০৩ জুন ২০২৬, বুধবার, ০৪:৫৮:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের নিউ জার্সির আইস ডিটেনশন সেন্টারে অমানবিক আচরণের অভিযোগ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আজ ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী


বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিলের চাপ কমাতে ২০০ ডলার পর্যন্ত রিবেট চেক
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৩-০৬-২০২৬
বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিলের চাপ কমাতে ২০০ ডলার পর্যন্ত রিবেট চেক প্রতীকী ছবি


বিদ্যুৎ, গ্যাস, শীতকালীন হিটিং এবং গ্রীষ্মকালীন এয়ার কন্ডিশনিংয়ের ক্রমবর্ধমান খরচে স্বস্তি দিতে নিউ ইয়র্ক স্টেট ৮ দশমিক ৫ মিলিয়ন পরিবারকে এককালীন রিবেট চেক পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। গভর্নর ক্যাথি হোচুল জানান, নতুন বাজেটের আওতায় প্রোটেক্টিং আওয়ার ওয়ালেটস এনার্জি রিবেট (পাওয়ার) কর্মসূচির মাধ্যমে যোগ্য বাসিন্দারা সর্বোচ্চ ২০০ ডলার পর্যন্ত সহায়তা পাবেন।

গভর্নর ক্যাথি হোচুল বলেন, মাসের শেষে বিল পরিশোধ নিয়ে অনেক পরিবার উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে শীতকালে বাড়ি গরম রাখা এবং গ্রীষ্মে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার খরচ পরিবারগুলোর ওপর বড় আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে। এ কারণেই স্টেট সরকার এ সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। নিউ ইয়র্কের নতুন বাজেটে এ উদ্দেশ্যে মোট ১ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ অর্থ থেকে যোগ্য করদাতাদের ডাকযোগে রিবেট চেক পাঠানো হবে। বাসিন্দাদের এ সহায়তার জন্য আলাদা করে আবেদন করতে হবে না।

২০২৪ করবর্ষে যৌথভাবে কর দাখিল করা এবং বার্ষিক আয় ১ লাখ ৫০ হাজার ডলারের কম এমন দম্পতিরা ২০০ ডলার পাবেন। যৌথভাবে কর দাখিলকারী এবং আয় ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ ডলারের মধ্যে হলে ১৫০ ডলার পাবেন।

একক করদাতা এবং বার্ষিক আয় ১ লাখ ৫০ হাজার ডলারের কম হলে ১০০ ডলার পাবেন। ২০২৪ করবর্ষের জন্য পাওয়ার রিবেট চেক পেতে হলে একজন ব্যক্তিকে ২০২৪ সালের নিউ ইয়র্ক স্টেট রেসিডেন্ট ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন নির্ধারিত সময়ে দাখিল করতে হবে।

২০২৪ করবর্ষজুড়ে নিউ ইয়র্ক স্টেটের পূর্ণকালীন বাসিন্দা হতে হবে। নির্ধারিত আয়ের সীমার মধ্যে থাকতে হবে। অন্য কোনো করদাতার ট্যাক্স রিটার্নে নির্ভরশীল (ডিপেনডেন্ট) হিসেবে দাবি করা যাবে না। অঙ্গরাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, রিবেট চেকগুলো অগ্রিম ক্রেডিট হিসেবে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ডাকযোগে পাঠানো হবে। যোগ্য ব্যক্তিদের আলাদা আবেদন বা নিবন্ধনের প্রয়োজন হবে না।

গভর্নর হোচুল বলেছেন, পরিবারগুলোর দৈনন্দিন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার সময়ে এই সহায়তা তাদের কিছুটা আর্থিক স্বস্তি দেবে। তার ভাষায়, মানুষ যখন তাদের ইউটিলিটি বিল হাতে পাবে, তখন একই সময়ে এই সহায়তাও পাবে এবং বুঝতে পারবে যে স্টেট সরকার তাদের কষ্টের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। তবে কর্মসূচিটি নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা বলছেন, এককালীন এ সহায়তা নিউ ইয়র্কবাসীর ক্রমবর্ধমান জ্বালানি ব্যয়ের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তাদের মতে, বাসিন্দাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়াই বেশি কার্যকর হবে। তবুও স্টেট সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ৮ দশমিক ৫ মিলিয়ন পরিবারকে সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে এটি নিউ ইয়র্কের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় জ্বালানি ব্যয় সহায়তা কর্মসূচিতে পরিণত হতে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন