব্যবহার করা, বিক্রি করা অথবা উৎপাদন করা অথবা মারিজুয়ানা ডিসপেনসারিতে প্রবেশ করলে তা উল্লেখযোগ্য ইমিগ্রেশন সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এই ফেডারেল আইন অমান্য করলে ভিসা আবেদন কিংবা আমেরিকায় প্রেেবশের আবেদন কোন ভিসা বাতিল করা, গ্রিনকার্ডের আবেদন কিংবা নাগরিকত্বের আবেদন বাতিল, এমনকি বাধ্যতামূলক আটকাদেশ প্রদান করা যেতে পারে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে এমনকি ডিপোর্টেশন বা বহিষ্কারাদেশ দেয়া হতে পারে। ফেডারেল আইনে কোনো ডাক্তার মারিজুয়ানা প্রেসক্রাইব করলেও তা ব্যতিক্রম কিছু নয়। 

মারিজুয়ানা আপনাকে এ দেশে আসা বা থাকা বন্ধ করতে পারে। মারিজুয়ানা সংক্রান্ত কোনো দণ্ড কেউ পেলে, তা তার জন্য নিয়ন্ত্রিত সাবস্ট্যান্সের কারণে এ দেশে থাকা বন্ধ করতে পারে। দণ্ড যদি ৩০ গ্রাম বা তার চেয়ে কম মারিজুয়ানা রাখার জন্য হলেও একই ফল হবে। যদি আপনি অন্য কোনো দেশে সফর করেন, তাহলে এ দেশে পুনরায় প্রবেশেও বাধা হতে পারে। 

মারিজুয়ানা সম্পর্কিত অপরাধের জন্য আপনি অনাগরিক হলেও বহিষ্কৃত হতে পারেন। নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে নাগরিকত্ব প্রদান না-ও করা হতে পারে। 

সম্প্রতি ন্যাশনাল ল’ রিভিউ ইউএসসিআইএসের পলিসি অ্যালার্টে প্রকাশিত তথ্য নিয়ে এ সম্পর্কিত এ ব্যাপারে উপরোক্ত সাবধানতামূলক আর্টিকেল প্রকাশ করেছে। 

শেয়ার করুন