১৭ এপ্রিল ২০২৬, শুক্রবার, ০৪:১৭:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা জিয়া সহ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক প্রদান যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল নিয়ে জনমত বদলাচ্ছে টেক্সাসে পাঠ্যক্রমে ইসলাম ও সংখ্যালঘু ইতিহাস পরিবর্তন ঘিরে তীব্র বিতর্ক ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস : চার মিলিয়নের বেশি শিশু নিবন্ধিত নিউ ইয়র্কে ২-কে চাইল্ড কেয়ার হবে পূর্ণ দিবস ও বছরব্যাপী ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের ডিপোর্টেশন ঠেকানোর রায় দেওয়ায় দুই অভিবাসন বিচারককে বরখাস্তের অভিযোগ ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে মাহমুদ খলিলের আপিল খারিজ লংআইল্যান্ডে মসজিদ সম্প্রসারণে প্রশাসনিক বাধা নাটক-সিনেমা দেখে কি বার্তা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী?


পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী উৎসব : পারস্পরিক সম্প্রীতির প্রতীক
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৫-০৪-২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী উৎসব : পারস্পরিক সম্প্রীতির প্রতীক বক্তব্য রাখছেন মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান


সব জাতিসত্তার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি। তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সামাজিক উৎসবগুলো কেবল আনন্দ আয়োজনের মাধ্যম নয়, বরং এগুলো আমাদের ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবগুলো আমাদের পারস্পরিক সম্প্রীতির প্রতীক।

 রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের বাসভবনে আয়োজিত ‘বিজু-সাংগ্রাই-বৈসু-বিষু-বিহু-চাংক্রান-চাংলান’ উৎসব ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তাদের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসবগুলো পালন করছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের শিকড় ও সংস্কৃতি রক্ষায় এই ঐতিহ্যগুলো সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করা এখন সময়ের দাবি বলে মনে করেন মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবগুলো আমাদের পারস্পরিক সম্প্রীতির প্রতীক। এই সংস্কৃতির ধারাকে আরও শক্তিশালী করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সকল পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও তাদের স্বকীয় সংস্কৃতি রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও উন্নয়ন প্রসঙ্গে পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, গণতান্ত্রিক ভোটে বিজয়ী এই সরকার প্রধানমন্ত্রী জননেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে। মন্ত্রী বলেন, আমি আশা করি, পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল সম্প্রদায়ের এই সামাজিক উৎসবগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে স্ব-স্ব নামে পালনের পূর্ণ অধিকার ও স্বীকৃতি পাবে। তিনি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের মাধ্যমে দেশপ্রেমের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শেষে মন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারা দেশের মানুষকে বাংলা নববর্ষ ও বিজুর মৈত্রীয় শুভেচ্ছা জানান।

শেয়ার করুন