১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইমাম নিহতের ঘটনায় টার্নারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন ম্যানহাটনে মুসলিম মহিলাকে ছুরিকাঘাত, আলবার্টকে ১১ বছরের কারাদণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে নারী নিহত, প্রতিবাদে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ট্রাম্পের কড়াকড়িতে অভিবাসী শ্রমিক কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শ্রমিকদের বেকারত্ব বেড়েছে ওয়াশিংটনের ন‍্যাশনাল প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে সভা মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম বদলাতে মরিয়া ট্রাম্প জামায়াতের সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক নিয়ে নানা গুঞ্জন এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি বাংলাদেশ গাজার জন্য ট্রাম্প প্রস্তাবিত বাহিনীতে থাকতে চায় বাংলাদেশের সঙ্গেও ক্রিকেটে ভারতীদের ভূ-রাজনীতি


শতকড়া ৬৮ ভাগ মানুষ পুষ্টিকর খাবার ক্রয়ে হিমশিম খাচ্ছে
টিসিবির ট্রাকের সামনে দীর্ঘ হচ্ছে লাইন
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৫-০২-২০২৩
টিসিবির ট্রাকের সামনে দীর্ঘ হচ্ছে লাইন টিসিবির ট্রাকের সামনে বিরাট লাইন


বারবার বিদ্যুৎ, গ্যাস, তেলসহ সবধরনের নিত্যপণ্যের দাম অব্যাহত বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং অর্থপাচারকারী ও দুর্র্নীতিবাজদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। শতকরা ৬৮ ভাগ মানুষ পুষ্টিকর খাবার কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। এতে করে এখন টিসিবির ট্রাক সেলের সামনে লাইন দীর্ঘ হচ্ছে।

বাম গণতান্ত্রিক জোট কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের উদ্যোগে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার পুরানা পল্টন মোড়ে ওই  সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেতারা এসব অভিযোগ করেন। বাম জোটের সমন্বয়ক ও বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামন রতনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবির কেন্দ্রীয় নেতা শাহিন রহমান, বাংলাদেশ বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের শামিম ইমাম, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদের (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা। সমাবেশ পরিচালনা করেন বাসদ কেন্দ্রীয় বর্ধিত ফোরামের সদস্য খালেকুজ্জামান লিপন।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার এক মাসেই দুইবার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে এবং সাত মাসের ব্যবধানে ৮০ শতাংশ গ্যাসের দাম বাড়িয়ে জনগণের ভোগান্তির মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। দুর্নীতি-লুটপাট, অপচয়-ভুলনীতির কারণে লোকসানের দায় জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে সরকার। দুর্নীতিবাজদের শাস্তি না দিয়ে সরকার কুইক রেন্টালের বিরোধিতাকারীদের বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়ার কথা বলেছেন। অথচ কেন্দ্রগুলোকে বসিয়ে বসিয়ে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে ৯৬ হাজার কোটি টাকা যে গত ১২ বছরে কুইক রেন্টাল কোম্পানিগুলোকে দেয়া হলো, সেটার দায় জনগণ কেন নিবে, সে বিষয়ে কোন কথা প্রধানমন্ত্রী বললেন না। এমনিতে চাল-ডালসহ নিত্যপণ্যের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। 

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, জনগণের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে আইএমএফের কাছ থেকে সরকার ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ নিয়েছে। প্রতি বছর ৭০০ কোটি ডলার পাচার হয়ে যাচ্ছে-সেটা ঠেকানোর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ১ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ উদ্ধারে সরকারি পদক্ষেপ নেই বললেই চলে। অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, যেগুলো ইতিমধ্যে অবলোপন করা হয়েছে ও আদালতে মামলা রয়েছে তা হিসেবে আনলে এটি প্রায় ৪ লাখ কোটি টাকা হবে। ব্যাংক লুটপাটকারী, দুর্নীতিবাজদের আইনের আওতায় আনতে সরকারের কোনো পদক্ষেপ নেই, বরং সরকার এদের রক্ষাকর্তা হিসেবে ভূমিকা রাখছে। আইএমএফের ঋণের ৩৮টি শর্ত মেনে শিক্ষা-চিকিৎসা, সঞ্চয়পত্রসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনগণের প্রতি সরকারের ভূমিকা সঙ্কুচিত হচ্ছে। ফলে এসব সেক্টরে ভর্তুকি কমিয়ে দেয়া হচ্ছে। নেতৃবৃন্দ বর্তমান সরকারের ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আরো দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন