১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৪:০৯:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইমাম নিহতের ঘটনায় টার্নারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন ম্যানহাটনে মুসলিম মহিলাকে ছুরিকাঘাত, আলবার্টকে ১১ বছরের কারাদণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে নারী নিহত, প্রতিবাদে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ট্রাম্পের কড়াকড়িতে অভিবাসী শ্রমিক কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শ্রমিকদের বেকারত্ব বেড়েছে ওয়াশিংটনের ন‍্যাশনাল প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে সভা মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম বদলাতে মরিয়া ট্রাম্প জামায়াতের সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক নিয়ে নানা গুঞ্জন এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি বাংলাদেশ গাজার জন্য ট্রাম্প প্রস্তাবিত বাহিনীতে থাকতে চায় বাংলাদেশের সঙ্গেও ক্রিকেটে ভারতীদের ভূ-রাজনীতি


ফিলাডেলফিয়ায় ভাড়াটিয়ার হাতে বাংলাদেশি বাড়ির মালিক খুন
মোহাম্মদ ইসলাম
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৪-০১-২০২৪
ফিলাডেলফিয়ায় ভাড়াটিয়ার হাতে বাংলাদেশি বাড়ির মালিক খুন বাড়ির মালিক বাংলাদেশি মোহাম্মদ একরামুল হক


মাতাল স্প্যানিশ ভাড়াটিয়ার হাতে নির্মমভাবে খুন হয়েছেন বাড়ির মালিক বাংলাদেশি মোহাম্মদ একরামুল হক (ইন্না লিল্লাহ..রাজেউন)। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২০ জানুয়ারি শনিবার রাতে সাউর্থ ওয়েস্ট ফিলাডেলফিয়ার ৫৮০০ ওয়ডল্যান্ডের কাছে। বাংলাদেশের চট্টগ্রামের বিবিরহাটের সন্তান মোহাম্মদ একরামুল হকের বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর।

মরহুম একরামুল হকের দীর্ঘদিনের বন্ধু আরিফুর শান্তা জানান যে, গত ২০ জানুয়ারি রাতে একরামুল হক তার নিজ বাসায় ফিরে দেখেন যে ভাড়াটিয়া স্প্যানিশ বংশোদ্ভূত কার্লোস মদ খেয়ে মাতলামি করছিল। সেই সময় একরামুল হক মাতাল স্প্যানিসকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু সে কোন কিছুই শুনছিল না। উল্টো এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে স্প্যানিশ ভায়াটিয়া কার্লোস হাতের কাছে থাকা হ্যামার দিয়ে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাড়ির মালিক একরামুল হকের মাথায় আঘাত করেন। ওই অবস্থায় একরামুল হককে হাসপাতালে নেওয়ার পর হাপতালের ডাক্তাররা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে একরামুল হককে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে মরহুমের লাশ হাসপাতালের মর্গে রয়ছে। এদিকে ফিলাডেলফিয়া পুলিশ কর্তৃপক্ষ কার্লোসকে গ্রেফতার করেছে।

মোহাম্মদ একরামুল হক যিনি প্রায় ২৪ বছর পূর্বে আমেরিকায় এসে অ্যাসাইলাম কেসের মাধ্যমে ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার পর ফিলাডেলফিয়া ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে (হুইল চেয়ারের) সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি এখানে একা থাকতেন। চট্টগ্রাম সমিতি অব পেনসিলভানিয়ার সভাপতি শেখ খোরশান জানান যে, দেশে তার একটি মেয়ে এবং স্ত্রী রয়েছেন। এমতাবস্থায় পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যে, মরহুমের লাশ এখানে নাকি দেশে দাফন করা হবে।

একরামুল হকের মর্মান্তিক মৃত্যুতে ফিলাডেলফিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সেই সঙ্গে তারা দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

শেয়ার করুন