১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০২:০০:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইমাম নিহতের ঘটনায় টার্নারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন ম্যানহাটনে মুসলিম মহিলাকে ছুরিকাঘাত, আলবার্টকে ১১ বছরের কারাদণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে নারী নিহত, প্রতিবাদে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ট্রাম্পের কড়াকড়িতে অভিবাসী শ্রমিক কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শ্রমিকদের বেকারত্ব বেড়েছে ওয়াশিংটনের ন‍্যাশনাল প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে সভা মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম বদলাতে মরিয়া ট্রাম্প জামায়াতের সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক নিয়ে নানা গুঞ্জন এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি বাংলাদেশ গাজার জন্য ট্রাম্প প্রস্তাবিত বাহিনীতে থাকতে চায় বাংলাদেশের সঙ্গেও ক্রিকেটে ভারতীদের ভূ-রাজনীতি


অজ্ঞাতনামা লাশের পরিচয় উদ্ধারে আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৬-১১-২০২৪
অজ্ঞাতনামা লাশের পরিচয় উদ্ধারে আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ প্রতীকী ছবি


দেশে চলতি বছরের অক্টোবর ২০২৪ মাসে মাট ৫৩ জন অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার হয়েছে। এধরনের যা ছিল অনাকাঙ্ক্ষিত এবং নাগরিক জীবনে নিরাপত্তাহীনতার বড় কারণ বলে অভিযোগ করেছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। 

এমএসএফ’র পক্ষ থেকে দেয়া তথ্যে দেখা হয় যে,৫৩ জন অজ্ঞাতনামা লাশের বেশির ভাগই নদী বা ডোবায় ভাসমান, মহাসড়ক বা সড়কের পাশে, সেতুর নিচে, রেল লাইনের পাশে ও পরিত্যক্ত স্থানে পাওয়া যায়। কয়েক জনের মৃতদেহ হাত-পা বাঁধা, হাত কাটা, বিবস্ত্র, এসিড দগ্ধ ও গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ১৬ বছরের কিশোর ১ জন, ২০-৩০ বয়সী ৩ জন নারী ও ১১ জন পুরুষ, ৩১-৪০ বয়সী ৫ জন নারী ও ১৫ জন পুরুষ, ৪১-৫০ বয়সী ৩ জন নারী ও ১৮ জন পুরুষ, ৫০ বয়সের ঊর্ধ্বে ২ জন নারী ও ৬ জন পুরুষ রয়েছে। 

এমএসএফ’র পক্ষ থেকে এসব তথ্য দিয়ে অভিযোগ করা হয় যে, অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধারের বিষয়টি জনজীবনের নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি জোরালোভাবে সকলের সামনে প্রতিফলিত হচ্ছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা লাশের পরিচয় উদ্ধারে আইন শৃঙ্খলারক্ষারী বাহিনীর ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। বলা হয় যে, মোট ৫৩ জন অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার হয়েছে যা ছিল অনাকাঙ্ক্ষিত এবং নাগরিক জীবনে নিরাপত্তাহীনতার বড় কারণ। দুই-চারটি ঘটনা ছাড়া সব কয়টি লাশের পরিচয় অজ্ঞাতই থেকে যাচ্ছে। যা অত্যন্ত ভয়ংকর, অনাকাঙ্খিত এবং নাগরিক জীবনে নিরাপত্তার প্রতি হুমকি। 

এমএসএফ মনে করে, শুধুমাত্র অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না, বরং পরিচয় জানার বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা যত ক্ষমতাবানই হোক, সব অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অবশ্য কর্তব্য।

শেয়ার করুন