০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৬:২৩:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আজ ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী অ্যাডভান্সড প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার চিকিৎসায় যুগান্তকারী অগ্রগতি ইসলামবিদ্বেষী গ্রাফিতি ঘিরে মুসলিম কম্যুনিটিতে আতঙ্ক যুক্তরাষ্ট্রে মর্টগেজ সুদের হার ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ইসরায়েল ডে প্যারেড বর্জনের ঘোষণা জোহরান মামদানির ওজনপার্ক মসজিদ আল-আমানের নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে ভিসা ও অভিবাসন ব্যবস্থা, বললেন রুবিও নিউইয়র্কে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য এক্সেলসিয়র স্কলারশিপ আবেদন শুরু ৪ লাখ সাশ্রয়ী আবাসনের পরিকল্পনা ঘোষণা মেয়রের উপকূলের ১৯ জেলার প্রাণ-প্রকৃতি ঝুঁকিতে


দিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার বক্তব্যে হতবাক ঢাকা
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৫-০১-২০২৬
দিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার বক্তব্যে হতবাক ঢাকা


মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লিতে প্রকাশ্য একটি অনুষ্ঠানে বিবৃতি দেওয়ায় বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ বিস্মিত এবং হতবাক বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


রবিবার (২৫ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ কথা জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।



বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘পলাতক শেখ হাসিনা, যিনি মানবতাবিরোধী অপরাধ করার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। গত ২৩ জানুয়ারি দিল্লিতে একটি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে তাকে একটি বিবৃতি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, যেখানে তিনি প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারকে অপসারণের আহ্বান জানান, তার দলের অনুগত এবং সাধারণ জনগণকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য নির্লজ্জ উসকানি দেন—বাংলাদেশের আসন্ন সাধারণ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য।’’


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘‘বাংলাদেশ সরকারের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করার বাধ্যবাধকতা ভারত এখনও কার্যকর না করায় বাংলাদেশ গভীরভাবে ক্ষুব্ধ। এটি স্পষ্টতই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং শান্তি ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।’’


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘ভারতের রাজধানীতে এ অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া এবং গণহত্যাকারী হাসিনাকে প্রকাশ্যে তার ঘৃণামূলক বক্তব্য দিতে দেওয়া আন্তরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের নিয়মের পরিপন্থি। যার মধ্যে সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, হস্তক্ষেপ না করা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ নীতিমালা এবং বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি সুস্পষ্ট অবমাননা। এটি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যতের ক্ষেত্রে একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে— বাংলাদেশের ভবিষ্যতের নির্বাচিত রাষ্ট্রব্যবস্থার পারস্পরিক উপকারী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সম্পৃক্ততা, গঠন এবং লালন-পালনের সক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।’’


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ‘‘আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের নির্লজ্জ উসকানি আবারও প্রমাণ করে—কেন অন্তর্বর্তী সরকারকে তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হয়েছিল। নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিন সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য বাংলাদেশ এই সংগঠনকে দায়ী করবে এবং এর অশুভ ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করতে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’’

শেয়ার করুন